ভক্তিমূলক গান


মা—
কামাক্ষাতে মা কামাক্ষা দক্ষিণেশ্বরে ভবতারিণী
যে নামেতে ডাকি মাগো
তুমি যে জগত জননী
তারাপীঠে তারিণী মা কালীঘাটে কাত্যায়নী।।
কখনো মা ছিন্ন মস্তক
বগলার ঘুমাবতী
যে রূপেতে সাজো মাগো
মহেশ্বর যে তোমার পতি
কখনো মা রাজমহলে
কখনো শ্মশানচারিণী।।
হাতে খড়গ কুমন্ডলা
করাল বদনে শ্যামা
দেখতে যেন পাসনে রে ভয়
আড়ালে মায়ের প্রতিমা
মা যে আমার শক্তিরূপা
স্নেহময়ী, কৃপাময়ী
সকলভাবেই পাবে মাকে
মা যে শান্তি সুধাময়ী
বিপদে-আপদে ডাকো
পার করে মা নিশতারিণী।।

হরি দিনতো গেল
সন্ধ্যা হলো
পার করো আমারে।
তুমি পারের কর্তা
শুনে বার্তা
তাই ডাকি তোমারে।।
আমি আগে এসে
ঘাটে রইলাম বসে।
যারা পাছে এলো
আগে গেল
আমি রইলাম পারে।।
শুনি কড়ি নাই যার
তুমি তারেও করো পার।
আমি দীন ভিখারী
নাইতো কড়ি
দেখ ঝুলি ঝেড়ে।।
আমার পাড়ের সম্বল
দয়াল নামটি কেবল।
তাই দয়াময় বলে
ডাকি তোমায় হে
অধম তারণ বলে
ডাকি তোমায় হে
ফকির কেঁদে আকুল
পাড়ে অকূল পাথারে সাঁতারে।।

অনন্ত দিগন্ত ব্যাপী অনন্ত মহিমা তব।
ধ্বনিছে অনন্ত কন্ঠে অনন্ত তোমারি স্তব॥
কোথায় অনন্ত উচ্চে, অনন্ত তারকা গুচ্ছে,
অনন্ত আকাশে তব, অনন্ত কিরণোৎসব॥
অনন্ত নিয়তি বলে বায়ু ধায়, মেঘ চলে,
অনন্ত কল্লোল জলে, পুস্পে অনন্ত সৌরভ;
অনন্ত কালের খেলা, জীবন মরণ মেলা,
হে অনন্ত, তব পানে উঠিছে অনন্ত রব।
অনন্ত সুষমা ভরা, অনন্ত যৌবনা ধরা,
দিশি দিশি প্রচারিছে অনন্ত কীর্তি বিভব,
তোমার অনন্ত সৃষ্টি, অনন্ত করুণা বৃষ্টি,
অতি ক্ষুদ্র, দীন আমি, কিবা জানি, কিবা কব॥

বলি ও কালার বাঁশি, ও শ্যামের বাঁশি,
রাধা বলে আর বেজো না ।
যেই না শ্যামের বাঁশি তুমি,
কালা সেই বা শ্যামের দাসী আমি,
বাঁশি পুরুষের ওই হাতে থাকো,
নারীর বেদন জানো না ।
রাধা বলে আর ডেকো না ।
আমি যখন রাঁধতে বসি,
কালা তখন তুমি বাজাও বাঁশি,
আমি হলুদ দিতে নুন ভুলে যাই,
পোড়া ননদী দেয় গঞ্জনা,
রাধা বলে আর ডেকো না ।
ও বাঁশি রে,
বলি শাশুড়ি ননদীর ঘরে
ও বাঁশি কত কথা কয়,
আমি জলের ছলে জলকে দেখে
মনে লাগে ভয়,
বাঁশি বাজাইও না, অবলার প্রাণে কালি আর দিও না ।
রাত্রি দিন দুপুর কালে, ও কালা বাজাও বাঁশি রাধা রাধা বলে,
আমি ঘুমের ঘরে চমকে উঠি,
কেঁদে ভিজাই বিছানা,
রাধা বলে আর ডেকো না ।
রাধা বলে আর বেজো না,
ও কালার বাঁশি,
রাধা বলে আর ডেকো না ।

আর কিছু ধন নাই মা চিতে,
চিতার আগুন জ্বলছে চিতে,
চিতা-ভস্ম চারিভিতে,
রেখেছি মা আসিস যদি ।
শ্মশান ভালোবাসিস বলে,
ও মা, শ্মশান করেছি হৃদি,
শ্মশানবাসিনী শ্যামা নাচবি বলে নিরবিধি ।

