ছায়াছবির গান


একটু চোখ ওল্টায় ,
একটু নাক কুঁচকায় ,
বড্ড বেমানান সে শহরের তুলনায়
একটু চোখ ওল্টায়,
একটু নাক কুঁচকায় ,
বড্ড বেমানান সে শহরের তুলনায়  !
না না না নাম না জানি ধাম না জানি , জুটলো  কপালে ,
এদিকেতে রোদ্দুরেতেও বৃষ্টি এসে নামল অকালে ।
ভগবান ভগবান ফেলেসো এনে কার পাল্লায় !
নড়েনা চড়েনা নতুন মেয়ে কলকাতায় ..
ভগবান ভগবান ফেলেসো এনে কার পাল্লায় !
নড়েনা, আহা চড়েনা নতুন মেয়ে কলকাতায় ..

যখন তখন ভয়ের বাঁশি
বয়সে এইট্টিন, চয়েসে আশি
কী নিদারুণ আও পাতাসি
দেখলে হাসি পায় !
যখন তখন ভয়ের বাঁশি
বয়সে এইট্টিন চয়েসে আশি
কী নিদারুণ আও পাতাসি
পড়ল আমার গলায় !
ওহ  নাম না জানি ধাম না জানি , জুটলো  কপালে ,
এদিকেতে রোদ্দুরেতেও বৃষ্টি এসে নামল অকালে ।

একটু চোখ ওল্টায় ,
একটু নাক কুঁচকায় ,
বড্ড বেমানান সে শহরের তুলনায় !
ওহ  নাম না জানি ধাম না জানি , জুটলো  কপালে ,
এদিকেতে রোদ্দুরেতেও বৃষ্টি এসে নামল অকালে ।
ভগবান ভগবান ফেলেসো এনে কার পাল্লায় !
নড়েনা আহা চড়েনা নতুন মেয়ে কলকাতায় ..
ভগবান ভগবান ফেলেসো এনে কার পাল্লায় !
নড়েনা আহা চড়েনা নতুন মেয়ে কলকাতায় ..
ভগবান ভগবান ফেলেসো এনে কার পাল্লায় !
নতুন মেয়ে কলকাতায় ..
ফেলেছো  এনে কার পাল্লায় !
নতুন মেয়ে কলকাতায় ..
ভগবান ।।

ছবিঃ বোঝেনা সে বোঝেনা

এখন অনেক রাত,
তোমার কাঁধে আমার নিঃশ্বাস , আমি বেঁচে আছি তোমার ভালোবাসায় !
ছুঁয়ে দিলে হাত, আমার বৃদ্ধ বুকে তোমার মাথা চেপে ধরে ডলছি কেমন নেশায় !এখন অনেক রাত,
তোমার কাঁধে আমার নিঃশ্বাস , আমি বেঁচে আছি তোমার ভালোবাসায় !
ছুঁয়ে দিলে হাত, আমার বৃদ্ধ বুকে তোমার মাথা চেপে ধরে ডলছি কেমন নেশায় !

কেন যে অসংকোচে অন্ধ গানের কলি, পাখার ব্লেড-এর তালে সোজাসুজি কথা বলি !
আমি ভাবতে পারিনি, তুমি বুকের ভেতর ফাটছো আমার শরীর জুড়ে তোমার প্রেমের বীজ !
আমি থামতে পারিনি, তোমার গালে নরম দুঃখ আমার  দুহাত দিয়ে মুছতে দিও প্লিজ |

তোমার গানের সুর আমার পকেট ভরা সত্যি মিথ্যে রেখে দিলাম তোমার ব্যাগ-এর নীলে |
জানি তর্কে বহুদূর, তাও আমায় তুমি আঁকড়ে ধরো, আমার ভেতর বাড়ছো তিলে তিলে !

কেন যে অসংকোচে অন্ধ গানের কলি, পাখার ব্লেড-এর তালে সোজাসুজি কথা বলি !
আমি ভাবতে পারিনি, তুমি বুকের ভেতর ফাটছো আমার শরীর জুড়ে তোমার প্রেমের বীজ !
আমি থামতে পারিনি, তোমার গালে নরম দুঃখ আমার  দুহাত দিয়ে মুছতে দিও প্লিজ |

এখন অনেক রাত,
তোমার কাঁধে আমার নিঃশ্বাস , আমি বেঁচে আছি তোমার ভালোবাসায় !
ছুঁয়ে দিলে হাত, আমার বৃদ্ধ বুকে তোমার মাথা চেপে ধরে ডলছি কেমন নেশায় !

