আমি যাচ্ছি বাবা, আমি যাচ্ছি
চোখ মুছে মুখ তোলো
স্নেহের বাঁধন খোলো
এবার তোমায় দিতেই যে হয়
যাবার অনুমতি।
বাবা খেয়াল রেখো
তুমি তোমার প্রতি।।
আদর সোহাগ দিয়ে যদি
করলি আমায় বড়
কেন তবে এমন করে
কন্যাকে পর করো।
এই যদি গো নিয়ম-নীতি
এই সমাজের বিধান
হাসি মুখে করো বাবা
কন্যা সম্প্রদান।
তবে কেন কান্না চোখে
এই কোন অনুভূতি?
বাবা খেয়াল রেখো
তুমি তোমার প্রতি।।
অফিস যাবার সময় যখন
থাকব না আর আমি
চশমা নিতে ওষুধ খেতে
ভুলো না গো তুমি।
বুক যে আমার যাচ্ছে ভেঙ্গে
মন মানে না মানা
কেমন করে থাকব ছেড়ে
নেই যে আমার জানা।
ওই যে আমার মা দাঁড়িয়ে
দেহেতে নাই প্রাণ
যেন বুকটা চিড়ে যাচ্ছে নিয়ে
কেউ কলিজাখান।
তুমিও তো মেয়ে মা গো
জানোই পরিণতি।
(মাগো) ওমা খেয়াল রেখো
তুমি বাবার প্রতি।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

যদিও রজনী পোহালো তবুও
দিবস কেন যে এলো না এলো না।
সজন মেঘের পরান ঝরিয়া
বরিষণ কেন হলো না হলো না।।
লোকে মরে কলঙ্কীনি নাম দিয়ে
বোঝে না তো কত জ্বালা মন নিয়ে
বলে বলুক লোকে মানি না মানি না
কলঙ্ক আমার ভালো লাগে
পিরিতি আগুনে জীবন সঁপিয়া
জ্বলে যাওয়া আজ হলো না হলো না।।
এমন পথ চলা ভালো লাগে না
আমার অঙ্গ দোলে তরঙ্গে তরঙ্গে
কেউ না বাঁধে যদি পথ হারাবে নদী
ভালো লাগে না লাগে না।
ভালোবেসে মরি যদি সেও ভালো
ঘর বেঁধে যদি মরি আরো ভালো
এসো এসো হে বধূ জ্বলিতে জ্বলিতে
মরণ আমার ভালো লাগে
কপালের লিখা সিঁদুরে ঢাকিয়া
পথ চাওয়া আজ হলো না হলো না।।

[গানটি গেয়েছেন লতা মুঙ্গেশকর]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

শুধু পথ চেয়ে থাকা
রঙে রঙে ছবি আঁকা
কবে তুমি আসবে বলে।
মনে মনে কাছে ডাকা
দুয়ার আর খুলে রাখা
কবে তুমি আসবে বলে।।
তোমারই কারণে সাজি এত যে
সাজি তবুও হৃদয় কাঁপে এই তো লাজে
সে লাজ দ্বিগুণ হয় যদি না আসো
মালা মোর জ্বালা হয়ে জ্বলে।।
আমি স্বপ্ন কাজল চোখে আঁকি
সে কাজল কলঙ্ক হয়ে যায়।
আহা যদি না আমার দুটি আঁখি
ওই আঁখি পল্লবে মিশে যায়
স্বাধীন প্রদীপ আমি জ্বালায়ে রাখি
সে আলোয় পথ পানে চেয়ে থাকি
সে আলো আগুন হয় যদি না আসো
নেভে না সে নয়ন জলে।।

[গানটি গেয়েছেন রুমা গুহঠাকুরতা]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

এ কি চঞ্চলতা
জাগে আমার মনে
ভালো লাগে কত ভালো লাগে।।
এই তো প্রথম দ্বার খুলে
ছুটে আমি এসেছি
ফুলে ফুলে ওই হাসি দেখে
আমিও যে হেসেছি
তারা ভরা এই রাত
আমি দেখিনি কখনো আগে।।
ওগো বাঁশী শোনো
আজ বুকে সুর ভরে দাও
আমার আনন্দ আজ
তুমি শুধু জেনে নাও।
কিছু নেই তবু আছি আমি
আজ যেন মেনেছি
ভালো লাগা ওগো কারে বলে
এই তো প্রথম জেনেছি।
ভরে গেছি আমি আজ
এই মায়াভরা অনুরাগে।।

[গানটি গেয়েছেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আজ আছি কাল কোথায় রব
কোথায় রব কে জানে
কাল কি হবে তাই ভেবে আর
মিছেই কেন আকুল হব।।
আনন্দ আর গানে গানে
এ ক’টি দিন কাটিয়ে যাও।
জীবনের এই পাঠশালাতে
পাঠশালাতে উৎসবে প্রাণ মিটিয়ে নাও।
ক্ষণিক হলেও দু’জনারে
দুজন কিনে লব।।
তুমি আমি রব না তো কেউ
আয়ুর প্রদীপ হবে ক্ষীণ
তাই তো বলি হেসে খেলে
মন ভরিয়ে যাক না দিন
আছি দুজন সবার চেয়ে
এই তো অভিনব।।

[গানটি গেয়েছেন আলপনা বন্দোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

এক দুই দিন
চলি (শুনি) যে সারা দিন।
হৃদয়ে বাজে বীণ
বুঝি সে জানে।
ও মন ভুলেছে, দুয়ার খুলেছে
তারই ছোঁয়া সেই গানে।।
চোখেতে সহসা এই কি আলো
হারিয়ে গেলো যে সবই কালো
সেই আলোকে প্রতি পলকে
তারই ছবি শুধু কাছে টানে।।
ইচ্ছে করে হয়ত কিছু করি
নয় তো দেখি স্বপ্ন আহামরি
এ যেন পৃথিবী খুশীর মেলা
আকাশ ভরে কত রঙের খেলা
এই বসন্তে পথেরই প্রান্তে
পায়ে পায়ে সে ছন্দ আনে।।

[গানটি গেয়েছেন মান্না দে]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

তোমারই বাঁকা ও চোখ
ঝিলিক মারে ঝিকিমিকি।
জ্বলছে এ বুকে যে
তুষের আগুন ধিকিধিকি।।
একি বলো সইতে পারি
তবু না কইতে পারি।
মিছে কি ভেবে মরি
ও মন পাবো ঠিকই।
এখনো তো আমি কি চাই
বুঝেও তুমি বোঝোনি কি।।
জানি না মনে মনে
কি যে তুমি ফন্দি করো।
নাহয় আমায় তুমি
ওই নজরে বন্দী করো।
তবু কি থাকবে সরে
দূরে কি রাখবে মোরে।
মনে হয় এবার আমি
আরো ভালোবাসতে শিখি।
এখনো তো আমি কি চাই
মনে মনে খোঁজোনি কি।।

[গানটি গেয়েছেন শ্যামল মিত্র]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

সব দুষ্টু ছেলেরাই লক্ষ্মী
তারা বাঁধনছাড়া পক্ষী।
সব দিগ্বিজয়ী বীর
যদি সঙ্গে থাকে ভয় কি।।
যত ভালো ছেলেরাই বোকা
শুধু পড়ে লেখে কাঁদে।
তারা চিরকালই খোকা
সব কাজে পড়ে ফাঁদে।
এই দস্যি দামোদল
দেখো শক্ত কত নয় কি।।
যত গাধা পিটিয়ে ঘোড়া
তারা চলতে গিয়ে খোড়া।
শুধু দুষ্টু সোনারাই
মিছে দেয় না কোনো ঝক্কি।।
আমি দুষ্টু ভালোবাসি
তারা নয় কো গোবর গণেশ।
তাদের মিষ্টি লাগে হাসি
আর ছন্নছাড়া বেশ।
দেশে দস্যু এলে ‘পর
তারা শান্তি পথে রক্ষী।।

[গানটি গেয়েছেন আরতি মুখোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

তব বিজয় মুকুট আজকে দেখি
সূর্য্যর আগে ঝলমল।
তব দুঃখ-ব্যথার মৃণালকাঁটায়
উঠল সুখের শতদল।
সূর্য্যর আগে ঝলমল।।
এগিয়ে চলুক তব জয়রথ
পুষ্পিত হোক সাধনার পথ।
তব সুর ভ্রমরা গৌরবেতে
হোক না আরো উজ্জ্বল।।
আমি পূজার প্রাঞ্জলি আজ হব
সিংহাসনের তলে।
সেথা একটি প্রলাপ লুকিয়ে আছে
নীরব প্রেমের ছলে।
মৌন প্রাণের এই নিবেদন
হউক না গোপন সারা জীবন।
তুমি নাই জানিলে কার চোখে আজ
আলোর একি আঁখিজল।।

[গানটি গেয়েছেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

ত্রিবেণী তীর্থ পথে কে গাহিলো গান
জাগায়ে করিলো মোর আকুল পরান।
শ্যাম তরু ছায়াতলে ছিল বসে আঁখি জলে
আমার নীরব গানের কে রচিল তান।।
কিবা তব নামখানি আমারে শুধাও
না বলা কথাটি মোর যায় শুনে যায়।
ওগো মোর মরমীয়া কথার মালিকা দিয়া
হিঙ্গারে ব্যাকুল হিয়া করিলে জাগান।।

[গানটি গেয়েছেন চিন্ময় লাহিড়ী ও প্রতিমা ব্যানার্জী]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

হারিয়ে যেতে যেতে অজানা সংকেতে
ছাড়িয়ে গেছি সেই পথ
কখনো মেঘে ঢাকা, কখনো আলো মাখা
ভুলেছি ভবিষ্যত।।
হৃদয়ে কার যেন সন্ধানে
খুঁজেছে দুটি চোখে সবখানে
সে চোখে যত আলো যত আশা ভালোবাসা
খুলবে এ বন্ধ মনের জগত।।
অন্ধকারে তাকে যায় চেনা
শূণ্য হাতে সে আসবে না।
ভাবি এ চলা কবে শেষ হবে
আলোয় ফেরা সে উৎসবে
জীবনে যত কিছু দূর থেকে দেখে দেখে
পাইনি তো মূল্য দেবার মূলরত।।

[গানটি গেয়েছেন আরতি মুখোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

কেন এ হৃদয় চঞ্চল হলো
কে যেন ডাকে বারে বারে
কেন, বলো কেন।।
আমি ফুল দেখেছি
ফুল ফুটতে কখনো দেখিনি
আজ মনে হয় এই শিহরণ
এই বুঝি ফুটছে আমার কলি।।
কেন এ কন্ঠে এলো গান
কেন, বলো কেন।
কি এক মধুর নেশা যেন
কেন, বলো কেন।
কি যে সুর শুনেছি
সুর ভুলতে এখনো পারিনি
আজ মনে হয় গান হয়ে মোর
তাই বুঝি ফুটছে কথার কলি।।

[গানটি গেয়েছেন সন্ধ্যা মুখার্জী]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

কি মিষ্টি দেখো মিষ্টি
কি মিষ্টি এ সকাল।
সোনা ঝরছে, ঝরে পড়ছে
কি মিষ্টি এ সকাল।।
নীল পাহাড়ের চূড়ায় চূড়ায়
আলোর আভায় লাল হয়েছে
মিষ্টি এ সকাল।
সুর ঝর্ণা মানা মানেনা
ডানা মেলে যায় উড়ে ময়না।
মন পবনের দোলা লাগছে এ
কি মিষ্টি এ সকাল।।
আমি শুনছি শুধু শুনছি
কানে মোহনের বাঁশী শুনছি
প্রেম যমুনার তীরে বসে বসে
মিলনের দিন গুনছি।
মন ভোমরা কেন গায়না
মন যারে চায় কেন পায়না
দূরে দুলন্ত এ
কি মিষ্টি এ সকাল।।