মরিব মরিব সখী, নিশ্চয় মরিব,
কানু হেন গুণনিধি কারে দিয়ে যাব?
মথুরাতে যাব গো আমি, মথুরাতে যাব,
কৃষ্ণের নাম জপতে জপতে কৃষ্ণের দেখা পাবো ।
না পুড়াইও রাধা-অঙ্গ, না ভাসাইও জলে,
মরিলে তুলিয়া রেখো তমালেরই ডালে,
আমার সর্বঅঙ্গে লিখে দিও গো শুধু কৃষ্ণ কৃষ্ণ নাম ।

বেলা গেল ও ললিতা মোর কৃষ্ণ এলো না ।
বলি কৃষ্ণ এলো না ললিতা মোর কৃষ্ণ এলো না ।
আসি বলে গেল কালা,
গেঁথেছি বন ফুলের মালা,
মালা হলো জপমালা,
মালার উপায় হলো না,
বেলা গেল ও ললিতে মোর কৃষ্ণ এলো না ।
সে যে আমার গুণমণি
রেখেছে কোন চাঁদবদনি,
সে যে আমায় করলো অনাথিনী
কৃষ্ণের ধর্মে সইবে না,
বেলা গেল ও ললিতা মোর কৃষ্ণ এলো না ।

যোগাসনে হে মহাযোগী
কে তুমি বসিয়া তরুতলে?
তপের তাপেতে শীর্ণ শরীর
শ্রীমুখেতে তবু জ্যোতি খেলে।।
হেরি রাজ টিকা ললাটে তোমার
মনে হয় বুঝি রাজার কুমার।
কাহার প্রাসাদ আঁধার করিয়া
ত্রিভুবন যোগী সাজিলে।।
ত্রিতাপ তাপিত জীবের উদ্ধার
করিতে তুমি কি আসিলে এবার?
প্রেম ও মৈত্রী করিতে প্রচার
সব আশা সুখ ত্যাগিলে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

চলো পুণ্যধামে, তীর্থ চাকলা গ্রামে,
যেথায় প্রভু জন্ম নিলেন লোকনাথ নামে।
মাগো বলো হৃদবলে
যেন শিব-শম্ভু দলে
পিতা রামনারায়ণ ধন্য সাধন বলে।
জয় জয় লোকনাথ নাম,
চলো তীর্থ চাকলাগ্রাম।।
জগত জনে উদ্ধারিতে
এলেন প্রভু মানবরূপে
গুরু শ্রীভগবান গাঙ্গুলী মহাপ্রাণ
দিয়ে দীক্ষা দান হলেন মহীয়ান।।
পুণ্য আত্মা বেণীমাধব
ছিলেন বাবার বান্ধব
হিমালয়ের কন্দরে
পঁচিশ বছরকাল ধরে
হলেন হট্টযোগী, তীর্থ রাজযোগী।।
বহু তীর্থ ঘুরে ঘুরে
পূর্ণ ব্রহ্ম রূপ ধরে
প্রভু চির জ্যোতিস্মান
দিলেন মুক্তির সন্ধান
করো তাঁর ধ্যান দিয়ে মনপ্রাণ।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

জীবন প্রভাতে মরণের সাথে
বলো জয় রামকৃষ্ণ রে।
বলো রামকৃষ্ণ, জপ রামকৃষ্ণ,
ভজ মন রামকৃষ্ণ রে।।
জয় গুরু ব্রহ্মা বিষ্ণু মহেশ্বর
সহস্র স্বরে তুমি পরমেশ্বর।
জয় গুরু জিকি জয়
বলো রে মণির আশ্রয়।
শান্ত হবে গো মন প্রাণ রে।।
লজ্জা পটাবৃতা দেবী কৃপাময়ী
স্নেহময়ী জননীর জয়।
জয় জ্ঞানদায়ীকে দেবী সারদে
বরা ভয়দায়ীকের জয়।।
মূর্ত মহেশ্বর উজ্জ্বল ভাস্কর
বিবেকানন্দর জয়।
জয় রামকৃষ্ণ ভক্তগণ জয়
আনন্দে জয়গান গাহ মন রে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

জয়তু জয়তু রামকৃষ্ণ
জয় ভব ভয়হারী হে।
জয়তু জয়তু পরব্রহ্ম
জয় নররূপধারী হে।।
কাম কাঞ্চন আঁধারে
ধরনী ডুবিলে হে রে।
উদিলে সূর্য্য অমৃত বীর্য
যুগে যুগে অবতরী হে।।
মহা সমন্বয় তরে
রামকৃষ্ণ একাধারে।
ডাকছ কেন সকাতরে
জগতের নর-নারী হে।।
শুনেছি অভয় বাণী
তুমি জগচ্চিন্তামণি।
তোমারই দ্বারে অতি কাতরে
এসেছি দীন ভিখারী হে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