এখন অনেক রাত,
তোমার কাঁধে আমার নিঃশ্বাস , আমি বেঁচে আছি তোমার ভালোবাসায় !
ভালোবাসায়…

ছবিঃ হেমলক সোসাইটি

পথের ক্লান্তি ভুলে স্নেহ ভরা কোলে তব
মাগো, বলো কবে শীতল হবো |
কত দূর আর কত দূর বল মা?

আঁধারের ভ্রুকুটিতে ভয় নাই,
মাগো তোমার চরণে জানি পাবো ঠাঁই,
আর আঁধারের ভ্রুকুটিতে ভয় নাই,
মাগো তোমার চরণে জানি পাবো ঠাঁই,
যদি এ পথ চলিতে কাঁটা বেঁধে পায়
হাসিমুখে সে বেদনা সবো।
কত দূর আর কত দূর বল মা?

চিরদিনই মাগো তব করুণায়
ঘর ছাড়া প্রেম দিশা খুঁজে পায়
ঐ আকাশে যদি মা কভু ওঠে ঝড়
সে আঘাত বুকে পেতে লবো।
কত দূর আর কত দূর বল মা?

যতই দুঃখ তুমি দেবে দাও
তবু জানি কোলে শেষে তুমি টেনে নাও,
মাগো যতই দুঃখ তুমি দেবে দাও
তবু জানি কোলে শেষে তুমি টেনে নাও,
মাগো তুমি ছাড়া এ আঁধারে গতি নাই
তোমায় কেমনে ভুলে রবো
কত দূর আর কত দূর বল মা?

পথের ক্লান্তি ভুলে স্নেহ ভরা কোলে তব
মাগো, বলো কবে শীতল হবো |
কত দূর আর কত দূর বল মা?

বাড়িয়ে দাও, তোমার হাত
আমি আবার তোমার আঙুল ধরতে চাই।
বাড়িয়ে দাও,তোমার হাত
আমি আবার তোমার পাশেই হাঁটতে চাই
বাড়িয়ে দাও,তোমার হাত
তোমার হাত।
কিভাবে কাঁচের দেয়াল,
যেন আটকে থেকে যায়
কখনো ফুরোয় কথায়।
অনেক সন্ধ্যাবেলায়,তোমার ক্লান্ত চুলের
হাত, ছোঁয়াও আমার মাথায়।
এখন, কৃষ্ণচূড়ার আলো
আমাদের রাস্তা সাজানো
ও…ও….হো…হো…
তোমার পাশেই আমায় পাবে,
তোমার রক্তে বানানো,
বাড়িয়ে দাও,তোমার হাত
আমি আবার তোমার আঙুল ধরতে চাই।
বাড়িয়ে দাও,তোমার হাত
আমি আবার তোমার পাশেই হাঁটতে চাই
বাড়িয়ে দাও,তোমার হাত
তোমার হাত।
মনের ভেতর ঘরে,
কিছু পাথর জমানো
ভাঙতে চাইছি যখন।
পাহাড় বরফ ঢেলে মুহূর্ত গলানো
হয়তো যাবে তখন।
এখন, কৃষ্ণচূড়ার আলো
আমাদের রাস্তা সাজানো
ও…ও….হো…হো…
তোমার পাশেই আমায় পাবে,
তোমার রক্তে বানানো,
বাড়িয়ে দাও,তোমার হাত
আমি আবার তোমার আঙুল ধরতে চাই।
বাড়িয়ে দাও,তোমার হাত
আমি আবার তোমার পাশেই হাঁটতে চাই
বাড়িয়ে দাও,তোমার হাত
তোমার হাত।