[গানটি গেয়েছেন সন্ধ্যা মুখার্জী]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আজ চঞ্চল মন যদি
মৌমাছি হয়ে চায় ক্ষতি কি।
গুনগুন সুরে যদি
সারারাত গান গায় ক্ষতি কি।।
সেই সুরে ফোটে
ফুল ফুটুক না।
সেই গানে ওঠে
চাঁদ উঠুক না।
যদি স্বপ্নে দুটি আঁখি
ভরে যেতে চায় ক্ষতি কি।।
এই রাতে জোনাকী
যত জ্বলুক না।
সেই সাথে হাওয়া
কথা বলুক না।
এই মন যদি মন থেকে
আজ ছুটি পায়ক্ষতি কি।।

[গানটি গেয়েছেন সন্ধ্যা মুখার্জী]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

এই পূর্ণিমা রাত
কিছু সুর কিছুটা আবেশ
একি শুরু না শেষ।।
কেন জানিনা যে
মন আজ বাঁশী হয়ে বাজে
ভুলে যেতে চাই
তবু থাকে কেন রেশ।।
বোঝানোর নেই কোনো ভাষা
ভুল কি যে ভুলে ভালোবাসা
সবই ভালো লাগে
তবু ফাগুনে শ্রাবণ কি জাগে
ভরে মৃগছায় যেন নয়ন নিমেশ।।

[গানটি গেয়েছেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

তুমি নাহয় রহিতে কাছে
কিছুক্ষণ আরো নাহয় রহিতে কাছে
আরো কিছু কথা নাহয় বলিতে মোরে
এই মধুক্ষণ মধুময় হয়ে নাহয় উঠিত ভরে।।
সুরে সুরভীতে নাহয় ভরিত বেলা
মোর এলো চুল লয়ে বাতাস করিত খেলা।
ব্যাকুল কত না বকুলের কুড়ি
রয়ে রয়ে যেত ঝরে
ওগো নাহয় রহিতে কাছে।।
কিছু দিয়ে নিয়ে ওগো মোর মনময়
সুন্দরতর হতো নাকি বলো
একটু ছোঁয়ার পরিচয়।
ভাবের লীলায় নাহয় ভরিত আঁখি
আমারে নাহয় আরো কাছে নিতে ডাকি।
নাহয় শোনাতে মরমের কথা
মোর দুটি হাত ধরে
ওগো নাহয় রহিতে কাছে।।

[গানটি গেয়েছেন সন্ধ্যা মুখার্জী]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আজ দুজনার দুটি পথ ওগো
দুটি দিকে গেছে বেঁকে।
তোমার ও পথ আলোয় ভরানো জানি
আমার এ পথ আঁধারে আছে যে ঢেকে।।
সেই শপথের মালা খুলে
আমারে গেছ যে ভুলে
তোমারেই তবু দেখি বারে বারে
আজ শুধু দূরে থেকে।।
আমার এ কূল ছাড়ি
তব বিশ্বরণের খেয়া ভরা পালে
অকূলে দিয়েছি পাড়ি।
আজ যতবার দীপ জ্বালি
আলো নয় পাই কালি
এ বেদনা তবু সহি হাসি মুখে
নিজেরে লুকায়ে রেখে।।

[গানটি গেয়েছেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

নিশি রাত বাঁকা চাঁদ আকাশে
চুপি চুপি বাঁশী বাজে বাতাসে…বাতাসে।।
ভাঙা ঘরে দুদিনেরই খেলাঘর
কতভাঙা তবু এলো জোছনা
ফুলে ফুলে ছেয়ে গেল বালুচর
স্বপ্ন বাসর করি রচনা।
এ জীবনে যতটুকু চেয়েছি
মন বলে তার বেশী পেয়েছি…পেয়েছি।।
জীবনের পথে পথে চলিতে
যত আশা গিয়েছিল ফুরায়ে
গজমতি হারে যেন ধুলিয়ে
ভিখারিনী পেল আজ কুড়ায়ে।
এ জীবনে যতটুকু চেয়েছি
মন বলে তার বেশী পেয়েছি…পেয়েছি।।

[গানটি গেয়েছেন গীতা দত্ত]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

এ শুধু গানের দিন
এ লগন গান শোনাবার।
এ তিথি শুধু গো যেন
দখিন হাওয়ার।।
এ লগনে দুটি পাখি
মুখোমুখি নীড়ে জেগে রয়
কানে কানে রূপকথা কয়
এ তিথি শপথ আনে
হৃদয় চাওয়ার।।
এ লগনে তুমি আমি
একই সুরে মিশে যেতে চাই
প্রাণে প্রাণে সুর খুঁজে পাই
এ তিথি শুধু গো যেন
তোমায় পাওয়ার।।

[গানটি গেয়েছেন সন্ধ্যা মুখার্জী]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

সাঁঝ ঝরা লগনে আজ
কে ডাকে আমায়
এই সাঁঝ ঝরা লগনে আজ
কে ডাকে আমায়।
আমার পথের আশার প্রদীপ
কে এসে জ্বেলে যায়।
আকাশের এই তারায় তারায়।।
আমার পায়ে লাগবে ধুলা
তাই ভেবে কি বকুলগুলো
পথের পারে এমন করে
লুটিয়ে আছে হায়…হায়…হায়।।
অভিসারের এ পথ আমায়
যেথায় নিয়ে যাবে
অনেক খোঁজার শেষে হৃদয়
ঠিকানা তার পাবে।
এই পথেরই অন্ধকারে
হার না মানার অহংকারে
জীবন আমার তাই যে শুধু
হারিয়ে যেতে চায়…হায়…হায়।।

[গানটি গেয়েছেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

কাকলী কুজন আজ
ভ্রমরের মধু গুঞ্জনে
একি সাড়া পাই গো
একি সাড়া পাই গো
যে ফাগুন এলো আজ
জীবনে আমার।
তুলনা তো নাই তার
তুলনা তো নাই।।
মধুর লীলায়
মাধবী মুকুল কেন
সুরভী বিলায় গো
তারই রঙে মন মোর
ভরে নিতে চায় গো।।
ক্ষণে ক্ষণে তাই আজ শুনি
নিখিলে নিখিলে ওই
বাজে ফাল্গুনী শুনি।
অলস তলায় সুরের পরশ
লাগে মনেরই খেলায়
গো অলস বেলায়।
আপনারে বারে বারে
তাই ভুলে যাই গো
তাই ভুলে যাই।।

[গানটি গেয়েছেন আলপনা বন্দোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

গানে মোর কোন্‌ ইন্দ্রধনু
আজ স্বপ্ন ছড়াতে চায়
হৃদয় ভরাতে চায়।
নিদ্রা মোর কাকলী কুহু
সুর শুধু যে ঝড়াতে চায়
আবেশ ছড়াতে চায়।।
মৌমাছিদের গীতালী
পাখায় বাজায় মিতালী
নীড় দোলানো সুরে আমার
কন্ঠে মালা পড়াতে চায়…হায়।।

[গানটি গেয়েছেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

যদি ভুল করেই ভুল মধুর হলো
মন কেন মানে না।
কেন একটু ছোঁয়া দোলায় আমায়
কেউ তো জানে না।।
আজ হারিয়ে যেতে তবে কিসের বাধা
যদি এ ভুল হলো গো ভালো
আঁধার এসে যে আলো
আহা তাই এ বাঁশী খুঁজে পায় কি হাসি
সুরে আজ পড়ে সে বাধা
তবে ফাগুন কেন দেখেও আমায়
কাছে তার টানে না।।
কেন সে আমায় আজ এমন করে
ডাক দিয়ে ওই যায়
তারই সুরে হৃদয় আমার
ব্যাকুল হতে চায় চায় গো
ব্যাকুল হতে চায়।
এই একটু খুশী, এই একটু নেশা,
কেন ভোলালো আমায়
আর দোলালো আমায়
বলো এ কি মায়া মোর আঁখি ছায়া
স্বপ্নে যেন মেশা
তবু আমায় দেবার হৃদয় নিয়ে
কেন সে মালা আনে না।।

[গানটি গেয়েছেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

কে তুমি আমারে ডাকো
অলখে লুকায়ে থাকো
ফিরে ফিরে চাই
দেখিতে না পাই।।
মনে তো পড়ে না
তবুও যে মনে পড়ে
হাসিতে গেলেই কেন
হৃদয় আঁধারে ভরে
সমুখের পথে যেতে
পিছনে টানিয়া রাখো।।
নতুন অতিথি দাঁড়ায়ে রয়েছে দ্বারে
তবু ফিরাতে হবে তারে
ভুল করে মালা যদি
দিতে চাই কারো গলে
কেন কাঁপে হাত বলো
বাধা পাই পলে পলে
আমার এ আকাশ শুধু
মেঘে মেঘে কেন ঢাকো।।

[গানটি গেয়েছেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’ read it, click here}

ফুলের কানে ভ্রমর আনে
স্বপ্ন ভরা সম্ভাষণ
এই কি তবে বসন্তেরই নিমন্ত্রণ।
দখিন হাওয়া এলো ওই বন্ধ হয়ে
তাই কি আজ
কন্ঠ আমার জড়িয়ে ধরে
জানায় শুধু আলিঙ্গন।।
ওই যে বনফুলের বন দোলে
তাই কি আমারই মন দোলে
দোলে গো মন দোলে
পথিক পাখি যায় উড়ে যায়
কোন্‌ সে দূরে যায় গো যায়
মুগ্ধ প্রাণে যায় যে এঁকে
পাখার ছায়ায় আলিপন
আজ আমার কন্ঠ ভরে সুর এলো
আর কাছে আরো আপন হয়ে দূর এলো।
নতুন করে তাই যেন গো
আজ নিজেরে পাই গো পাই
প্রাণে আমার পরশছোঁয়ায়
কিছু হওয়ার শুভক্ষণ।।

[গানটি গেয়েছেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

না না না না এমন করে
দাগা দিয়ে সরে থেকো না।
আমায় নিয়ে খেলা করো
তুমি ওগো নিঠুর বড়
দোহাই তোমায় আমায় তুমি
বিষ চোখে চেয়ে দেখো না।।
যা খুশী বলুক লোকে
দেখুক আমায় মন্দ চোখে
থাকলে তুমি আমার কাছে
লোক লাজে ভয় কি আছে
ফুলটাকে কাঁটা দিয়ে
ভুল করে ভরে রেখো না।।
মন নিয়ে কি যে করি
একি জ্বালায় জ্বলে মরি
বুকের আগুন নেভে না হায়
বোঝো না মন কি চায়
আলেয়ার মত তুমি
ছল করে কাছে ডেকো না।।

[গানটি গেয়েছেন আশা ভোঁসলে]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

বিপীনবাবুর কারণ সুধা
মেটায় জ্বালা মেটায় ক্ষুধা
মরা মানুষ বাঁচিয়ে তোলে
এমনি যে তার জাদু।।
বিধি তোমার আদালতে
এ বা কেমন রায়
দোষীরা সব কেটে পড়ে
বোকা সাজা পায়
এই আমরা হলাম পাপী-তাপী
আর ওরা সবাই সাধু।।
ভালো করে বাঁচতে চাওয়া
ওদের চোখে দোষ
ওদের গাড়ি টানতে গিয়ে
হলাম গরু-মোষ
ওই নেপথে মারছে যে দই
উলটো নিয়ম দাদু।।
আজ রাজা কাল সে ফকির
বরাতের কি খেল
জিততে হলে দাবার চালে
পায়ে মাখাও তেল
নইলে সাত মণ তেল পড়িয়েও রাধা
নাচবে না তো যাদু।।