ভব সাগর তারণ কারণ হে।
রবি নন্দন বন্ধন খন্ডন হে।
শরনাগত কিঙ্কর ভীত মনে।
গুরুদেব দয়া কর দীন জনে।।
হৃদি কন্দর তামস ভাস্কর হে।
তুমি বিষ্ণু প্রজাপতি শঙ্কর হে।
পরব্রহ্ম পরাৎপর বেদ ভণে।
গুরুদেব দয়া কর দীনজনে।।
মন বারণ শাসন অঙ্কুশ হে।
নরত্রান তরে হরি চাক্ষুষ হে।
গুণগান পরায়ণ দেবগণে।
গুরুদেব দয়া কর দীন জনে।।
কুলকুণ্ডলিনী ঘুম ভঞ্জক হে।
হৃদিগ্রন্থি বিদারণ কারক হে
মম মানস চঞ্চল রাত্রি দিনে।।
গুরুদেব দয়া কর দীন জনে।।
রিপুসূদন মঙ্গলনায়ক হে।
সুখ শান্তি বরাভয় দায়ক হে।
ত্রয় তাপ হরে তব নাম গুনে।
গুরুদেব দয়া কর দীন জনে।।
অভিমান প্রভাব বিনাশক হে।
গতিহীন জনে তুমি রক্ষক হে।
চিত শঙ্কিত বঞ্চিত ভক্তি ধনে।
গুরুদেব দয়া কর দীন জনে।।
তব নাম সদা শুভ সাধক হে।
পতিতাধাম মানব পাবক হে।
মহিমা তব গোচর শুদ্ধমনে।
গুরুদেব দয়া কর দীন জনে।।
জয় সদ্গুরু ঈশ্বর প্রাপক হে।
ভব রোগ বিকার বিনাশক হে।
মন যেন রহে তব শ্রীচরণে।
গুরুদেব দয়া কর দীন জনে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

মঙ্গল দীপ জ্বেলে
অন্ধকারে দু’চোখ আলোয় ভরো প্রভু
তবু যারা বিশ্বাস করে না তুমি আছো
তাদের মার্জনা করো প্রভু।
আ—আ—আ—ও—ও—ও—।।
যে তুমি আলো দিতে
প্রতিদিন সূর্য্য উঠাও
ওদের বুঝিয়ে দাও সেই তুমি
পাথরেও ফুল যে ফোটাও
জীবন মরুতে করুণাধারায় ঝরো প্রভু।।
বলো তার কি অপরাধ
জন্ম হয়েছে যার পাঁকে
তোমার ক্ষমা দিয়ে তুমি
ফোটাও পদ্ম করে তাকে
ভুল পথে গেলে তুমি এসে হাত ধরো প্রভু।।

{গানটি গেয়েছেন লতা মুঙ্গেশকর ও সুর করেছেন বাপ্পী লাহিড়ী}

[গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক]
[If you can’t read it, click here]

জয় রাধে রাধে কৃষ্ণ কৃষ্ণ
একবার গোবিন্দ গোবিন্দ বলো রে।
রাধে গোবিন্দ গোবিন্দ গোবিন্দ গোবিন্দ
গোবিন্দ গোবিন্দ গোবিন্দ গোবিন্দ
দয়া নিপিরাম জপ রে।।
ছাড়ো রে মন কপট চাতুরী
বদন ভরিয়া বলো হরি
নাম পরম ব্রহ্ম জীবের মোক্ষ ধর্ম
অধর্ম কুধর্ম ছাড়ো রে।।
তেজ রে মন ভবেরই আশা
অজপা নামে রাখো রে দিশা
গোবিন্দ রাম রাম বলো রে বদনে
গোবিন্দ গুরু গোবিন্দ রাম নাম
বলো রে বদনে
নয়ন নীড়ে ভাসো রে।।

[গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক]
[If you can’t read it, click here]

সকালের আলো আঁধারের কালো
এই নিয়ে সারাবেলা।
জানি ভগবান এ যে কার দান
কোন্‌ খেয়া নেড়ে খেলা।।
কুসুমে কুসুমে মালা গেঁথে যাই
কত সযতনে তোমারে সাজাই
যত পতিক আর এ তলা এ ফুল
তোমারই আজ আনমেলা।।
তবুও কখনো যদি ব্যথা পাই
তোমার চরণে দিও মোর ঠাঁই
আমার এ মিনতি না কবে নাকি
করো না গো অবহেলা।।