সাদাকালো কিছু ডোরাকাটা দাগ
ঐ পেরোচ্ছে রোদ্দুর
ট্রামের তারে আটকা ঘুড়ি
ভাবছে সমুদ্দুর
সাদাকালো কিছু ডোরাকাটা দাগ
ঐ পেরোচ্ছে রোদ্দুর
ট্রামের তারে আটকা ঘুড়ি
ভাবছে সমুদ্দুর
আয়না দিন……অন্তহীন ভাংচুর
আয়না দিন……অন্তহীন ভাংচুর
ব্যস্ত ট্র্যাফিক পাগল মাফিক হরদম রংরুট
কার্নিশজুড়ে বৃষ্টি পাঠায় বিষণ্ণ চিরকুট
আয়না দিন……অন্তহীন ভাংচুর
আয়না দিন……অন্তহীন ভাংচুর
ফুটপাথে শোওয়া লোক রেলিঙের ডালে কাক
কিছু খুচরো ছড়ালো, হারালো কোন অজানাতে
বাসি কিছু বেল ফুল
ছুটি হওয়া ইশকুল
তুমি হেঁটেছ, রেখেছ, বেঁধেছ আঁচল-প্রাতে
অচেনা মুখ এক চুমুক অচেনা চোখ আমার হোক
অচেনা মুখ এক চুমুক অচেনা চোখ আমার হোক
সাদাকালো কিছু ডোরাকাটা দাগ
ঐ পেরোচ্ছে রোদ্দুর
ট্রামের তারে আটকা ঘুড়ি
ভাবছে সমুদ্দুর
আয়না দিন……অন্তহীন ভাংচুর
আয়না দিন……অন্তহীন ভাংচুর
দেখে অফিসের ভিড়, চিল ভেসে আছে স্থির
দূর বাসের পিছনে আজ নগদ আর কাল ধার
কলে চলে এলো জল
মাঠে ভুলে যাওয়া বল
তুমি বুঝেছ, খুজেছ, ঠিকানাবিহীন খালপাড়
(২)
অচেনা মুখ এক চুমুক অচেনা চোখ আমার হোক
অচেনা মুখ এক চুমুক অচেনা চোখ আমার হোক
সাদাকালো কিছু ডোরাকাটা দাগ
ঐ পেরোচ্ছে রোদ্দুর
ট্রামের তারে আটকা ঘুড়ি
ভাবছে সমুদ্দুর
আয়না দিন……অন্তহীন ভাংচুর
আয়না দিন……অন্তহীন ভাংচুর…

নিথুয়া পাথারে নেমেছি বন্ধুরে
ধর বন্ধু আমার কেহ নাই (২)
ধর বন্ধু আমার কেহ নাই
তোল বন্ধু আমার কেহ নাই
চিকন ধুতিখানি পড়িতে না জানি
না জানি বান্ধিতে কেশ(২)
না জানি বান্ধিতে কেশ(২)

অল্প বয়সে পীরিতি করিয়া
হয়ে গেল জীবনেরও শেষ (২)

প্রেমেরও মুরালি বাজাতে নাহি জানি
না পারি বান্ধিতে সুর (২)
না পারি বান্ধিতে সুর (২)

নিথুয়া পাথারে নেমেছি বন্ধুরে
ধর বন্ধু আমার কেহ নাই
তোল বন্ধু আমার কেহ নাই।

তুই চিরদিন তোর দরজা খুলে থাকিস,
অবাধ আনাগোনার হিসেব কেন রাখিস ?
সাক্ষাৎ আলাদিন তোর প্রদীপ
ভরা জিনে,
কেন খুঁজতে যাস আমায়
সাজানো মাগাজিনে ?
ভেজা রেলগাড়ি হয়তো সবুজ ছুঁয়ে ফেলে,
আর সারাটা পথ ভীষণ খামখেয়ালে চলে
তারপর বেরোয় মেঘ আর তারায়
ভরা স্টেশন ,
একটু থামতে চায় প্রেমিকের
ইন্সপিরেশন
তোর এ সকাল ঘুম ভেঙ্গে দিতে পারি
তোর এ বিকেল ঘুড়ি ছিঁড়ে দিতে পারি
তোকে আলোর আলপিন দিতে পারি
তোকে বসন্তের দিন দিতে পারি
আমাকে খুঁজে দে জল ফড়িং
ছুঁড়ে ফেলে দে তোর গল্প বলা ঘড়ি,
শূন্যে খুড়োর কল , সব মিথ্যে আহামরি
একটু শুনতে চাই তোর পাঁজর
ভাঙ্গা চিৎকার,
অন্য গানের সুর, তোর অদ্ভুত এ অহংকার
তোর এ সকাল ঘুম ভেঙ্গে দিতে পারি
তোর এ বিকেল ঘুড়ি ছিঁড়ে দিতে পারি
তোকে আলোর আলপিন দিতে পারি
তোকে বসন্তের দিন দিতে পারি
আমাকে খুঁজে দে জল ফড়িং…