[গানটি গেয়েছেন কিশোর কুমার]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

জানি না আজ যে আপন
কাল সে কেন পর হয়ে যায়
যে বাতাস ফোটালো ফুল
সে তো আবার ঝড় হয়ে যায়।।
ছিল যে আমার পাশে
তার কথা মনে আছে
চাই আমি ভুলতে তারে
মন কি তারে ভুলতে পারে
জানি না প্রেম যে এমন
তাসের দেশে ঘর হয়ে যায়।।
স্মৃতিরই সেতু ভেবে
যায় দিন শুধুই কেটে
কে যেন তাকিয়ে পিছু
ফিরে দেখি নেই তো কিছু
হৃদয়েরই শপথ যেন
চোরাবালি চর হয়ে যায়।।

[গানটি গেয়েছেন আশা ভোঁসলে]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

যদি হই চোরকাটা ওই শাড়ীর ভাজে
দুষ্টু যে হয় এমন কাজ তো তারই সাজে
যদি হই কাঁকন তোমার ওই হাতে
রিনি ঝিনি বাজব আমি দিনে রাতে
চেয়েও আমায় চাও না যে।।
আহ…তুমি যে কি করো
জ্বালাতন করছ আমায় তুমি বড়
চাও কি তুমি ভুল হয়ে যাক সব কাজে।।
তোমার ওই দু’চোখে যে আমার মরণ দেখেছি
না না না ও চোখেতে চোখ মিলিয়ে স্বপ্ন আমি এঁকেছি
যদি হই কাজল তোমার ওই চোখে
আমারই চোখের বাহার দেখবে লোকে
ভয় কি বলো হায় গো আমার লোক লাজে।।

[গানটি গেয়েছেন আশা ভোঁসলে ও কিশোর কুমার]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

কি আশায় বাঁধি খেলাঘর
বেদনার বালুচরে
নিয়তি আমার ভাগ্য লয়ে যে
নিশি দিন খেলা করে।।
হায় গো হৃদয় তবুও তোমার
আশা কেন যায় না
যতটুকু যায় কিছু তার পায় না
কিছু তার পায় না
কে জানে কেন যে আমার আকাশ
মেঘে মেঘে শুধু ভরে।।
প্রতিদিনই ওঠে নতুন সূর্য্য
প্রতিদিনই আসে ভোর
ওঠে না সূর্য্য আসে না সকাল
জীবন আঁধারে মোর।
পৃথিবী আমারে দিলো যে ফিরায়ে
সে যেন ডাকিয়া কয়
নাহি হেথা ঠাঁই, আমি তোর কেহ নয়
ক্লান্ত চরণ আকুল আঁধারে
পথ শুধু খুঁজে মরে।।

[গানটি গেয়েছেন কিশোর কুমার]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

লেখাপড়াটা শিকেয় তুলে
তুলে তুলে তুলে তুলে।
বেশ তো ছিলাম বাউন্ডুলে
সবকটা পাশ করলে তোমার
নেই যে তুলনা।
দোহাই তোমার আমায় আবার
পড়তে বলো না।।
তোমাকে অবাক চোখে
দেখে আজ অনেক লোকে
আমিও তাকিয়ে দেখি
সেই তুমি আজ নতুন তুমি
তাও কি বোঝো না।
দোহাই তোমার নতুন হয়েও
বদলে যেও না।।
জীবনের সব খাতাতে
যা কিছু পরীক্ষাতে
আলো হোক সব বিষয়ে
কামনা এই করি শুধু
অন্য কিছু না।
দোহাই তোমার ভালো হয়েই
বদলে যেও না।।

[গানটি গেয়েছেন মান্না দে]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

এই যে চাঁদের আলো
লাগে কত ভালো।
আজ শুধু মন বলে
এ চাঁদ আমারই।।
বাতাসেরও দোল ঝড়ায়
কি আবেশে মন ভরায়
আজ শুধু মন বলে
এ রাত আমারই।।
এই যে নীরবতা
এ যেন এক রূপকথা।
চেয়ে দেখি ফুল হাসে
সুর আসে আর গান আসে
আর শুধু মন বলে
এ গান আমারই।।

[গানটি গেয়েছেন সন্ধ্যা মুখার্জী]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আমি কত দিন কত রাত ভেবেছি
ভেবেছি বলব তোমারে
একটি পুরোনো কথা নতুন করে।।
যে কথা ভ্রোমর বলে ফুলের কানে
যে দোলা জাগায় মেঘ নদীর টানে
তাই কি শোনাতে এলে গানে গানে
না না না সে কথা হয়ত বলেছি
হয়নি বলা তবু কেমন করে
বলব ভাবি আমি কেমন করে।।
হাজার বছর ধরে শিল্পী কবি
কত রঙে এঁকেছে তারই ছবি
বোঝাতে পারিনি তবু মনের সবই
না না না সে ভাষা হয়না বোঝাতে
মনের ভাষা মন বুঝতে পারে
চোখের পাতায় তার ছায়া পরে।।

[গানটি লিখেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার ও সুর করেছেন সত্য সাহা]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

ও সাত ভাই চম্পা জাগো রে।
ও সাত ভাই চম্পা জাগো রে।
ও সাত ভাই চম্পা জাগো রে,
একটি পারুল বোন একা ঘরে।।
আহা পারুল বোনের দিন ফুরায় না রে।
আহা দুখিনী মায়েরা গাল কাটে না রে।
দাও সাড়া দাও সাড়া গো সাত ভাই ধন রে।
একটি পারুল বোন একা ঘরে।।
ডাকি বারে বারে, তবু জাগে না রে।
আঁখি মেলে না রে, কিছু শুনে না রে।
আমি কি যে করি, কার পায়ে ধরি
কি যে উপায় কিছু জানি না রে।।
আহা মায়ের ব্যথায় গাছের পাতা ঝরে।
কাঁদে বনের পাখি কুহু কুহু স্বরে।
দাও সাড়া দাও সাড়া গো সাত ভাই ধন রে।
একটি পারুল বোন একা ঘরে।।
ও সাত ভাই চম্পা জাগো রে।
কেন কেন বোন পারুল ডাকো রে।
আহা ঘুমেতে ঘুম ঘুম ঘুমে থেকে
ডেকেছে রে, সাড়া দিয়েছে রে।।
ও রাজ পুত্তুর সাত ভাই জানিস কি রে।
তোদের জীবন পাবার দিন এলো ফিরে।
ওগো নামবো না, নামবো না, নামবো না রে।
দেবো না ফুল তবু দেবো না রে।।
চোখে আগুন জ্বলে, কেন পাষাণ গলে,
মায়ের পরান গলে, বসে মায়ের কোলে।
আহা পুত্রহারা কোন্‌ রাজার ঘরে
চোখের পানি বাধা মানে না রে।
ও সাত ভাই চম্পা জাগো রে।।
এই মাটির পৃথিবী দেখে যা রে।
আহা সুখের সাগর ভাসে দুখের নীড়ে।
আগে আসুক রাজার বড় ছয়টি রাণী,
বুকে ধরুক মায়ের চরণখানি।
তবে সাত ভাই চম্পা জাগে রে।
তবে সাত ভাই চম্পা জাগে রে।।

[গানটি গেয়েছেন সাবিনা ইয়াসমীন]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

কাছে এসো যদি বলো
তবে দূরেই কেন থাকো।
ভালো লাগে যদি বলো
তবে তোমার পাশেই রাখো।
আমি থাকব নাকি চলেই যাব
তুমি নতুন করে ভেবে দেখ।।
ওই যে দিগন্তে ছাড়িয়ে সীমানা
হংস মিথুন যেথা মেলেছে ডানা।
সেথা নিরজনে রব আনমনে।
সেথা আমি নিরজনে রব একা আনমনে।
ক্ষতি নেই পাশে যদি নাই বা থাক।।
ছিলেনা যখন তুমি আমারই হয়ে
সময় আমার কি গো যায়নি বয়ে।
আমি যে তোমারই সেকি গো বোঝোনা
মিথ্যে অভিমানে চলে যেওনা।
যুগ যুগ ধরে এই অন্তরে।
কত যুগ যুগ ধরে আছ গো এই অন্তরে।
আমার ছিলে তুমি আমারই থেকো।।
না না থাকব না আর আমি চলেই যাব
তুমি একা একা বসে বলো।
কাছে এসো যদি বলি
তবে দূরেই কেন রাখো
ভালো লাগে যদি বলি
তবে তোমার পাশেই রেখো।
আমি থাকব ওগো চিরতরে
তোমার ছিলাম আমি তোমারই রব।।

[গানটি লিখেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার ও সুর করেছেন সত্য সাহা]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

কি আনন্দ দিয়ে
এ ভুবন মাতিয়ে
একি স্বপ্ন এঁকেছ
এ নয়নে।
কি যে গান শুনিয়ে
এই মন মাতিয়ে
একি আগুন জ্বেলেছ
এ ফাগুনে।।
দুটি পাখি মন
আপন মনে
যায় উড়ে যায়
কোন লগনে।
যেদিকে চোখে যায়
যাক না চলে
হারিয়ে যাব
এই দুজনে।
কোন মায়াবী মায়া
কোন সোনালী ছোঁয়া
একি শান্তি এনেছে
এ মিলনে।।
তোমায় পেয়েছি
পরান ভরে
তাই তো বেঁধেছি
জীবন ডোরে।
স্মরণে রেখো
মনের বদলে
মনটি দিলাম
উজার করে।
কোন সুর বাজিয়ে
কিবা তাল সাজিয়ে
একি ছন্দ জাগালে
এ জীবনে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আমি এক দুরন্ত যাযাবর
দিন নেই, রাত নেই,
বসে থাকি গাড়িতেই,
পথেই বেঁধেছি মোর ঘর।।
এখানে ওখানে কোথা যেতে নেই যে মানা।
এখানে সেখানে খুঁজে পাবে মোর ঠিকানা।
চাওয়া-পাওয়া নেই কিছু
কোনো বাঁধন নেই পিছু।
কেউ আমার রাখে না খবর।।
এধারে ওধারে সারি সারি চলে কতজনে।
কে এলো, কে গেলো, এতকিছু কে রাখে মনে।
সকলেরে ভালোবাসি
সবার সাথে কাঁদি-হাসি।
দুনিয়াতে কেউ নয় পর।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আয়নাতে ওই মুখ দেখবে যখন
কপোলের কালো টিপ পড়বে চোখে
ফুটবে যখন ফুল বকুল শাখে
ভ্রমর যে এসেছিল জানবে লোকে।।
মনটি তোমার কেন দুরুদুরু কাঁপছে
মনের মানুষকে গো চেনা চেনা লাগছে
তুমি কি তারে কাছে ডাকবে।
হৃদয়ের কাছে যে রয় অলখে
হঠাৎ যখন তুমি দেখবে তাকে
শরমে নয়ন কি গো রাখবে ঢেকে।।
জানিনা এখন তুমি কার কথা ভাবছ
আনমনে কার ছবি চুপিচুপি আঁকছ
তুমি কি তারে ভালোবাসবে।
ধরা যদি দেয় সে এক পলকে
দেখবে যখন তাকে অবাক চোখে
দু’হাতে নয়ন কি গো রাখবে ঢেকে।।

[গানটি গেয়েছেন মাহমুদুন নবী]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