[গানটি গেয়েছেন প্রতিমা বন্দোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

মা আমায় ঘোরাবি কত
ওলুর চোখ ঢাকা বলদের মতো।।
ভবের গাছে বেঁধে দিয়ে মা
পাক দিতেছ অবিরত।
তুমি কি দোষে করিলে আমায়
ছটাক অলুর অনুগত।।
আশি লক্ষ যোনি ভ্রমি
পশু-পক্ষী আদি যত।
তব গর্ভধারণ নয় নিবারণ
যাতনাতে হলেম হত।।
মা শব্দ মমতা যুতো
কাঁদলে কোলে করে সুতো।
দেখি ব্রহ্মান্ডেরই এই রীতি মা
আমি কি ছাড়া জগত।।
দুর্গা, দুর্গা, দুর্গা বলে
তোড়ে গেল পাপী কত।
একবার খুলে দেখা চোখের খুলি
হেরি গো তোর অভয় পদ।।
কু-পুত্র অনেক হয় মা
কু-মাতা নয় কখনো।
এই অভাগার এই আশা মা
অন্তে থাকি পদানত।
রামপ্রসাদের এই আশা মা
অন্তে থাকি পদানত।।

[গানটি লিখেছেন সুব্রতনাথ মুখার্জী, সুর দিয়েছেন কল্যাণ সেন বরত এবং গেয়েছেন শুভদীপ মুখোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

দুপুর গেলো সন্ধ্যা এলো
কানু এলো কই।
বল সুদামা কেমন করে
পরান বেঁধে রই।
আমি কেমন করে রই।।
কানু আমার জীবন-মরণ
সয়না অদর্শন।
দুই নয়নের আড়াল হলে
কেঁদে ওঠে মন।
ক্ষণে ক্ষণে শুধুই ভাবি
আমি কি মা নই।।
আমি ভেবেছিলাম রাখাল সাজে
সাজিয়ে দিলে যদি।
মাখন চুরি করবে না আর
(আমার) নয়নের নিধি।
মা হবা নয় সহজ কথা
নিখিল ভুবনে।
মায়ের ব্যথা কোনোদিন
বোঝে কি সন্তানে।
কারে জানাই মনের ব্যথা
বল না ওরে সই।।

[গানটি গেয়েছেন অমরিক সিং অরোরা]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

ভজ রাধা-কৃষ্ণ, গোপাল কৃষ্ণ
কৃষ্ণ কৃষ্ণ বলো মুখে।
(নামে) বুক ভরে যায়, অভাব মিটায়
স্বভাব জাগায় মহাসুখে।।
হরি দিনবন্ধু, চির দিনবন্ধু
জীবের চির সুখে-দুখে।
ভজরে অন্ধ, চরণার বিন্ধ
দুস্তর এ মায়াবী পাকে।।
ভজ মূঢ়মতি তব চিরসাথী
যাহার করুণা লোকে লোকে।
লীলাময় হরি এসেছে নদীয়া পুরী
রাধার পিরিতি লয়ে বুকে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

নীচুর কাছে নীচু হতে শিখলি না রে মন,
তুই সুখী জনের করিস পূজা, দুঃখীর অযতন।
মূঢ় মন, সুখী জনের করিস পূজা, দুঃখীর অযতন।
নীচুর কাছে নীচু হতে শিখলি না রে মন।।
লাগেনি যার পায়ে ধুলি, কি নিবি তার চরণ ধুলি,
নয়রে সোনায়, বনের কাঠেই হয় রে চন্দন।
মূঢ় মন, হয় রে চন্দন।
নীচুর কাছে নীচু হতে শিখলি না রে মন।।
এ মোধন মায়ের মতন, দুঃখীটুতেই অধিক যতন,
এ ধনেতে ধনী যে জন, সেই তো মহাজন।
মূঢ় মন, সেই তো মহাজন।
বৃথা তোর কৃচ্ছসাধন, সেবাই নরের শ্রেষ্ঠ সাধন,
মানবের পরম তীর্থ দীনের শ্রীচরণ।
মূঢ় মন, দীনের শ্রীচরণ।
মতামতের তর্কে মত্ত, আছিস ভুলে পরম সত্য,
সকল ঘরে সকল নরে আছেন নারায়ণ।
মূঢ় মন, আছেন নারায়ণ।
নীচুর কাছে নীচু হতে শিখলি না রে মন।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

