এই কথাটি মনে রেখো
তোমাদের এই হাসিখেলায়।
আমি যে গান গেয়েছিলেম
মনে রেখো।
জীর্ণ পাতা ঝরার বেলায়
মনে রেখো।।
শুকনো ফাসি শূণ্য বনে
আপন মনে
অনাদরে অবহেলায়
গান গেয়েছিলেম।।
দিনের পথিক মনে রেখো
আমি চলেছিলেম রাতে
সন্ধ্যা প্রদীপ নিয়ে হাতে
যখন আমায় ওপার থেকে
গেল ডেকে
ভেসেছিলেম ভাঙা ভেলায়
গান গেয়েছিলেম।।

[গানটি গেয়েছেন প্রতিমা বন্দোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

বড় আশা করে এসেছি গো
     কাছে ডেকে লও
     ফিরাইও না জননী।
দিনহীনে কেহ চাহে না
তুমি তারে রাখিবে জানি গো।
আর আমি যে কিছু চাহিনে
চরণও তলে বসে থাকিব,
আর আমি যে কিছু চাহিনে
জননী বলে শুধু ডাকিব ।
তুমি না রাখিলে গৃহ আর পাইব কোথায়
কেঁদে কেঁদে কোথা বেড়াব
   ঐ যে হেরী
   তমশ ঘন ঘরা
   গহন রজনী ।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

চোখের আলোয় দেখেছিলেম চোখের বাহিরে।
অন্তরে আজ দেখব, যখন আলোক নাহি রে।।
         ধরায় যখন দাও না ধরা
         হৃদয় তখন তোমায় ভরা,
এখন তোমার আপন আলোয় তোমায় চাহি রে।।
তোমায় নিয়ে খেলেছিলেম খেলার ঘরেতে।
খেলার পুতুল ভেঙে গেছে প্রলয় ঝড়েতে।
         থাক তবে সেই কেবল খেলা,
         হোক-না এখন প্রাণের মেলা
তারের বীণা ভাঙল, হৃদয়-বীণার গাহি রে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত “আমার সোনার বাংলা”র গীতিকবিতা:

আমার সোনার বাংলা
আমি তোমায় ভালোবাসি।
চিরদিন তোমার আকাশ
চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস
আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি।

ও মা, ফাগুনে তোর আমের বনে
ঘ্রাণে পাগল করে–
(মরি হায়, হায় রে)
ও মা, অঘ্রাণে তোর ভরা খেতে,
(আমি) কি দেখেছি মধুর হাসি।।

কী শোভা, কী ছায়া গো,
কী স্নেহ, কী মায়া গো–
কী আঁচল বিছায়েছ
বটের মূলে, নদীর কূলে কূলে।।

মা তোর মুখের বাণী
আমার কানে লাগে
সুধার মতো–
(মরি হায়, হায় রে)
মা, তোর বদনখানি মলিন হলে
আমি নয়ন জলে ভাসি।।

{এটি দেখতে না পারলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

সোমেন্দ্র ভট্টাচার্য্যের ওয়েবসাইটে আপনারা অনলাইনে সবচেয়ে বড় গীতবিতান পাবেন। কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা অজস্র গানের ভান্ডার নিয়ে এইটি তৈরি। আপনারা এখানে পেতে পারেন ফাইলটি।