ঐ দূর দূর-দূরান্তে,
দিন-দিনান্তে, নীল-নীলান্তে,
কিছু জানতে না জানতে
শান্ত শান্ত মন অশান্ত হয়ে যায়।
সেই মন মন-মনান্তে,
বন-বনান্তে, যুগ-যুগান্তে,
কিছু শুনতে না শুনতে
পান্ত পান্ত স্বাদ অপান্ত হতে চায়।।
দু’চোখে দিল শুধু যন্ত্রণা
কেন যে করে তবু মন্ত্রনা
যাবে সে যাবে চলে
দু’পায়ে সবই দোলে
পিছু কি দেবে না সান্ত্বনা।
থেকে থেকে দেখে দেখে
ফেলে ফেলে রেখে রেখে
মায়ামৃগ পিছু ডেকে যায়,
ডেকে যায়, ডেকে যায়।।
আমারে করে গেল বঞ্চনা
শ্রবণে দিল কত গঞ্জনা
সে গেল হেসে হেসে
আমি যে ভাবি বসে
আর তো দেবে না লাঞ্ছনা।
পলে পলে দিনে দিনে
ক্ষণে ক্ষণে তিলে তিলে
সারাবেলা তারে দিন যায়,
দিন যায়, দিন যায়।।

[গানটি গেয়েছেন খোরশেদ আলম]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

মন যদি ভেঙে যায়
যাক, যাক, কিছু বলব না।
তোমার যাবার বেলা
আমার প্রেমের কথা তুলব না।।
নাইবা মানলো বাধা
চোখের জলের এই নদী।
পথ চেয়ে একা একা
কাঁদব না হায় নিরবধি।
তোমার পথের জ্বালা,
তোমার পায়ের ধুলা,
মুছিয়ে দিয়েছি আঁখি জলে
সেই তো অনেক বড় সান্ত্বনা।।
কি আছে নাহয় আমি
কেঁদেই কাটাব এ জীবন।
নাহয় ছলনা দিয়ে
বুঝিয়ে রাখব এ মন।
তোমার জীবন তৃষা,
পেয়েছে পথের দিশা,
এগিয়ে চলেছ সে পথে
সেই তো অনেক বড় সান্ত্বনা।।

[গানটি লিখেছেন ও সুর করেছেন খান আতাউর রহমান এবং গেয়েছেন সাবিনা ইয়াসমীন]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

একি সোনার আলোয়
জীবন ভরিয়ে দিলে।
ওগো বন্ধু কাছে থেকো, কাছে থেকো।
রিক্ত আমার ক্ষুদ্র প্রাণে
তোমার আঁখিটি রেখো।।
আমি দিয়েছি আমার হৃদয় লুটিয়ে
তোমার প্রেমের জন্য।
তুমি দু’হাত বাড়ায়ে বুকেতে জড়ায়ে
করেছো আমায় ধন্য।
বুকের পাঁজরে তেমনি লুকিয়ে রেখো।
এমনি আমায় প্রাণের বাঁধনে
সোনার খাঁচাতে রেখো।।
জীবন হবে যে এতো সুন্দর
কখনো ভাবিনি আগে।
এতো সুখ আর এতো আনন্দ
স্বপ্নের মতো লাগে।
ওগো যদি কোনোদিন জলছবি সম
মুছে যায় এই ছবি।
আমি ঘুম ভেঙে দেখি স্বপ্নের মতো
হয়েছে বিফল সবই।
সেদিন বন্ধু আমার কথাটি রেখো
রাতের নিরলে আমার স্মৃতি
প্রদীপ জ্বালিয়ে রেখো।।

[গানটি লিখেছেন ও সুর করেছেন খান আতাউর রহমান এবং গেয়েছেন সাবিনা ইয়াসমীন]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

ঈশারায় শিষ দিয়ে
আমাকে ডেকো না।
কামনার চোখ নিয়ে
আমাকে দেখো না।
লাজে মরি মরি মরি গো।।
ষোলটি বছর পার হয়ে
বুঝিনি কখনো আগে।
জীবনে প্রথম ফাগুন এলেই
মনেতে আগুন লাগে।
সে আগুন তুমি লাগালে যখন
এখন আমি কি করি।।
না পারি রইতে, না পারি সইতে
পাগল করে যে দিলে।
নেভে না জলে, এ কোন্‌ জ্বালা
অঙ্গে জড়িয়ে নিলে।
সে জ্বালা মেটাতে প্রেমের সাগরে
দুজনেই ডুবে মরি।।

[গানটি গেয়েছেন সাবিনা ইয়াসমীন]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

এই পৃথিবীর পরে
কত ফুল ফোটে আর ঝরে।
সে কথা কি কোনোদিন
কখনো কারো মনে পড়ে।।
তবুও তো ফোটে ফুল
পাখি গান গায়।
ভাবিনা তো কেউ তারে
চায় কি না চায়।
ফুলের প্রাণে, পাখির গানে,
কত না আশা রয় অগোচরে।।
সারা নিশি জ্বলে কত
দীপ নিভে যায়।
নিজেরে পোড়ায় ধূপ
গন্ধ বিলায়।
দীপের কথা, ধূপের ব্যথা
স্মরণ করো কোনো অবসরে।।

[গানটি গেয়েছেন সাবিনা ইয়াসমীন]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

যারে যাবি যদি যা
পিঞ্জর খুলে দিয়েছি
যা কিছু কথা ছিল
ভুলে গিয়েছি।।
যারে বাঁধন কেটে যা
যারে হৃদয় ভেঙ্গে যা
শুনেছি খাঁচার পাখি
আপন হবার নয়।
জানি রে জানি তোকে
ভালোবাসা ভালো নয়।।
যারে আকাশে উড়ে যা
যারে পথ ভুলে যা
জানি রে এ জীবনে
তোকে পাবার নয়।
আকাশের ঠিকানা
খুঁজে পাবার কথা নয়।।

[গানটি গেয়েছেন বশির আহমেদ]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

ও মেয়ের নাম দিব কি
ভাবি শুধু তাই আমি
ও তার মনের সাথে মন বেঁধেছি
তাই তো এ গান গাই আমি।।
ও কালো চোখের পরে
বসেছে কোন্‌ ভ্রমরে।
জানি না ডুবলো সে কি
রূপের সাগরে।
যত দেখি সাধ মেটে না
ফিরে ফিরে চাই আমি।।
পথের ধারে নামহারা ফুল
ফোটে কত রাত্রি-দিনে।
যে তারে চিনতে পারে
দাম দিয়ে তারে কেনে।
ও হাসি ঝর্ণা হয়ে
আবেশে যায় ভরায়ে।
আমারে অনুরাগে
নিল জড়ায়ে।
তারে নিয়ে তাই তো শুধু
কাব্য করে যাই আমি।।

[গানটি গেয়েছেন মাহমুদুন নবী]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

নীল আকাশের নিচে আমি
রাস্তা চলেছি একা।
এই সবুজের শ্যামল মায়ায়
দৃষ্টি পড়েছে ঢাকা।।
শনশন বাতাসের শুঞ্জন
হলো চঞ্চল করে এই মন।
আহা…ও হো হো…আহা হা হা ও হো…
ডাক দিয়ে যায়, কার দুটি চোখ
স্বপ্ন কাজল মাখা।।
ঝুরুঝুরু বকুলের গন্ধে
এই মৌমাছি দোলে একি ছন্দে
আহা…ও হো হো…আহা হা হা ও হো…
বউ কথা কও, ডাকে কেন
বউ কি দেবে দেখা।।

[গানটি গেয়েছেন সৈয়দ আবদুল হাদী]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

তুমি যে আমার কবিতা
আমার বাঁশীর রাগিনী।
আমার স্বপন আধ-জাগরণ
চিরদিন তোমারে চিনি।।
আমি কে তোমার যদি জানতে
তবে কি আমায় কাছে টানতে
হয়ত সুদূরে যেতে গো সরে
না, না নয়নের নীলে তুমি যে ছিলে।।
তুমি এলে তাই স্বপ্ন এলো
ইন্দ্রধনুর লগ্ন এলো
এ মধুর প্রহর হোক না অমর
ওগো মোর পল্লবীনি।।
যদি এ লগন আঁধারে ঢাকে
যদি নেভে দিন পথের বাঁকে
তুমি যে আমার বলব আবার
চিরদিন তোমারে চিনি।।

[গানটি গেয়েছেন সাবিনা ইয়াসমীন ও মাহমুদুন নবী]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

চোখে চোখে এতো কথা
মুখে কেন বলো না।
এতো আশা তবু ভাষা
মন কেন পেলো না।
এ কি খেলা বলো না
কেন করো তুমি বলো ছলনা…বলোনা…বলোনা।।
আলো-ছায়ায়, এ নিরালায়
এমন মায়াবী রাত জেগে।
ছোটো ছোটো স্বপ্নেরা
এতো খুশী হইনি আগে।
এই মধুরাতে, কেন কাছে পেতে
মন চায় তোমাকে।
বলোনা…বলোনা…বলোনা।।
কিছু আশায় ভালোবাসা
মনে মনে হাত বাড়িয়ে।
বলে এসো ধীরে ধীরে
আজকে সীমানা ছাড়িয়ে।
এই মন বলে সবকিছু ভুলে
চায় না কি কাছে আসা।
বলোনা…বলোনা…বলোনা।।

[গানটি সুর করেছেন জিৎ গাঙ্গুলী এবং গেয়েছেন শান ও শ্রেয়া ঘোষাল]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

তোমাকে না লেখা চিঠিটা
ডাকবাক্সের এক কোণে
সাদা খামের না লেখা নাম
এঁকেছে তার কানে
সেই চিঠি যত লেখা
থাকে একা একা
সেই গানে না শোনা সুর
একা একা আঁকা
ছুঁয়ে যায় তবু কখন এসে
যদি বলি সে সবই তোমারই
একা চিঠি একা আঁকা গান
সাঁইয়া…………………।।
আমি আমিতে ভাসিনি কোনোদিনও নীলে
তুমি তোমার দু’চোখে সেই নীল ছুঁলে
আজও আমার সারাটা নীল
থাকে একা একা
সেই চিঠি না পড়া সুর
একা একা আঁকা
ছুঁয়ে যায় তবু কখন এসে
যদি বলি সে সবই তোমারই
দু’চোখে ভেসে যাওয়া এ নীল আমার।
সাঁইয়া…………………।।
তোমার সাথে খেলার ছলে
তোমার কথায় ছিলাম ভুলে
সেই খেলা নিয়ে
ছিলাম হারিয়ে গিয়ে।
আজ খেলা শেষে এ শহরে
হারিয়ে ফেলে খুঁজি তোমায়
আজ এতো আলোর এ আঁধারে
এ মন তোমাকেই ছুঁতে চায়।
সাঁইয়া…………………।।
তুমি ছিলে তোমার সাথে
একলা চাঁদে একলা রাতে
আমি আমায় নিয়ে
ছিলাম হারিয়ে গিয়ে।
আজ একা একা এ শহরে
হারিয়ে ফেলে খুঁজি তোমায়
আজ এতো আলোর এ আঁধারে
এ মন তোমাকেই পেতে চায়।
সাঁইয়া…………………।।

[গানটি সুর করেছেন ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্ত এবং গেয়েছেন সোহাম]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

সা নি সা সা সা সা সা রে
সা সা সা সা সা রে
সা রে ধা পা নি।
সা নি সা সা সা সা সা রে
সা সা সা সা সা রে
প্রেমের কাহিনী।
রিমঝিম এ ধারাতে,
চায় মন হারাতে।
এই ভালোবাসাতে
আমাকে ভাসাতে।
এলো মেঘ যে ঘিরে এলো
বৃষ্টি সুরে সুরে
সোনায় রাগিনী।
মনে স্বপ্ন এলোমেলো
এই কি শুরু হলো
প্রেমের কাহিনী।।
আগে কত বৃষ্টি যে
দেখেছি শ্রাবণে।
জাগেনি তো এতো আশা
ভালোবাসা এ মনে।
সেই বৃষ্টি ভেজা পায়ে
সামনে এলে হায়
ফোটে কামিনী।
আজ ভিজতে ভালো লাগে
শূণ্য মনে জাগে
প্রেমের কাহিনী।।
শ্রাবণের বুকে প্রেম
কবিতা যে লিখে যায়।
হৃদয়ের মরু পথে
জলছবি থেকে যায়।
জানি সেই তো ছিল আগে
ঘুমে অনুভবে
স্বপ্নচারিনী।
আজ রাগে-অনুরাগে
লেগে বৃষ্টি থাকে
প্রেমের কাহিনী।।