এলাহী আলমীন (গো) আল্লা বাদশা আলামপানা তুমি
ডুবাইয়ে ভাসাইতে পার, ভাসায়ে কিনার দেও কারো
রাখো মারো হাত তোমারম তাইতে তোমায় ডাকি আমি।।
নুহু নামে এক নবীরে, ভাসালে অকুল পাথারে
আবার তারে মেহের করে, আপনি লাগাও কিনারে
জাহের আছে ত্রিসংসারে আমায় দয়া কর স্বামী।।
নিজাম নামে বাটপার সেত, পাপেতে ডুবিয়া রইত
তার মনে সুমতি দিলে, কুমতি তার গেল চলে
আউলিয়া নাম খাতায় লিখিলে, জানা গেল এই রহমি।।
নবী না মানে যারা, মোয়াহেদ কাফের তারা
সেই মোয়াহেদ দায়মাল হবে, বেহিসাব দোজখে যাবে
আবার তারা খালাস পাবে, লালন কয় মোর কি হয় জানি।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

রাসুলকে চিনলে পরে
খোদা চিনা যায়
রূপ ভাড়ায়ে দেশ বেড়ায়ে
চলে গেলেন সেই দয়াময়।।
জন্ম যাহার এই মানবে
ছায়া তার পড়ে ভূমে
দেখ দেখি ভাই বুদ্ধিমানে
কে এলো মদীনায়।।
মাঠে-ঘাটে রাসুলেরে
মেঘে রইত ছায়া ধরে
জানতে হয় তাই নিহাজ করে
জীবের কি সেই দারজা হয়।।
আহম্মদ নাম লিখিতে
মীম হরফ কই নফী করতে
সিরাজ সাঁই কয় লালন তাতে
কিঞ্চিৎ নজির দেখায়।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

ভুল না মন কারো ভোলে
রাছুলের দ্বীন সত্য মান
ডাক সদায় আল্লাহ বলে।।
খোদা প্রাপ্ত মূল সাধনা
রাছুল বিনে কেউ জানে না
জাহের বাতুন উপাসনা
রাছুল দ্বারা প্রকাশিলে।।
দেখাদেখি সাধিলে যোগ
বিপদ ঘটবে বাড়িবে রোগ
যেজন হয় শুদ্ধ সাধক
সেই রাছুলের ফারমানে চলে।।
অপরকে বুঝাইতে তামাম
করেন রাছুল জাহের কাম
বাতুন মশগুল মুদাম
কারো করো জানাইলে।।
যেরূপ মুর্শিদ সেইরূপ রাছুল
যে ভজে সে হবে মকবুল
সিরাজ সাঁই কয় লালন কি কূল
পাবি মুর্শিদ না ভজিলে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

দিবানিশি থাকরে সব বা-হুঁশারী
রাছুল বলে এ দুনিয়া মিছে ঝাকমারী।।
পড়িলে আউজবিল্লা
দূরে যায় কি নানতুল্লা
মুর্শিদরূপ যে করে হিল্লা
শঙ্কা যায় তারই।।
অসৎ অভক্তজনা
গুপ্ত ভেদ তারে বল না
বলিলে সে মানিবে না
করবে অহংকারী।।
যাহার কথা সব ছফিনায়
গুপ্ত ভেদ সব দিলাম ছিনায়
এমনি মতন তোমার সবায়
দিও সবারই।।
খলিফা আউলিয়া রইলে
যে যা বোঝে দিও বলে
লালন বলে রাছুলের এই
নছিহত জারী।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

ভবে কে তাহারে চিনতে পারে
এসে মদীনায় তরীক জানায়
এ সংসারে।।
সবে বলে নবী নবী
নবী কি নিরঞ্জন ভাবি
দেল ঢুঁড়িলে জানতে পাবি
আহম্মদ নাম হল কারে।।
যার মর্ম সে যদি না কয়
কার সাধ্য কে জানিতে পায়
তাইতে আমার দীন দয়াময়
মানুষরূপে ঘোরে ফেরে।।
নফী এজবাত যে বোঝেনা
মিছেরে তার পড়াশুনা
লালন কয় ভেদ উপাসনা
না জেনে চটকে মারে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

নবী না চিনলে সেকি খোদার ভেদ পায়
চিনিতে বলেছেন খোদে সেই দয়াময়।।
কোন নবী হইল ওফাত
কোন নবী বান্দার হায়াত
নিহাজ করে জানলে নেহাত
যাবে সংশয়।।
যে নবী পারের কান্ডার
জিন্দা সে চার যুগের উপর
হায়াতুল মুরছালিন নাম তার
সেই জন্য কয়।।
যে নবী আজ সঙ্গে তোরো
চিনে মন তার দাওন ধরো
লালন বলে পারের কারো
সাধ যদি রয়।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