সোনার ও পালঙ্কের ঘরে লিখে রেখে ছিলেম দ্বারে,
যাও পাখি বলো তারে, সে যেন ভোলে না মোরে,
সুখে থেকো ভালো থেকো, মনে রেখো এ আমারে…
বুকের ভেতর নোনা ব্যাথা, চোখে আমার ঝরে কথা,
এপার ওপার কোন পার একা (২ বার)
যাও পাখি বলো তারে সে যেন ভোলে না মোরে,
সুখে থেকো ভালো থেকো মনে রেখো এ আমারে…
মেঘের ওপর আকাশ ওড়ে, নদীর ওপার পাখির বাসা,
মনে বন্ধু বড় আসা (২ বার)
যাও পাখি যারে উড়ে, তারে কইও আমার হয়ে,
চোখ জ্বলে যায় দেখবো তারে, মন চলে যায় অদূর দূরে,
যাও পাখি বলো তারে, সে যেন ভোলে না মোরে,
সুখে থেকো ভালো থেকো মনে রেখো এ আমারে,
সোনার ও পালঙ্কের ঘরে লিখেরেখে ছিলেম দ্বারে,
যাও পাখি বলো তারে, সে যেন ভোলে না মোরে,
সুখে থেকো ভালো থেকো, মনে রেখো এ আমারে…

ছোট ছোট স্বপ্নের নীল মেঘ
কখনো রোদ্দুর বৃষ্টি(২)
জীবনের চাকা গেছে আঁকা-বাঁকা
সৃষ্টি বা অনাসৃষ্টি
তবু এক মুঠো সুখ ছুঁয়ে গেলে ভাবি
এ যেন হঠাৎ বৃষ্টি।
ছোট ছোট স্বপ্নের নীল মেঘ
কখনো রোদ্দুর বৃষ্টি।(২)

কখনো আলো-ছায়ার খেলা
কখনো শুধুই আঁধার(২)
কোথাও থামে ভেজা সহনি
কোথাও ফুলের বাহার।
কোথাও চেতনা পাহাড় ভাঙ্গে
কোথাও বিপন্ন কৃষ্টি।
তবু এক মুঠো সুখ ছুঁয়ে গেলে ভাবি
এ যেন হঠাৎ বৃষ্টি।
ছোট ছোট স্বপ্নের নীল মেঘ
কখনো রোদ্দুর বৃষ্টি।(২)

কখনো হৃদয় ভাঙ্গার খেলা
কখনো সেতু গড়ার (২)
কখনো নিজ নিকেতনে মন
কখনো কখনো সবার।
কোথাও চাওয়ার হিসেব মেলে না
কোথাও না পাই সন্তুষ্টি।
তবু এক মুঠো সুখ ছুঁয়ে গেলে ভাবি
এ যেন হঠাৎ বৃষ্টি।
ছোট ছোট স্বপ্নের নীল মেঘ
কখনো রোদ্দুর বৃষ্টি।(২)

জীবনের চাকা গেছে আঁকা-বাঁকা
সৃষ্টি বা অনাসৃষ্টি
তবু এক মুঠো সুখ ছুঁয়ে গেলে ভাবি
এ যেন হঠাৎ বৃষ্টি।
ছোট ছোট স্বপ্নের নীল মেঘ
কখনো রোদ্দুর বৃষ্টি।(২)

মুভিঃ হঠাৎ বৃষ্টি

বড় ইচ্ছে করছে ডাকতে, তার গন্ধে মেঘে ঢাকতে,
কেন সন্ধ্যে সন্ধ্যে নামলে সে পালায়,
তাকে আটকে রাখার চেষ্টা, আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে তেষ্টা,
আমি দাঁড়িয়ে দেখছি শেষটা জানলায় |
বোঝেনা সে বোঝেনা, বোঝেনা সে বোঝেনা |
বোঝেনা বোঝেনা বোঝেনা |

পায় স্বপ্ন স্বপ্ন লগ্নে, তার অন্য অন্য ডাকনাম,
তাকে নিত্যনতুন যত্নে কে সাজায়,
সব স্বপ্ন সত্যি হয় কার, তবু দেখতে দেখতে কাটছি
আর হাঁটছি যেদিকে আমার দু-চোখ যায় |