[গানটি সুর করেছেন জিৎ গাঙ্গুলী এবং গেয়েছেন শান ও শ্রেয়া ঘোষাল]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

সোনালী রোদ্দুরে
সবুজ এ প্রান্তরে
এ সোনা সোনা রোদ মেখে
দূরের ওই আকাশে
আর বেলা বাতাসে
যাই আজ নামটি লিখে
দু’জনে………………।।
আজ স্বপ্ন ঘেরা
ভালোবাসা বলছে আমায়।
মন তোমায় পেয়ে
দিশাহারা খুশীর দোলায়।
মেঘের মতো ভেসে
চলো নিরুদ্দেশে
যাই আজ নামটি লিখে
দু’জনে………………।।
প্রেম আজ উতলা
বাঁধনহারা নদীর মতো।
চায় পথ হারাতে
তোমার সাথে ইচ্ছে মতো।
চেনা পথের শেষে
অচেনা এই দেশে
যাই আজ নামটি লিখে
দু’জনে………………।।

[গানটি সুর করেছেন জিৎ গাঙ্গুলী এবং গেয়েছেন শান ও মোনালী ঠাকুর]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

এক টুকরো হাসি যে মেঘ সরালো।
এক টুকরো খুশী যে চাঁদ উঠালো।
এক টুকরো কথাতে মন হারালো।
এক টুকরো আশা যে হাত বাড়ালো।
ভালোবাসা ছিল মনে একা
তুমি আশা হয়ে দিলে দেখা
প্রেমের ছোঁয়াতে এ মন হারালো
বধূয়া………………………।।
স্বপ্ন দেখার শুরু, মন তবু দুরু দুরু,
চেনা জীবন হলো আজ অচেনা।
এক সাথে পথ চলা, একই সুরে কথা বলা,
দুটি চোখের ভাষা নয় অজানা।
ভালোবাসা ছিল মনে একা
তুমি আশা হয়ে দিলে দেখা
প্রেমের ছোঁয়াতে এ মন হারালো
বধূয়া………………………।।
আজকে চোখের তারা, স্বপ্নতে ঘুমহারা,
দেখে যে তোমায় শুধু দৃষ্টি জুড়ে।
ভাবনার নীল আকাশে, কল্পনা ঘিরে আসে,
রাত্রি জাগায় সুখে মিষ্টি সুরে।
ভালোবাসা ছিল মনে একা
তুমি আশা হয়ে দিলে দেখা
প্রেমের ছোঁয়াতে এ মন হারালো
বধূয়া………………………।।

[গানটি সুর করেছেন জিৎ গাঙ্গুলী এবং গেয়েছেন জুবিন ও মোনালী ঠাকুর]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

কাহারবা নয় দাদরা বাজাও
উলটো-পালটা মারছো চাটি।
শশীকান্ত তুমি দেখছি
আসরটাকে করবে মাটি।।
রোশনী বাইয়ের পায়ের পায়েল
কলজেটাকে করে ঘায়েল
আমার পদ্মপাতার লাগবে না দাম
কলঙ্ক পাক যতই পাটি।।
গোলাপজল দাও ছিটিয়ে
গোলাপ ফুলের পাপড়ি ছড়াও
উলটে যে চায় বুকের জ্বালা
রক্তে নেশার আগুন ধরায়।
প্রতি রাতের এই যে আসর
এই তো আমার জীবন বাসর
আমার ইচ্ছে করে শূণ্যে উঠে
মেঘের ওপর দিয়ে হাঁটি।।

[গানটি গেয়েছেন মান্না দে]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

এবার মলে সুতো হব
তাঁতীর ঘরে জন্ম লব
পাছা পেড়ে শাড়ী হয়ে
দুলব তোমার কোমড়ে।
তোমরা যে যা বল আমারে।
এবার মূলে মাটি হব
কুমোর বাড়ি জন্ম লব
কলসি হয়ে ঝলাক ঝলাক
দুলব তোমার কোমড়ে।
তোমরা যে যা বল আমারে।।
হব কাঁখে রূপোর বিছে
নইলে জীবন হবে মিছে
বুঝবে বধু কী যে জ্বালা
সেই বিছেরই কামড়ে।।
রাগ করো না প্রাণেশ্বরী
চাও কি আমি প্রাণে মরি
কাজল হয়ে রাখব ধরে
দুটি চোখের ভ্রমরে।।

[গানটি গেয়েছেন মান্না দে]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

বড় একা লাগে এই আঁধারে
মেঘের খেলা আজ আকাশ পাড়ে।।
সারাটি দিনের কাজে
কী জানি কি ভেবে আমি
কেমনে ছিলেম ভুলে এই বেদনাকে।
কে যে বলে দেবে এই আমাকে।।
এই তো ভালো ভাবি একা ভুলে থাকা
থাক না পড়ে পিছে এই পিছু ডাকা।
চেনা-অচেনাতে যাক না মিশে।।

[গানটি গেয়েছেন মান্না দে]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

তারে বলে দিও,
সে যেন আসে না
আমার দ্বারে।
ওই গুনগুন সুরে মন হাসে না।
গা মা পা মা গা রে
সা রে মা গা রে গা
রে সা রে সা নি সা।
ওই ফুল মালা দিলে শুধু জ্বালা
ধুলায় সে যাক ঝরে যাক না।
এই ভাঙ্গা বাঁশী ভোলে যদি হাসি
ব্যথায় সে থাক ভরে থাক না।
জানি ফাগুন আমায় ভালোবাসে না।
তারে বলে দিও সে যেন আসে না (আমার দ্বারে)।
তারে বলে দিও মন কেন হাসে না।।
গা মা পা মা গা রে
সা রে মা গা রে গা
রে সা রে সা নি সা।
নেই আলো চাঁদে যেন রাত কাঁদে
এ আঁধার শেষ তবু হয়না
যায় প্রেম সরে ফাঁকি দেয় মোরে
এই ব্যথা প্রাণে সয়না
হায় স্বপ্নে আঁখি আর ভাসে না।।

[গানটি গেয়েছেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

এই মেঘলা দিনে একলা
ঘরে থাকে না তো মন
কাছে যাব কবে পাব
ওগো তোমার নিমন্ত্রণ।।
যুঁথি বনে ওই হাওয়া
করে শুধু আসা-যাওয়া
হায় হায়রে দিন যায়রে
ভরে আঁধারে ভুবন।।
শুধু ঝড়ে ঝড়ো ঝড়ো
আজ বারি সারাদিন
আজ যেন মেঘে মেঘে
হলো মন যে উদাসীন।
আজ আমি ক্ষণে ক্ষণে
কী যে ভাবি আনমনে
তুমি আসবে ওগো হাসবে
কবে হবে সে মিলন।।

[গানটি গেয়েছেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

যা পেয়েছি আমি তা চাই না।
যা চেয়েছি কেন তা পাই না।
ছেড়া ছেড়া ফুলে গাঁথা মালা
ভুলে পুরোনোকে কেন ভুলে যাই না।।
পথের বাঁকে এসে মনে হলো
অতীতটা হয়ে যাক দূর।
চলব এগিয়ে তবু
বুকের বাঁশীটাতে
বাঁধব নতুন এক সুর।
ভালোবাসা যায়
আলো আশা পায়
সেই গান কেন গাই না।।
আজকে যা ভালো লাগে হয়ত আবার
বদলে যেতেও পারে কাল।
ঝড়িয়ে মরা পাটা
ফোটাবে নতুন কুঁড়ি
শুকনো গাছের কোনো ডাল।
সুখ স্বপ্নের সুর ছন্দের
কেন ময়ূরপঙ্খী পাই না।।

[গানটি গেয়েছেন কিশোর কুমার]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

জীবন খাতার প্রতি পাতায়
যতই লেখ হিসাব-নিকাশ
কিছুই রবে না।
লুকোচুরির এই যে খেলায়
প্রাণের যত দেয়া-নেয়া
পূর্ণ হবে না।।
কন্ঠ ভরা এ গান শুনে
ছুটে তুমি এলে দ্বারে
চোখে দেখে এতো করেও
চেননি কো কভু তারে
অবহেলায় সরে তবু
আমায় তুমি নাও গো ডেকে
সে তো করবে না।।
যে আঁখি গয়না খুশী
আকাশ ভরা তারা দেখে
সেই হাসি কাঁচের ঝারে
মোমের বাতি জ্বেলে রেখে।
জানি আমি আমারই নই
এ গান আমার ভালোবাসো
নিজের ভুলে পথের ধূলে
পরশ মানিক ফেলে আসো।
তোমার প্রেমের ওই ঠিকানায়
দেখে আমায় তবু কি গো
ডেকে লবে না।।

[গানটি গেয়েছেন শ্যামল মিত্র]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

গানে ভুবন ভরিয়ে দেবে
ভেবেছিল একটি পাখি
হঠাৎ বুকে বিঁধল যে তীর
স্বপ্ন দেখা হলো ফাঁকি।।
তাই গান শোনাতে হায়
কন্ঠ কেঁপে যায়
তারে হাসিমুখে যেতে দাও
শেষবার শুনে নাও।
মনে রেখো, মনে রেখো,
তার এই শেষ গান।।
যার গান শুনে একদিন
কন্ঠে পড়ালে মালা
আজ তোমাদের সভা হতে
তার বিদায় নেবার পালা।
ঝরে কত তারা আলোকে
মনে রাখো বলো কে
ছিল কত সুর বুকে তার
জানিবে না কেহ আর।
মনে রেখো, মনে রেখো,
তার এই শেষ গান।।

[গানটি গেয়েছেন শ্যামল মিত্র]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আমি চেয়ে চেয়ে দেখি সারাদিন
আজ ওই চোখে সাগরের নীল
আমি গাইছি, গান গাইছি
বুঝি মনে মনে হয়ে গেল মিল।।
কবরীতে ওই ঘন ঘন কনকচাঁপা
না বলা কথায় থর থর অধর ফাঁপা
তাই কি আকাশ হলো আজ
আলোয় আলোয় ঝিলমিল।।
এই যেন নয় গো প্রথম
তোমায় যে কত দেখেছি
স্বপ্নের তুলি দিয়ে তাই
তোমার সে ছবি এঁকেছি।
মৌমাছি আজ গুনগুন দোলায় পাখা
যেন এ হৃদয় রামধনু খুশীতে মাখা
তাই কি গানে সুরে আজ
ভরে আমায় রিনকিন।।

[গানটি গেয়েছেন শ্যামল মিত্র]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

এ গানে প্রজাপতি পাখায় পাখায় রঙ ছড়ায়,
এ গানে রামধনু তার সাতটি রঙের দোল ঝড়ায়।
সীমানা ছাড়িয়ে যাই যে হারিয়ে
গানে আমার কে যে দিল সুর।
সে তো জানিনা, সে তো জানিনা।।
আমার এ গান সুনীল সাগরকোলে
মুক্তো খোঁজে শুধু যে ঝিনুক তোলে,
লা, লা, লা…লা, লা, লা…লা, লা, লা।
সে কার বাঁশীতে চাই যে হাসিতে
কাছে আমার আসে কেন দূর।
সে তো জানিনা, সে তো জানিনা।।

[গানটি গেয়েছেন সন্ধ্যা মুখার্জী]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