পারে কে যাবি নবীর নৌকাতে আয়
রূপকষ্ঠের নৌকাখানি
নাই ডুবায় ভয়।।
বেহুঁশে নেয়ে যারা
তুফানে যাবে মারা
একই ধাক্কায়;
কি করবে বদর গাজী
থাকবে কোথায়।।
নবী না মানে যারা
মোয়াহেদ কাফের তারা
এই দুনিয়ায়;
ভজনে তার নাই মজুরী
দলিলে ছাপ দেখা যায়।।
যেহি মুর্শিদ নেই তো রাছুল
ইহাতে নেই কোন ভুল
খোদাও সে হয়;
লালন কয় না এমন কথা
কোরআনে কয়।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

মদীনায় রাছুল নামে কে এল ভাই
কায়াধারী হয়ে কেন
তার ছায়া নাই।।
ছায়াহীন যার কায়া
ত্রিজগতে তারই ছায়া
এই কথাটির মর্ম লওয়া
অবশ্য চায়।।
কি দিব তুলনা তারে
খুঁজে পাইনে এ সংসারে
মেঘে যেমন ছায়া ধরে
ধুপের সময়।।
ছায়াহীন যারে দেখি
শরীক নাই যার সেই লা-শরীক
লালন বলে তার হাকিকি
বলতে ডরাই।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

ব্রজ গোপী খেলে হরি
খেলে আনন্দ নবঘন শ্যাম সাথে।
রাঙা অধরে ঝরে হাসির কুম্‌কুম্‌
অনুরাগ-আবীর নয়ন-পাতে।
পিরীতি-ফাগ মাখা গৌরীর সঙ্গে
হরি খেলে হরি উন্মাদ রঙ্গে।
বসন্তে এ কোন কিশোর দুরন্ত
রাধারে যে নিতে এলো পিচকারী হাতে।।
গোপীনীরা হানে অপাঙ্গ খর শর
ভ্রুকুটি ভঙ্গ অনঙ্গ আবেশে
জর জর থর থর শ্যামের অঙ্গ।
শ্যামল তনুতে হরিত কুঞ্জে
অশোক ফুটেছে যেন পুঞ্জে পুঞ্জে
রঙ-পিয়াসী মন ভ্রমর গুঞ্জে
ঢালো আরো ঢালো রঙ
প্রেম-যমুনাতে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

তিমির-বিদারী অলখ-বিহারী
কৃষ্ণ মুরারী আগত ঐ
টুটিয়া আগল নিখিল পাগল
সর্বসহা আজি সর্বজয়ী।।
বহিছে উজান অশ্রু-যমুনায়
হৃদি-বৃন্দাবনে আনন্দ ডাকে, ‘আয়’,
বসুধা যশোদার স্নেহধার উথলায়
কাল্‌-রাখাল নাচে থৈ-তা-থৈ।।
বিশ্ব ভরি’ ওঠে স্তব নমো নমঃ
অরির পুরী-মাঝে এলো অরিন্দম।
ঘিরিয়া দ্বার বৃথা জাগে প্রহরী জন
বন্ধ কারায় এলো বন্ধ-বিমোচন,
ধরি’ অজানা পথ আসিল অনাগত
জাগিয়া ব্যথাহত ডাকে, মাভৈঃ।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

ওরে নীল যমুনার জল!
বল রে মোরে বল কোথায় ঘনশ্যাম-
আমার কৃষ্ণ ঘনশ্যাম।
আমি বহু আশায় বুক বেঁধে যে এলাম-
এলাম ব্রজধাম।।
তোর কোন্‌ কূলে কোন্‌ বনের মাঝে
আমার কানুর বেণু বাজে,
আমি কোথায় গেলে শুনতে পাব
‘রাধা রাধা’ নাম।।
আমি শুধাই ব্রজের ঘরে ঘরে-
কৃষ্ণ কোথায় বল্‌;
কেন কেউ কহে না কথা,
হেরি সবার চোখে জল।
বল্‌ রে আমার শ্যামল কোথায়,
কোন্‌ মথুরায় কোন দ্বারকায়-
বল্‌ যমুনা বল।
বাজে বৃন্দাবনের কোন্‌ পথে তাঁর
নূপুর অভিরাম।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