বোঝেনা সে বোঝেনা, বোঝেনা সে বোঝেনা |
বোঝেনা বোঝেনা বোঝেনা |

আজ সব সত্যি মিথ্যে,দিন বলছে যেতে যেতে,
মন গুমরে গুমরে মরছে কি উপায়,
জানি স্বপ্ন সত্যি হয় না, তবু মন মানতে চায় না,
কেন এমন রাত্রি নামছে জানলায় |
বোঝেনা সে বোঝেনা, বোঝেনা সে বোঝেনা |
বোঝেনা বোঝেনা বোঝেনা |
এটা গল্প হলেও পারতো, পাতা একটা আধটা পড়তো,
খুব লুকিয়ে বাঁচিয়ে রাখতাম তাকে,
জানি আবার আসবে কালকে, নিয়ে পালকি পালকি ভাবনা,
ফের চলে যাবে করে একলা আমাকে |
বোঝেনা সে বোঝেনা, বোঝেনা সে বোঝেনা |
বোঝেনা বোঝেনা বোঝেনা |
বোঝেনা সে বোঝেনা, বোঝেনা সে বোঝেনা |
বোঝেনা বোঝেনা বোঝেনা |

বোঝেনা সে বোঝেনা, বোঝেনা সে বোঝেনা |
বোঝেনা বোঝেনা বোঝেনা |

গভীরে যাও, আরো গভীরে যাও |
এই বুঝি তল পেলে, ফের হারালে, প্রয়োজনে ডুবে যাও |

জানলা জুড়ে মানুষের কান,
গলির ভাঁজে ভ্রমরের প্রাণ |
গণিকার ঘাম লেগে থাকে তার ডানায় |
আর অন্ধকারে ছটফটিয়ে মুখ ফেরানোর দায়,
তার উড়ে আসা ধুসর চোখে সিগারেটের ছাই |

তাই গভীরে যাও, আরো গভীরে যাও |
গভীরে যাও, আরো গভীরে যাও |
এই বুঝি তল পেলে ফের হারালে, প্রয়োজনে ডুবে যাও |

নদীর বুকে, ঘরের খোঁজে,
কাটেনি দিন খুব সহজে |
বহু বছর মেখেছি রুপোর বালি |
সেই রুপোর লোভে বাড়ি ফেরা যাবে রসাতল |
আর ভেজা শরীর চোরা স্রোতে কামড়ে ধরে জল |

তাই গভীরে যাও, আরো গভীরে যাও |
গভীরে যাও, আরো গভীরে যাও |
এই বুঝি তল পেলে ফের হারালে, প্রয়োজনে ডুবে যাও |

[গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক]
[If you can’t read it, click here]

আমার গরুর গাড়িতে বউ সাজিয়ে
ধুত্তুর ধুত্তুর ধুত্তুর ধু সানাই বাজিয়ে
যাবো তোমায় শ্বশুর বাড়ি নিয়ে। (যা যা…)
তোমার ভাঙা গাড়িতে আমি যাবো না
কারো ঘরের ঘরণী আমি হবো না
করবো না তো কোনো দিনও বিয়ে।
এ হে, যাবো তোমায় শ্বশুর বাড়ি নিয়ে।।
আলতা দেবো তিকলি দেবো, দেবো সোনার চুড়ি
(না না না না না না…)
আরে, শহর থেকে আনবো কিনে বেনারসী শাড়ি
(আরে, না না না না না…)।
গয়না-গাটি চাইনা আমি চাইনা শাড়ি চুড়ি
হেই হেই হেই হেই হেই হেই…)
সবই আমার বাপের বাড়ি আছে ভুরিভুরি
(আরে, হেই হেই হেই হেই হেই হেই…)
ভরবেনা মন কোনো কিছু দিয়ে।।
আদর দেবো সোহাগ দেবো, দেবো ভালোবাসা
(না না না না না না…)
আরে, জীবন দিয়ে করবো পূরণ তোমার সকল আশা
(না না না না না না…)।
দিন দুপুরে মনের ঘরে দিও নাকো হানা
(হেই হেই হেই হেই হেই হেই…)
এই সব কথা শোনা পাপ গুরুজনের মানা
(আরে, হেই হেই হেই হেই হেই হেই…)
এই, পায়ে ধরি চল বাড়ি নিয়ে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}