মাধবী মধুপে হলো মিতালী
এই বুঝি জীবনের মধু গীতালী।
জলে দেখি জোনাকী
মন হলো আনমনা কী।।
তাই কি বাতাস ফুলের গন্ধে ভরানো
তাই কি নয়ন মধুর স্বপ্নে জড়ানো
যদি চুপি চুপি কথা বলে মন
সেই কথা বলো কভু যায় শোনা কী।।
এই যে এতো আলো-হাসি
কখনো আগে জাগেনি
নিজেরে তো আর কোনোদিন
এমন করে ভালো লাগেনি।
ওগো পরানের কবি মোর
আজ হাতে বাঁশী তুলে নাও
উৎসব এ লগন
সুরে সুরে দাও ভরে দাও।
আজ চোখে চোখে চেয়ে সারারাত
হবে শুধু আকাশের তারা গোনা কী।।

[গানটি গেয়েছেন আরতী মুখার্জী]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

শোনো বন্ধু শোনো
প্রাণহীন এই শহরের ইতিকথা
ইটের পাঁজরে, লোহার কাটায়
দারুণ মর্মব্যথা।।
এখানে আকাশ নেই,
এখানে বাতাস নেই,
এখানে অন্ধ গলির নরকে
মুক্তির আকুলতা।।
জীবনের ফুল মুকুলেই ঝরে
সুকঠিন ফুটপাতে।
অতি সঞ্চয়ী ক্রুর দানবের
উদ্ধত পদাঘাতে।
এখানে শান্তি নেই,
এখানে সত্যি নেই,
প্রাসাদ-নগরী যেন বিলাসের
নিদারুণ রসিকতা।।

[গানটি গেয়েছেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

ঝড় উঠেছে বাউল বাতাস
আজকে হলো সাথী।
সাত মহলা, স্বপ্নপুরী
নিভল হাজার ভাতি।।
রুদ্র বীণার ঝংকারেতে
ক্ষুব্ধ জীবন উঠল মেতে।
সকল আশার রঙীন নেশা
ঘুচল রাতারাতি।।
আকাশ জুড়ে দীর্ঘশ্বাসে
মাতন হলো শুরু।
সুরের স্বপন ভাঙল
শুনে মেঘের গুরুগুরু।
উড়ছে ভুলের ঘূর্ণি হাওয়া
সকল চাওয়া, সকল পাওয়া,
শুকনো পাতার মরমরীয়া
করছে মাতামাতি।।

[গানটি গেয়েছেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

সুরের আকাশে তুমি যে গো সুখতারা
আমায় করেছ একি চঞ্চল
(আমি) বিহ্বল দিশাহারা।।
অরুণাচলের বুকে
তুমি জাগালে দীপ্ত মুখে
মহাতম সাঁই আলোর ঝর্ণাধারা।।
নব চেতনার রক্তকমল দলে
অগ্নি ভ্রমর দিগন্তে জাগে
রাগিনী পরিমলে।
মিছে হলো অভিশাপ,
মোর জীবনের সন্তাপ।
কত রজনীর অশ্রু তিমির
ভেঙেছ অন্ধ কারা।।

[গানটি গেয়েছেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

ভুল সবই ভুল
এই জীবনের পাতায় পাতায়
যা লেখা, সে ভুল।
ভুল সবই ভুল
এই শ্রাবণে মোর ফাগুন যদি
দেয় দেখা, সে ভুল।।
প্রশ্ন করে নিজের কাছে…কে আমি,
কোথায় ছিলাম, কোথায় যাব এই আমি।
মেঘের ফাঁকে একটু চাঁদের
ওই রেখা, সে ভুল।।
চলে গেলে ডাকবে না তো কেউ পিছু,
স্মৃতি আমার থাকবে না তো আর কিছু।
যদি ভাবি এই আমি আর
নই একা, সে ভুল।।

[গানটি গেয়েছেন সুজাতা চক্রবর্ত্তী]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

ঘুম ঘুম চাঁদ
ঝিকিমিকি তারা
এই মাধবী রাত
আসেনি তো বুঝি আর
জীবনে আমার।
এই চাঁদের তিথিরে
বরণ করি।
ওগো মায়াভরা চাঁদ আর
ওগো মায়াবিনী রাত।।
বাতাসের সুরে
শুনেছি বাঁশী তার।
ফুলে ফুলে ওই
ছড়ানো যে হাসি তার।
সেই মধুর হাসিতে
হৃদয় ভরি।।
শুধু কথা দাও
সুরে সুরে যেন
রূপকথা হয়ে যায়।
ফুল ঋতু আর
এলো বুঝি মোর
জীবনের ফুলতায়।
কোথায় সে কত দূরে
জানিনা ভেসে যাই।
মনে মনে যেন
স্বপ্নের দেশে যাই।
আজ তাই কি জীবনের
বাসর গড়ি।।

[গানটি গেয়েছেন সন্ধ্যা মুখার্জী]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আমি যে জলসাঘরের
বেলোয়াড়ী ঝাড়।
নিশি ফুরালে কেহ
চায় না আমায় জানি গো আর।।
আমি যে আতর ওগো
আতরদানী ভরা।
আমারই কাজ হলো যে
গন্ধে খুশী করা।
কে তারে রাখে মনে
ফুরালে হায় গন্ধ যে তার।।
হায় গো কী যে আগুন
জ্বলে বুকের মাঝে।
বুঝেও তবু বলতে পারি না যে
আলেয়ার পিছে আমি
মিছেই ছুটে যাই বারে বার।।

[গানটি গেয়েছেন মান্না দে]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আষাঢ় শ্রাবণ মানে না তো মন
ঝর ঝর ঝর ঝর ঝরেছে
তোমাকে আমার মনে পড়েছে।
তোমাকে আমার মনে পড়েছে।।
আলোর তরীটিতে
দিন চলে যায়।
আঁধারের মন জ্বলে
তারায় তারায়।
আমার এ মন কেন শুধু আকুলায়
বরষন কোথা যেন হয়েছে।।
দিওনা কখনো পিছু
দিওনা আমায়।
সবকিছু পাওয়া হবে
পেলে গো তোমায়।
চোখের জলেতে বেয়ে
সুখ এলো তায়।
আজ মন মোহনায় মিশেছে।।

[গানটি গেয়েছেন লতা মুঙ্গেশকর]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আমি হতে পারিনি আকাশ
তুমি দিন শেষে
আলোর আবেশ নিয়ে চাঁদ হলে।।
বন ছায়ে দুলেছিল ফুল
পরাগের রাঙা রাগে
ভরেছিল মূল।
মধুকর এসেছিল
নিয়ে মধুমূল।
আজ শুধু আসেনি বাতাস
তুমি দুলে দুলে
রঙের পরশ নিয়ে ফুল হলে।
আমি হতে পারিনি বাতাস।।
ফুল বলে আমি আজ
সুরভি দিলাম।
পাখি বলে আমি আজ
গান গেয়ে যাই।
মন বলে রঙের আগে
ভরে দিতে চাই।
যদি শুধু আসে গো বাতাস।
আজ অনুরাগে
মনের কথাটি ফুটে ফুল হলো।
আমি হতে পারিনি বাতাস।।

[গানটি গেয়েছেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

নিঝুম সন্ধ্যায়
পান্থ পাখিরা
বুঝিবা পথ ভুলে যায়।
কুলায় যেতে যেতে
কি যেন কাকলী
আমারে দিয়ে যেতে চায়।।
দূর পাহাড়ের
উদাস মেঘের দেশে।
ওই গোধুলীর
রঙিন সোহাগ মেশে।
বনের মর্মরে
বাতাস চুপিচুপি
কি বাঁশী ফেলে রেখে হায়।।
কোন অপরূপ
অরূপ রূপের রাগে।
সুর হয়ে রয়
আমার গানের আগে।
স্বপন কথাকলি
ফোটে কি ফোটে না
সুরভি তবু আঁখি ছায়।।

[গানটি গেয়েছেন লতা মুঙ্গেশকর]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

কে যেন গো ডেকেছে আমায়
মানে না নয়ন কেন
ফিরে ফিরে চায়।।
মরমীয়া…মরমীয়া…কেন
লাগে না যে ভালো লাগে না
ফাগুন কেন ভালো লাগে না।
ফাগুন আগুন লাগে
মন কোনো কাজে লাগে না।
কি করিতে কি যে হয়ে যায়।।
দরদীয়া…বলো…দরদীয়া…বলো বলো
দরদীয়া বলো বলো বলো বলো
সে কি এলো, সে কি এলো না।
এলো না কেন বোঝে না যে মন।
মন যদি বোঝে তবু
এ নয়ন কেন বোঝে না…হায়।
পথ পানে চেয়ে দিন যায়।।

[গানটি গেয়েছেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ও লতা মুঙ্গেশকর]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

সব কথা বলা হলো
বাকি রয়ে গেল শুধু বলিতে
যে কথা মনের কথা
কতবার থেমে গেছি
বলিতে বলিতে বলিতে বলিতে।।
সব পথ শেষ হলো
আর বাকি নাই পথ চলিতে
তোমার আঙিনাটুকু
পার হতে থেমে গেছি
কতবার চলিতে চলিতে চলিতে।।
সব পাখি গান গায়
সব পাখি দিন শেষে
ফিরে গো কুলায়।
পুড়ে মরে সারাদিন
আকাশে আকাশে
আমার মনের পাখি
কোনোদিন ফিরে না খাঁচায়।
সব কথা শোনা হলো
বাকি রয়ে গেল শুধু শুনিতে।
যে কথা মনের কথা
কতবার হারায়েছি
শুনিতে শুনিতে শুনিতে শুনিতে।।
যারে চাই সেও নাই
আমার মনের আর
কোনো খোঁজ নাই।
ফিরবে না কোনোদিন
ডেকোনা ডেকোনা
নতুন আকাশ পেয়ে
আজ বুঝি ভুলেছে আমায়।
সব কথা বোঝা গেল
এইটুকু পারিনি তো বুঝিতে।
অবুঝ মনের পিছে
এ জীবন গেল কে যে
খুঁজিতে খুঁজিতে খুঁজিতে খুঁজিতে।।

[গানটি গেয়েছেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আমি তোমারে ভালোবেসেছি
চিরসাথী হয়ে এসেছি।।
এ লগন পূর্ণ যে তোমাতে
শুভরাত জানে না গো পোহাতে
তোমারই ব্যথায় কেঁদেছি যে হায়
তোমারই হাসিতে হেসেছি।।
তোমার কানে কানে
দুটি কথা তাই শুধু বলব
ভালোবাসি, ভালোবাসি।
প্রণয়ের নীলাকাশে
দুটি তারা হয়ে মোরা জ্বলব।
ভালোবাসি, ভালোবাসি।
পৃথিবীকে তাই বলি বারে বার
মোর চেয়ে সুখী কেহ আছে আর
বহু জনমের মিলন সাগরে
আমরা দুজনে ভেসেছি।।

[গানটি গেয়েছেন সন্ধ্যা মুখার্জী]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

যাবার বেলা পিছু থেকে ডাক দিয়ে
কেন বলো কাঁদালে আমায়।
আমার এ মন বুঝি মন নয়।।
হাসি আর গানে গানে
এতদিন ফুল ফোটানোর খেলা চলেছিল।
যে কাঁটা রয়েছে বিঁধে মরমের মাঝে
তার কথা মন ভুলেছিল।
ব্যথায় ব্যথায় তাকে
মনে পড়ে যায়।।
স্মৃতির আকাশ থেকে
হয়ত আমায় তুমি মুছে দেবে।
স্বপ্নের রঙে যত ছবি আঁকা হলো
চোখের জলেতে ভেসে যাবে।
যা কিছু দিয়েছে পাওয়ার
সে আমায় নয়।।