মহাকালের কোলে এসে
গৌরী হ’ল মহাকালী,
শ্মশান-চিতার ভস্ম মেখে
ম্লান হ’ল মার রূপের ডালি।।
তবু মায়ের রূপ কি হারায়
সে যে ছড়িয়ে আছে চন্দ্র তারায়,
মায়ের রূপের আরতি হয়
নিত্য সূর্য্য-প্রদীপ জ্বালি’।।
উমা হ’ল ভৈরবী হায়
বরণ ক’রে ভৈরবেরে,
হেরি’ শিবের শিরে জাহ্নবীর
শ্মশানে মশানে ফেরে।
অন্ন দিয়ে ত্রি-জগতে
অন্নদা মোর বেড়ায় পথে,
ভিক্ষু শিবের অনুরাগে
ভিক্ষা মাগে রাজদুলালী।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশীর ঈদ।
তুই আপনাকে আজ বিলিয়ে দে শোন্‌ আসমানী তাগিদ।।
তোর সোনা-দানা বালাখানা সব রাহেলিল্লাহ্‌।
দে জাকাত মুর্দ্দা মুসলিমের আজ ভাঙাইতে নিদ্‌।।
আজ পড়বি ঈদের নামাজ রে মন সেই সে ঈদ গাহে।
যে ময়দানে সব গাজী মুসলিম হয়েছে শহীদ।।
আজ ভুলে যা তোর দোস্ত ও দুশমন হাত মিলাও হাতে।
তোর প্রেম দিয়ে কর বিশ্ব নিখিল ইসলামে মুরীদ।।
ঢাল হৃদয়ের তোর তশতরীতে শির্‌নী তৌহিদের।
তোর দাওয়াতে কবুল করবে হজরত হয় মনে উম্মীদ।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

হরে কৃষ্ণ নাম এক মহামন্ত্র যে
ওরে মন একবার বলো রে।
প্রতি অক্ষরে তার স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ
স্বরূপে প্রকাশ হলো রে।।
কৃষ্ণ মহিমার নেই আদি-অন্ত
সত্য যুগেতে হরি সে।
ত্রেতাতে শ্রীরাম আর দ্বাপরে কানাইয়া
কলিতে চৈতন্য এলো রে।।
বৈরাগী কৃষ্ণের বৈষ্ণবী রাধা
অনন্ত পুরুষ আর প্রকৃতি।
যুগল মুরতি করো ধ্যানে দর্শন
এই ভব বন্ধন হলো রে।।
আর কি বা সখী শেষে পাবে যে
স্বপ্ন ভঙ্গের বেদনা।
ভগবত কৃপা অমৃত আশা
অন্ধ নয়নের আলো রে।।
জন্ম মৃত্যু এপার ওপার
মধ্যে জীবনের এই তরী।
কান্ডারী শুধু প্রভু নারায়ণ
সেই ভরসায় ভেসে চলো রে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

খোদার প্রেমের শরাব পিয়ে বেহুঁশ হয়ে রই পড়ে
ছেড়ে মসজিদ আমার মুর্শিদ এল যে এই পথ ধরে।।
দুনিয়াদারীর শেষে আমার নামাজ বদলাতে
চাই না বেহেশত খোদার কাছে নিত্য মোনাজার ক’রে।।
কায়েস যেমন লায়লী লাগি’ লভিল মজনু খেতাব,
যেমন ফরহাদ শিরীর প্রেমে হ’ল দিওয়ানা বেতাব,
বে-খুদীতে মশগুল আমি তেম্‌ খোদার তরে।।
পুড়ে মরার ভয় না রাখে, পতঙ্গ আগুনে ধায়,
সিন্ধুতে মেটে না তৃষ্ণা চাতক বারি বিন্দু চায়,
চকোর চাহে চাঁদের সুধা, চাঁদ সে আসমানে কোথায়
সুরুয থাকে কোন্‌ সুদূরে সূর্যমুখী তারেই চায়,
তেমনি আমি চাহি খোদায়, চাহিনা হিসাব ক’রে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

দোলে দোদুল দোলে ঝুলনা
দোলে কৃষ্ণ দোলে ঝুলনা
দোলে রাই (দোলে) ঝুলনা
দোলে দোদুল নাই তুলনা।।
রাধারও অধরে জাগে হাসি
কহিছে ডেকে শ্যামেরই বাঁশি
এ লগন রাই ভুলনা।।
সা নি পা নি সা রে নি সা
গা রে মা গা পা নি সা রে
গা রে সা নি ধা পা মা গা রে সা
দোলে সুখে পাখা দোলে সুখসারি
ময়ূরী দোলে প্রেম অভিসারী
এ রাতের নাই তুলনা
এ লগন রাই ভুলনা।।
মাধব কহিছে ওগো রাধা
তুমি আমি একই সুরে বাঁধা
এ বাঁধন কভু খুলোনা।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

