ভক্তিমূলক গান


ব্রজ গোপী খেলে হরি
খেলে আনন্দ নবঘন শ্যাম সাথে।
রাঙা অধরে ঝরে হাসির কুম্‌কুম্‌
অনুরাগ-আবীর নয়ন-পাতে।
পিরীতি-ফাগ মাখা গৌরীর সঙ্গে
হরি খেলে হরি উন্মাদ রঙ্গে।
বসন্তে এ কোন কিশোর দুরন্ত
রাধারে যে নিতে এলো পিচকারী হাতে।।
গোপীনীরা হানে অপাঙ্গ খর শর
ভ্রুকুটি ভঙ্গ অনঙ্গ আবেশে
জর জর থর থর শ্যামের অঙ্গ।
শ্যামল তনুতে হরিত কুঞ্জে
অশোক ফুটেছে যেন পুঞ্জে পুঞ্জে
রঙ-পিয়াসী মন ভ্রমর গুঞ্জে
ঢালো আরো ঢালো রঙ
প্রেম-যমুনাতে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

তিমির-বিদারী অলখ-বিহারী
কৃষ্ণ মুরারী আগত ঐ
টুটিয়া আগল নিখিল পাগল
সর্বসহা আজি সর্বজয়ী।।
বহিছে উজান অশ্রু-যমুনায়
হৃদি-বৃন্দাবনে আনন্দ ডাকে, ‘আয়’,
বসুধা যশোদার স্নেহধার উথলায়
কাল্‌-রাখাল নাচে থৈ-তা-থৈ।।
বিশ্ব ভরি’ ওঠে স্তব নমো নমঃ
অরির পুরী-মাঝে এলো অরিন্দম।
ঘিরিয়া দ্বার বৃথা জাগে প্রহরী জন
বন্ধ কারায় এলো বন্ধ-বিমোচন,
ধরি’ অজানা পথ আসিল অনাগত
জাগিয়া ব্যথাহত ডাকে, মাভৈঃ।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

ওরে নীল যমুনার জল!
বল রে মোরে বল কোথায় ঘনশ্যাম-
আমার কৃষ্ণ ঘনশ্যাম।
আমি বহু আশায় বুক বেঁধে যে এলাম-
এলাম ব্রজধাম।।
তোর কোন্‌ কূলে কোন্‌ বনের মাঝে
আমার কানুর বেণু বাজে,
আমি কোথায় গেলে শুনতে পাব
‘রাধা রাধা’ নাম।।
আমি শুধাই ব্রজের ঘরে ঘরে-
কৃষ্ণ কোথায় বল্‌;
কেন কেউ কহে না কথা,
হেরি সবার চোখে জল।
বল্‌ রে আমার শ্যামল কোথায়,
কোন্‌ মথুরায় কোন দ্বারকায়-
বল্‌ যমুনা বল।
বাজে বৃন্দাবনের কোন্‌ পথে তাঁর
নূপুর অভিরাম।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

মহাকালের কোলে এসে
গৌরী হ’ল মহাকালী,
শ্মশান-চিতার ভস্ম মেখে
ম্লান হ’ল মার রূপের ডালি।।
তবু মায়ের রূপ কি হারায়
সে যে ছড়িয়ে আছে চন্দ্র তারায়,
মায়ের রূপের আরতি হয়
নিত্য সূর্য্য-প্রদীপ জ্বালি’।।
উমা হ’ল ভৈরবী হায়
বরণ ক’রে ভৈরবেরে,
হেরি’ শিবের শিরে জাহ্নবীর
শ্মশানে মশানে ফেরে।
অন্ন দিয়ে ত্রি-জগতে
অন্নদা মোর বেড়ায় পথে,
ভিক্ষু শিবের অনুরাগে
ভিক্ষা মাগে রাজদুলালী।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশীর ঈদ।
তুই আপনাকে আজ বিলিয়ে দে শোন্‌ আসমানী তাগিদ।।
তোর সোনা-দানা বালাখানা সব রাহেলিল্লাহ্‌।
দে জাকাত মুর্দ্দা মুসলিমের আজ ভাঙাইতে নিদ্‌।।
আজ পড়বি ঈদের নামাজ রে মন সেই সে ঈদ গাহে।
যে ময়দানে সব গাজী মুসলিম হয়েছে শহীদ।।
আজ ভুলে যা তোর দোস্ত ও দুশমন হাত মিলাও হাতে।
তোর প্রেম দিয়ে কর বিশ্ব নিখিল ইসলামে মুরীদ।।
ঢাল হৃদয়ের তোর তশতরীতে শির্‌নী তৌহিদের।
তোর দাওয়াতে কবুল করবে হজরত হয় মনে উম্মীদ।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