[গানটি গেয়েছেন লতা মুঙ্গেশকর]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

এই যে কাছে ডাকা
এই যে বসে থাকা
বন্ধু যেন এ তো
খেলা নয় নয় নয়।
একটু ব্যথা জাগায়
একটু ভালো লাগায়
মুগ্ধ দুটি চোখে
কথা কয়, খেলা নয় নয় নয়।।
সেই তো ঝরে হাসি
সেই তো শুনি বাঁশী…মর্মর।
এমনি ক্ষণে কেন
হয় গো তুমি যেন…উন্মন।
স্বপ্ন ফুল ভারে
লগ্ন এসে দ্বারে
জেগে রয়, খেলা নয় নয় নয়।।
হয়ত কিছু চাওয়া
হয়ত কিছু পাওয়া
দেয় দোল।
একটি খেয়া ভরে
একটি কথা তোলে…হিল্লোল।
হয়ত ওগো কারো
রাত্রি হলো
আরো মধুময়, খেলা নয় নয় নয়।।

[গানটি গেয়েছেন সন্ধ্যা মুখার্জী]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

যদি ভাব এ তো খেলা নয়
ভুল সে তো শুরুতেই।
না ফুটিতেই কুল যদি ঝরে যায়
কাঁদ শ্রাবণের কাঁদনে।।
যদি শোনো হাওয়ায় কথা বলে
কে জানে সে কার অভিমান।
না জ্বলিতে দীপ যদি নেভে যায়
শুরুতেই হোক অবসান।।
যদি দেখ নীড় ভেঙে দিতে
আকাশেও আসে ঝড়।
মনে করো কোনো বালুচরে তুমি
বেঁধেছিলে এই খেলাঘর।।

[গানটি গেয়েছেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

তোমায় দেখে ছবি এঁকে
মনের একান্তে দিলাম রেখে।
হৃদয় বলে আমায় ডেকে
ভালোবাসা দিয়ে রেখো ঢেকে।।
আসুক নেমে বরষা ঘোর
তুমি রয়েছ গভীর এ মন।
দেখা দিও শুধু আড়াল থেকে।।
আমায় আমি এমন করে
বুঝিনি এ জীবন ভরে।
যদি কখন চোখের তারায়
মনের ছবিতে নেমে দাঁড়ায়।
তারই আলোয় চিনে
নেব সে কে।।

[গানটি গেয়েছেন আরতি মুখার্জী]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

এই ছন্দ এ আনন্দ
এ যে বিধাতার মহাদান।
আনন্দে পাখি গায়
ঝর্ণারা ছুটে যায়
ফুল দিয়ে যায় তার গন্ধ।।
নীল আকাশে সূর্য্য ওঠে
আলোর শিশুরা গায় গান।
সোনা রোদের আশীর্বাদে
ভরে যায় পৃথিবীর প্রাণ।
ভেঙে যায় আঁধারের
পুরানো যে দ্বার ছিলো বন্ধ।।
আমার এ গান জীবন জাগাই
দূরকে আপন করে যাই।
গহন মনের সবকিছু সেই
উদার করে দিতে চাই।
মুছে দেয় হৃদয়ের
যা কিছু দ্বিধা-দ্বন্দ।।

[গানটি গেয়েছেন শিবাজী চট্টোপাধ্যায় ও সুর করেছেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

তুমি এমনই জাল পেতেছো সংসারে
কার বা এমন সাধ্য আছে
এই মায়াজাল ছিঁড়ে যেতে পারে।।
আমার মনের মাঝে বসে যে প্রেম
নিত্য বাজায় বাঁশী।
জগৎ জুড়ে তারই খোঁজে
হলাম পরবাসী।
বন্ধ চোখে রূপ দেখি যার
দু’চোখে মেলে পাই না খুঁজে তারে।।
আমার সুখের ঘরে দিয়ে তালা
সুখ পিয়াসে মরি।
নিজের সাথে খেলি নিজেই
নিঠুর লুকোচুরি।
পূর্ণ চাঁদে দৃষ্টি দিলে
গ্রহণ যেন লাগে বারে বারে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

দুটি মন আর নেই দুজনার
রাত বলে আমি সাথী হব যে
ফাগুনের রাতে আমি
রূপকথা হয়ে কাছে রব যে।।
ফুল বলে রঙে আর ছেও না
পাখি বলে আর গান গেও না
আমাদের মিতালীর মায়াতে
কানে কানে কত কথা কব যে।।
শুকতারা বলে আমি আছি
তাই দিশাহারা হতে আর ভয় কি
পাছে ঘুম ঝরে পড়ে দুচোখে
হাসি মুখে তাই জেগে রব যে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

বন্ধু হতে চেয়ে তোমার
শত্রু বলে গণ্য হলাম
তবু একটা কিছু হয়েছি যে
তাতেই আমি ধন্য হলাম।।
না হয় ভেজালে না একটু হাসি বৃষ্টিতে
আমায় দেখে জ্বাললে আগুন ঐ দৃষ্টিতে।
তবু অন্য হাজার জনের মাঝেই
আমি অনন্য হলাম
শত্রু বলে গণ্য হলাম।।
তোমার অনুরাগে নাইবা হলাম ছন্দময়
বিরূপ মনের ভাবনা হলাম সেও মন্দ নয়।
আমি বৈরী হলেও দোষ কি বলো
সে তোমার জন্য হলাম
শত্রু বলে গণ্য হলাম।।

[গানটি গেয়েছেন সুবীর নন্দী]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আমি যে কে তোমার
তুমি তা বুঝে নাও
আমি চিরদিন তোমারই তো থাকবো
তুমি আমার আমি তোমার
এ মনে কি আছে
পারো যদি খুঁজে নাও
আমি তোমাকেই বুকে ধরে রাখবো
তুমি আমার আমি তোমার
আমি যে কে তোমার
তুমি তা বুঝে নাও।।
কেন আর সরে আছো দূরে
কাছে এসে হাত দু’টো ধরো
শপথের মন কাড়া সুরে
আমায় তোমারই তুমি করো
ও…তোমারই স্বপ্ন দু’চোখেই আমি আঁকবো।।
ওপাড়ের ডাক যদি আসে
শেষ খেয়া হয় পাড়ি দিতে
মরণ তোমায় কোনদিনও
পারবে না কভু কেড়ে নিতে
ও…সুখে দুঃখে আমি তোমাকেই কাছে ডাকবো।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

বিমূর্ত এই রাত্রি আমার
মৌনতার সুতোয় বোনা
একটি রঙিন চাদর।
সেই চাদরের ভাঁজে ভাঁজে,
নিঃশ্বাসেরই ছোঁয়া
আছে ভালোবাসার আদর।।
কামনার গোলাপ রাঙা,
সুন্দর একটি রাত্রিতে।
নিরব মনের বর্ষা,
আনে শ্রাবণ-ভাদর।
সেই বরষায় ঝড়ো ঝরে
নিঃশ্বাসেরই ছোঁয়া
আর ভালোবাসার আদর।।
ঝরে পড়ে ফুলের মতো
মিষ্টি কথার প্রতিধ্বনি
ছড়ায় আতর
যেন ছড়ায় আতর।
পরিভেদহীন সংজ্ঞা মুখিনীর মন আঁধার
কম্পন কাতর। (২)
নিয়ম ভাঙার নিয়মে যে (২)
থাক না বাধার পাথর।
কোমল আঘাত প্রতি-আঘাত,
রাত্রি নিথর কাতর।।
দূরের আর্তনাদের নদী,
ক্রন্দন কোনো ঘাটের। (২)
ভ্রুক্ষেপ নেই, পেয়েছি আমি,
আলিঙনের সাগর,
সেই সাগরের স্রোতেই আছে
নিঃশ্বাসেরই ছোঁয়া,
আর ভালোবাসার আদর।।

[গানটি গেয়েছেন ভূপেন হাজারিকা]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

এই কি হলো…কেন হলো
কবে হলো…জানি না।
শুরু হলো…শেষ হলো
কি যে হলো…জানি না তো।।
কেউ বোঝে কি না বোঝে হায়
আমি শুধু বুঝি।
এই আঁধারে ভুল করে হায়
আলো মিছে খুঁজি।
মেঘ মরুতে চায় কি দেখা
দিন যায় একা একা…একা।।
কেউ ভাবে কি না ভাবে হায়
আমি শুধু ভাবি।
যে প্রেম দিতে জানে
তার নিয়ে কোনো দাবী।
মনে পরে কেন তারে
মনে পরে বারে বারে (তারে)।।

[গানটি গেয়েছেন কিশোর কুমার]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

চেনা চেনা লাগে তবু অচেনা,
ভালোবাসো যদি কাছে এসো না।।
এলোমেলো পথে চলা,
মনে মনে কথা বলা
আকাশ ভরা স্বপ্ন ঝরা
আকুল করা বেদনা।।
তুমি আমি যেন নদী
চলে যাব নিরবধি
অজানা দেশে যেখানে এসে
আঁধারে মেশে জ্যোছনা।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আকাশের হাতে আছে এক রাশ নীল,
বাতাসের আছে কিছু গন্ধ।
রাত্রির গায়ে জ্বলে জোনাকী
তটিনীর বুকে মৃদু ছন্দ।।
আমার এ দু’হাত শুধু রিক্ত,
আমার এ দু’চোখ জলে সিক্ত।
বুক ভরা নীরবতা নিয়ে অকারণ
আমার এ দুয়ার হলো বন্ধ।।
ভেবে তো পাইনি আমি
কি হলো আমার।
লজ্জা প্রহরে কেন,
খোলে নাকো দ্বার।
জানি না কেমন করে বলব,
খেয়ালে কতই ভেসে চলব।
বলি বলি করে তবু বলা হলো না।
জানি না কিসে এতো দ্বন্দ্ব।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আমার পূজার ফুল
ভালোবাসা হয়ে গেছে
তুমি যেন ভুল বুঝোনা
মালা গেঁথে রেখেছি
পরাবো তোমায়
তুমি যেন ছিঁড়ে ফেলোনা।।
যে কথা যায়না বলা
শুধু বোঝা যায়
মনের গভীরে
শুধু আলো হয়ে যায়
সে রঙিন আলোর দীপ কোনদিনও
নিভে যাবেনা।।
জানিনা কেমন করে কি দেবো তোমায়
মন ছাড়া আর কিছু নেইতো আমার
সুখের শ্রাবণ যদি মেঘ নিয়ে আসে
ভিজে যাবো অঙ্গনে তোমার বরষায় বসে
বিজলীর আগুনেতে লেখা নাম
কোনদিনও মুছে যাবেনা।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

সুখে থাকো ও আমার নন্দিনী
হয়ে কারো ঘরনী
জেনে রাখো প্রাসাদেরও বন্দিনী
প্রেম কভূ মরেনি।।
চলে গেছো কিছুতো বলে যাও নি
পিছুতো ফিরে চাও নি
আমিও পিছু ডাকিনি
বাধা হয়ে বাঁধিনি।।
ভুলে আছো কখনো মনে করো নি
দু’ফোটা জলও ফেলো নি
আমি তো ভুলে থাকিনি
রাখি খুলে রাখিনি।।
সুখে থাকো ও আমার নন্দিনী
হয়ে কারো ঘরনী
জেনে রাখো প্রাসাদেরও বন্দিনী
প্রেম কভূ মরেনি।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