এখনো সেই বৃন্দাবনে
বাঁশি বাজে রে।
ঐ বাঁশি শুনে বনে বনে
ময়ূর নাচে রে।।
এখনো সেই রাধারাণী
বাঁশির সুরে পাগলিনী
অষ্টসখী শিরমণি
নব সাজে রে।।
এখনো সেই ধেনুগুলি
গোচারণে উয়ায় ধূলি
সব রাখালে হুলাহুলি
নব সাজে রে।।
আশা ছিল মনে মনে
যাব আমি বৃন্দাবনে
ভবা পাগলা মায়ের কোলে
কোন সাধনায় রে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

তুমি রামপ্রসাদের মা
তুমি গদাধরের মা
তুমি বামাক্ষ্যাপা কমলাকান্ত
আত্মারামের মা।।
তুমি জগদেশ্বরী মহেশ্বরী
পরমেশ্বরী মা
তুমি ভুবনেশ্বরী শিবশঙ্করী
চচী সে ভরমা
তুমি সারদা সরস্বতী
ভগবতী মা।।
তুমি গণপতির মা
তুমি কার্তিকের মা
তুমি দুর্গা ভবানী
ত্যাগ মহাকালী মা।।
তুমি বিশ্বময়ী ব্রহ্মময়ী
দয়াময়ী মা
তুমি চিন্ময়ী আনন্দময়ী
প্রেমময়ী মা।
তুমি লক্ষ্মী নারায়ণী
তুমি ভবতারিণী মা।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

দে মা দেখা সময় কালে
তুমি হর্তা কর্তা সর্বকালে।।
যে তোমারে পূজা করে
সে থাকে সদা কুশলে
কর্ম ধর্ম সকল তুমি
জানবে লোকে কালে কালে।।
তুমি যারে ভালোবাস
মরণ নাই তার কোনো কালে
মৃত্যুঞ্জয়ী নাম ধরো
মৃত্যু পালায় নাম শুনিলে।।
দয়াময়ের রাজ্যে তুমি
আছো মাগো কৌতূহলে
আমি হিসেব করে দেখলাম আবার
জগৎ আছে তোমার কোলে।।
দয়াময়ের নামটি তোমার
দেও মা আমার হৃদ কমলে
আমি জন্ম দুঃখ দিয়া বিদায়
পড়ে থাকব চরণ তলে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

শঙ্খ বাজিয়ে মাকে ঘরে এনেছি
সুগন্ধে ধূপ জ্বেলে আসন পেতেছি।
প্রদীপ জ্বেলে নিলাম তোমায় বরণ করে
আমার এ ঘরে থেকো আলো করে।
এসো মা লক্ষ্মী বসো ঘরে
আমার এ ঘরে থেকো আলো করে।।
আলপনা এঁকে তোমায় সাজিয়ে দিলাম ঘর
আমের পল্লব দিলাম জলভরা ঘট।
পান-সুপারী সিঁদুর দিলাম দু’হাত ভরে
ধনধান্যে ভর আমার এ ঘরে।।
শঙ্খ বাজিয়ে তোমায় ঘরে এনেছি
সুগন্ধে ধূপ জ্বেলে আসন পেতেছি
প্রদীপ জ্বেলে নিলাম তোমায় বরণ করে
জনম জনম থেকো আমার এ ঘরে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

ওগো সুন্দর অপরূপ প্রিয়তম
ওগো নমঃ নমঃ প্রভু নমঃ নমঃ।।
জীবনের প্রতিকূলে তুমি অনুকূল
সকল ভুলের মাঝে তুমি নির্ভুল
(ওগো) আমার জীবনে তুমি অনুপম।।
সত্যের শ্রীহরি ত্রেতায় রাম
দ্বাপরে শ্রীকৃষ্ণ নবঘন শ্যাম
(ওগো) কলিতে শ্রীগৌরাঙ্গ পুরুষোত্তম।।
পতিত পাবন নর নারায়ণ
শ্রীমধুসূদন বিপদ ভঞ্জন
(ওগো) সাতশত সনাতন মনোরম।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

মম অন্তর মন্দিরে জাগো
জাগো মাধব কৃষ্ণ গোপাল
নব অরুণ সম জাগো হৃদয়ে মম
সুন্দর গিরিধারী লাল।।
নয়নে ঘনালো ব্যথারই বাদল
জাগো তুমি ওগো কিশোর শ্যামল।
শ্রীরাধা প্রীতম জাগো অনুপম
জাগো তুমি ব্রজের রাখাল।।
রাধা মনোহারী ওগো ননীচোর
প্রাণের দেবতা জাগো হে কিশোর।
লয়ে রাধা বামে হৃদি ব্রজধামে
জাগো তুমি যশোদা দুলাল।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}