হরে কৃষ্ণ নাম এক মহামন্ত্র যে
ওরে মন একবার বলো রে।
প্রতি অক্ষরে তার স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণ
স্বরূপে প্রকাশ হলো রে।।
কৃষ্ণ মহিমার নেই আদি-অন্ত
সত্য যুগেতে হরি সে।
ত্রেতাতে শ্রীরাম আর দ্বাপরে কানাইয়া
কলিতে চৈতন্য এলো রে।।
বৈরাগী কৃষ্ণের বৈষ্ণবী রাধা
অনন্ত পুরুষ আর প্রকৃতি।
যুগল মুরতি করো ধ্যানে দর্শন
এই ভব বন্ধন হলো রে।।
আর কি বা সখী শেষে পাবে যে
স্বপ্ন ভঙ্গের বেদনা।
ভগবত কৃপা অমৃত আশা
অন্ধ নয়নের আলো রে।।
জন্ম মৃত্যু এপার ওপার
মধ্যে জীবনের এই তরী।
কান্ডারী শুধু প্রভু নারায়ণ
সেই ভরসায় ভেসে চলো রে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

খোদার প্রেমের শরাব পিয়ে বেহুঁশ হয়ে রই পড়ে
ছেড়ে মসজিদ আমার মুর্শিদ এল যে এই পথ ধরে।।
দুনিয়াদারীর শেষে আমার নামাজ বদলাতে
চাই না বেহেশত খোদার কাছে নিত্য মোনাজার ক’রে।।
কায়েস যেমন লায়লী লাগি’ লভিল মজনু খেতাব,
যেমন ফরহাদ শিরীর প্রেমে হ’ল দিওয়ানা বেতাব,
বে-খুদীতে মশগুল আমি তেম্‌ খোদার তরে।।
পুড়ে মরার ভয় না রাখে, পতঙ্গ আগুনে ধায়,
সিন্ধুতে মেটে না তৃষ্ণা চাতক বারি বিন্দু চায়,
চকোর চাহে চাঁদের সুধা, চাঁদ সে আসমানে কোথায়
সুরুয থাকে কোন্‌ সুদূরে সূর্যমুখী তারেই চায়,
তেমনি আমি চাহি খোদায়, চাহিনা হিসাব ক’রে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

দোলে দোদুল দোলে ঝুলনা
দোলে কৃষ্ণ দোলে ঝুলনা
দোলে রাই (দোলে) ঝুলনা
দোলে দোদুল নাই তুলনা।।
রাধারও অধরে জাগে হাসি
কহিছে ডেকে শ্যামেরই বাঁশি
এ লগন রাই ভুলনা।।
সা নি পা নি সা রে নি সা
গা রে মা গা পা নি সা রে
গা রে সা নি ধা পা মা গা রে সা
দোলে সুখে পাখা দোলে সুখসারি
ময়ূরী দোলে প্রেম অভিসারী
এ রাতের নাই তুলনা
এ লগন রাই ভুলনা।।
মাধব কহিছে ওগো রাধা
তুমি আমি একই সুরে বাঁধা
এ বাঁধন কভু খুলোনা।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

এখনো সেই বৃন্দাবনে
বাঁশি বাজে রে।
ঐ বাঁশি শুনে বনে বনে
ময়ূর নাচে রে।।
এখনো সেই রাধারাণী
বাঁশির সুরে পাগলিনী
অষ্টসখী শিরমণি
নব সাজে রে।।
এখনো সেই ধেনুগুলি
গোচারণে উয়ায় ধূলি
সব রাখালে হুলাহুলি
নব সাজে রে।।
আশা ছিল মনে মনে
যাব আমি বৃন্দাবনে
ভবা পাগলা মায়ের কোলে
কোন সাধনায় রে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