প্রথমত:, আমি তোমাকে চাই
দ্বিতীয়ত:, আমি তোমাকে চাই
তৃতীয়ত:, আমি তোমাকে চাই
শেষ পর্যন্ত তোমাকে চাই।।
নিঝুম অন্ধকারে তোমাকে চাই
রাতভোর হলে আমি তোমাকে চাই
সকালের কৈশোরে তোমাকে চাই
সন্ধের অবকাশে তোমাকে চাই।।
বৈশাখী ঝড়ে আমি তোমাকে চাই
আষাঢ়ের মেঘে আমি তোমাকে চাই
শ্রাবণে শ্রাবণে আমি তোমাকে চাই
অকালবোধনে আমি তোমাকে চাই।।
কবেকার কলকাতা শহরের পথে
পুরোনো নতুন মুখ ঘরে ইমারতে
অগুন্তি মানুষের ক্লান্ত মিছিলে
অচেনা ছুটির ছোঁয়া তুমি এনে দিলে
নাগরিক ক্লান্তিতে তোমাকে চাই
এক ফোঁটা শান্তিতে তোমাকে চাই
বহুদূর হেঁটে এসে তোমাকে চাই
এ জীবন ভালোবেসে তোমাকে চাই।।
চৌরাস্তার মোড়ে পার্কে দোকানে
শহরে গঞ্জে গ্রামে এখানে ওখানে
স্টেশন টার্মিনাস ঘাটে বন্দরে
অচেনা ড্রয়িংরুমে চেনা অন্দরে
বালিশ তোশক কাঁথা পুরোনো চাদরে
ঠান্ডা শীতের রাতে লেপের আদরে
কড়িকাঠে চৌকাঠে মাদুরে পাপোশে
হাসি রাগ অভিমানে ঝগড়া আপোসে
তোমাকে চাই, তোমাকে চাই, তোমাকে চাই, তোমাকে চাই
এক কাপ চায়ে আমি তোমাকে চাই
ডাইনে ও বাঁয়ে আমি তোমাকে চাই
দেখা না দেখায় আমি তোমাকে চাই
না-বলা কথায় আমি তোমাকে চাই।।
শীর্ষেন্দুর কোন নতুন নভেলে
হঠাত্ পড়তে বসা আবোলতাবোলে
অবোধ্য কবিতায় ঠুংরি খেয়ালে
স্লোগানে স্লোগানে ঢাকা দেয়ালে দেয়ালে।।
সলিল চৌধুরীর ফেলে আসা গানে
চৌরাশিয়ার বাঁশি মুখরিত প্রাণে
ভুলে যাওয়া হিমাংশু দত্তর সুরে
কোন্ কবেকার অনুরোধের আসরে
তোমাকে চাই, তোমাকে চাই, তোমাকে চাই, তোমাকে চাই
অনুরোধে মিনতিতে তোমাকে চাই
বেদনার আর্তিতে তোমাকে চাই
দাবীদাওয়া চাহিদায় তোমাকে চাই
লজ্জাদ্বিধায় আমি তোমাকে চাই
অধিকার বুঝে নেওয়া প্রখর দাবীতে
সারারাত জেগে আঁকা লড়াকু ছবিতে
ছিপছিপে কবিতার ছন্দে ভাষায়
গদ্যের যুক্তিতে বাঁচার আশায়
শ্রেণীহীন সমাজের চির বাসনায়
দিনবদলের খিদে ভরা চেতনায়
দ্বিধাদ্বন্দের দিন ঘোচার স্বপ্নে
সাম্যবাদের গান ঘুমে জাগরণে
বিক্ষোভে বিপ্লবে তোমাকে চাই
ভীষণ অসম্ভবে তোমাকে চাই
শান্তি অশান্তিতে তোমাকে চাই
এই বিভ্রান্তিতে তোমাকে চাই।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আমার এই জীবন মরণ শুধুই তোমার
আর কারো নয়
তুমি যে ভালোবাসায় ভরিয়ে দিলে
আমার হৃদয়।।
তোমারি মনের কাছে শিখে নিলাম আমি
জগতে প্রেম যে হলো সবার চেয়ে দামী
এতোদিন যা পেয়েছি আসল সে নয় নকল প্রণয়
তুমি যে ভালোবাসার ভরিয়ে দিলে আমার হৃদয়।।
কাগজের ফুলের বাগান অনেক দূরে ফেলে
তুমি যে সত্যিকারের গোলাপ হয়ে এলে
গন্ধেই চিনিয়ে দিলে তোমার প্রাণের সব পরিচয়
তুমি যে ভালোবাসার ভরিয়ে দিলে আমার হৃদয়।।

[গানটি গেয়েছেন বাপ্পী লাহিড়ী]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

কি যাদু করিলা
পিরিতি শিখাইয়া
থাকিতে পারিনা ঘরেতে
প্রাণ সজনী
থাকিতে পারিনা ঘরেতে
কি মন্ত্র পড়িলা
ভাবেতে মজাইলা
থাকিতে পারিনা ঘরেতে
প্রাণ সজনী
থাকিতে পারিনা ঘরেতে।।
নয়ন জুড়াইলা
পরান কাড়িলা
মরমে বাজাইলা
মধুর বাঁশী
পড়ে গো ধলিয়া
হাসিয়া হাসিয়া
তোমারি মুখেতে
পূর্ণ শশী
কি কথা কহিয়া
পাগল বানাইলা
কিছুতে পারিনা সহিতে
প্রাণ সজনী
কিছুতে পারিনা সহিতে।।
আমার লাগিয়া
নিরালে বসিয়া
তোমারে যতনে গড়িল বিধি
মরিব মরণে
তোমারি বিহনে
তোমারে জীবনে না পাই যদি
কি মালা গাঁথিলা
আমারে পরাইলা
কিছুতে পারিনা খুলিতে
প্রাণ সজনী
কিছুতে পারিনা খুলিতে।।

[গানটি গেয়েছেন সাবিনা ইয়াসমীন ও এ্যান্ড্রু কিশোর]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

বাদলা দিনে মনে পড়ে ছেলেবেলার গান
বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদে এলো বান।
যদি ডেকে বলি, এসো হাত ধরো.. চলো ভিজি আজ বৃষ্টিতে
এসো গান করি মেঘো মল্লারে.. করুনাধারা দৃষ্টিতে
আসবে না তুমি… জানি আমি জানি।।
অকারনে তবু কেন কাছে ডাকি.. কেন মরে যাই তৃষ্ণা তে
এইই এসো.. চলো জলে ভিজি শ্রাবণ রাতের বৃষ্টিতে।।
কত না প্রণয়.. ভালোবাসা বাসি
অশ্রু সজল কত হাসাহাসি।
চোখে চোখ রাখা জলছবি আঁকা
বকুল কোন ধাগাতে
কাছে থেকেও তুমি কত দূরে
আমি মরে যাই তৃষ্ণাতে
চলো ভিজি আজ বৃষ্টিতে।।
যদি ডেকে বলি, এসো হাত ধরো.. চলো ভিজি আজ বৃষ্টিতে
এসো গান করি মেঘো মল্লারে.. করুনাধারা দৃষ্টিতে
আসবে না তুমি… জানি আমি জানি।।
অকারনে তবু কেন কাছে ডাকি.. কেন মরে যাই তৃষ্ণা তে
এইই এসো.. চলো জলে ভিজি শ্রাবণ রাতের বৃষ্টিতে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আজ এই দিনটাকে
মনের খাতায় লিখে রাখো
আমায় পড়বে মনে
কাছে দূরে যেখানেই থাকো।।
হাওয়ার গল্প আর
পাখীদের গান শুনে শুনে
আজ এই ফাল্গুনে
দুটি চোখে স্বপ্ন শুধু আঁকো।।
এসো আজ সারাদিন
বসে নয় থাকি পাশাপাশি
আজ শুধু ভালোবাসা বাসি
শুধু গান আর হাসাহাসি।।
রঙের বরষা ঐ
নেমেছে যে দেখো ফুলে ফুলে
দুটি হাত তুলে
আমাকে আরো কাছে ডাকো।।

[গানটি গেয়েছেন কিশোর কুমার]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আগে যদি জানতাম তবে মন ফিরে চাইতাম
এই জ্বালা আর প্রাণে সহে না
ও মন রে…
কিসের তরে রয়ে গেলি তুই।।
বলেছিলি তুই যে আমায়
আমি নাকি ভুলে যাবো
ভুলে আমি ঠিকই তো যেতাম
পোড়া মনে তোরই কথা
বারে বারে বেজে ওঠে
তাই তোকে আর ভোলা হলো না রে
এই জ্বালা আর প্রাণে সহে না রে।।
জানিনা কেনো যে আমায়
একা ফেলে চলে গেলি
ভুলেও কি মনে পড়ে না
তোরই মতো কোনদিনও
আমিও যে ভুলে যাবো
তবু এই জ্বালা প্রাণে সইবো না রে
এই জ্বালা আর প্রাণে সহে না।।

[গানটি গেয়েছেন লাকী আখন্দ]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

ঐ ঝিনুক ফোঁটা সাগর বেলায়
আমার ইচ্ছে করে।
আমি মন ভেজাব ঢেউয়ের মেলায়
তোমার হাতটি ধরে।।
আকাশ থেকে ফেলবে ছায়া
মেঘে ভেসে যাওয়া,
শুনব দু’জন কি বলে যায়
উদাস দক্ষিণ হাওয়া।
দূরের ওই গাঙচিলেরা
নামবে জলের প’রে।।
আমার চোখে চোখটি ছুঁয়ে
বলবে কথা তুমি,
পাখির ডানায় দৃষ্টি রেখে
শুনব নিরব আমি।
বুকের সব ইচ্ছেগুলো
বাজবে নতুন সুরে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

জীবনের ছককাটা চত্বর
কাঠ ফাটা রোদ্দুরে পুড়ছে
কুয়াশার স্বাক্ষর ধোঁয়াটে
মনের আকাশ কোণে উড়ছে।।
জীবন দাবার এই খেলাতে
প্রহরের নাই কোন স্বস্তি
এলোমেলো চাল শুধু মেলাতে
কালের চাকায় ওই ঘুরছে।।
মানুষের শুধুই কি পরাজয়
নিয়তির হাতে চির বন্দী
ব্যর্থতা হতাশায় দিন রাত
ন্যায়-অন্যায়ের এই সন্ধি।।
সেই ছকে তুমি আমি সব্বাই
পরাস্ত রাজা এক পলাতক
ঘুরে মরি যদি কোন পথ পাই
ক্ষীণ আশা তাই মন জুড়ছে।।

[গানটি লিখেছেন নাজিম মাহমুদ ও গেয়েছেন সাধন সরকার]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

জন্মিলে মরিতে হবে রে জানে তো সবাই
তবু মরণে মরণে অনেক
ফারাক আছে ভাই রে, সব মরণ নয় সমান।।
রক্তচোষার উস্কানিতে, জনতার দুশমনিতে,
সারা জনম গেলে কেটে মরণ যদি আসে
ওরে সেই মরণের ভার দেখে ভাই,
পাখীর পালক হাসে রে, সব মরণ নয় সমান।।
জীবন উৎসর্গ করে সবহারা জনতার তরে
মরণ যদি হয়,
ওরে তাহার ভারে হার মানে ঐ
পাহাড় হিমালয় রে, সব মরণ নয় সমান।।

[গানটির কথা লিখেছে, সুর করেছেন ও গেয়েছেন প্রতুল মুখোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

এখানে দুজনে নির্জনে
সাজাবো প্রেমেরও পৃথিবী
পাখি শোনাবে যে গান
সুরে ভরে দেবে প্রাণ
ফুল দেবে ছড়িয়ে সুরভি।।
তুমি আমি হয়ে যাবো একাকার
প্রেম ছাড়া রবে না কিছু আর
তুমি সূর্য তুমি চন্দ্র
আমার দুটি নয়নে।।
এসো এসো হৃদয়েরও বিছানায়
দিন যেন এভাবেই কেটে যায়
আমি ধন্য আমি পূর্ণ
তোমায় পেয়ে জীবনে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}