তুমি রামপ্রসাদের মা
তুমি গদাধরের মা
তুমি বামাক্ষ্যাপা কমলাকান্ত
আত্মারামের মা।।
তুমি জগদেশ্বরী মহেশ্বরী
পরমেশ্বরী মা
তুমি ভুবনেশ্বরী শিবশঙ্করী
চচী সে ভরমা
তুমি সারদা সরস্বতী
ভগবতী মা।।
তুমি গণপতির মা
তুমি কার্তিকের মা
তুমি দুর্গা ভবানী
ত্যাগ মহাকালী মা।।
তুমি বিশ্বময়ী ব্রহ্মময়ী
দয়াময়ী মা
তুমি চিন্ময়ী আনন্দময়ী
প্রেমময়ী মা।
তুমি লক্ষ্মী নারায়ণী
তুমি ভবতারিণী মা।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

দে মা দেখা সময় কালে
তুমি হর্তা কর্তা সর্বকালে।।
যে তোমারে পূজা করে
সে থাকে সদা কুশলে
কর্ম ধর্ম সকল তুমি
জানবে লোকে কালে কালে।।
তুমি যারে ভালোবাস
মরণ নাই তার কোনো কালে
মৃত্যুঞ্জয়ী নাম ধরো
মৃত্যু পালায় নাম শুনিলে।।
দয়াময়ের রাজ্যে তুমি
আছো মাগো কৌতূহলে
আমি হিসেব করে দেখলাম আবার
জগৎ আছে তোমার কোলে।।
দয়াময়ের নামটি তোমার
দেও মা আমার হৃদ কমলে
আমি জন্ম দুঃখ দিয়া বিদায়
পড়ে থাকব চরণ তলে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

শঙ্খ বাজিয়ে মাকে ঘরে এনেছি
সুগন্ধে ধূপ জ্বেলে আসন পেতেছি।
প্রদীপ জ্বেলে নিলাম তোমায় বরণ করে
আমার এ ঘরে থেকো আলো করে।
এসো মা লক্ষ্মী বসো ঘরে
আমার এ ঘরে থেকো আলো করে।।
আলপনা এঁকে তোমায় সাজিয়ে দিলাম ঘর
আমের পল্লব দিলাম জলভরা ঘট।
পান-সুপারী সিঁদুর দিলাম দু’হাত ভরে
ধনধান্যে ভর আমার এ ঘরে।।
শঙ্খ বাজিয়ে তোমায় ঘরে এনেছি
সুগন্ধে ধূপ জ্বেলে আসন পেতেছি
প্রদীপ জ্বেলে নিলাম তোমায় বরণ করে
জনম জনম থেকো আমার এ ঘরে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

ওগো সুন্দর অপরূপ প্রিয়তম
ওগো নমঃ নমঃ প্রভু নমঃ নমঃ।।
জীবনের প্রতিকূলে তুমি অনুকূল
সকল ভুলের মাঝে তুমি নির্ভুল
(ওগো) আমার জীবনে তুমি অনুপম।।
সত্যের শ্রীহরি ত্রেতায় রাম
দ্বাপরে শ্রীকৃষ্ণ নবঘন শ্যাম
(ওগো) কলিতে শ্রীগৌরাঙ্গ পুরুষোত্তম।।
পতিত পাবন নর নারায়ণ
শ্রীমধুসূদন বিপদ ভঞ্জন
(ওগো) সাতশত সনাতন মনোরম।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

মম অন্তর মন্দিরে জাগো
জাগো মাধব কৃষ্ণ গোপাল
নব অরুণ সম জাগো হৃদয়ে মম
সুন্দর গিরিধারী লাল।।
নয়নে ঘনালো ব্যথারই বাদল
জাগো তুমি ওগো কিশোর শ্যামল।
শ্রীরাধা প্রীতম জাগো অনুপম
জাগো তুমি ব্রজের রাখাল।।
রাধা মনোহারী ওগো ননীচোর
প্রাণের দেবতা জাগো হে কিশোর।
লয়ে রাধা বামে হৃদি ব্রজধামে
জাগো তুমি যশোদা দুলাল।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}