আধ্যাত্মিক গান


ও মোর বানিয়া বন্ধু রে
একটা তাবিজ বানাইয়া দে।
একটা মাদুলি বানাইয়া দে।
ওরে মরিয়া গিয়াছে
বিয়ার সোয়ামী স্বপনে আইসে।।
যে জন সোনার বানিয়া
নীতি করে সোনাকো না মোর
ওজন করিয়া দেয়।
ও মোর সাধের বানিয়া রে
ও মোর ভাবের বানিয়া রে
ওরে সোনা-রূপা মিশিল করে একটা
তাবিজ বানাইয়া দে।
ওরে মরিয়া গিয়াছে
বিয়ার সোয়ামী স্বপনে আইসে।।
হাতের নিলুক মোর কোচার নিল
হাকার রুমুক নিভুয়াতে
যাক মারিল লোকের কথাতে।
ও মোর ভাবের বানিয়া রে
ও মোর সাধের বানিয়া রে
ওরে দিবার চাইয়া নাকের
নোলক নাই দিলু মোরে।
ওরে মরিয়া গিয়াছে
বিয়ার সোয়ামী স্বপনে আইসে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

(হায়রে) ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে
রইব না আর বেশি দিন তোদের মাঝারে।।
ও (আমি) চলতে পথে দু’দিন থামিলাম
ভালোবাসার মালাখানি গলে পরিলাম।
আমার সাধের মালা যায় রে ছিঁড়ে।।
ও (আমি) কত জনে কত কি দিলাম
যাইবার কালে একজনারও দেখা না পাইলাম।
আমার সঙ্গের সাথী কেউ হইলো না রে।।

[গানটি গেয়েছেন এ্যান্ড্রু কিশোর]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

এই পৃথিবী যেমন আছে তেমনি ঠিক রবে
সুন্দর এই পৃথিবী ছেড়ে একদিন চলে যেতে হবে।
মন্ত্র নগদ তলব তাকিত পত্র নেমে আসবে যবে।।
(মোহ ঘুমে) যেদিন আমার মুদিরে দুই চোখ
পাড়া-পড়শী, প্রতিবেশী পাবে কিছু শোক।
সেদিন আমি যে এই পৃথিবীর লোক ভুলে যাবে সবে।।
(যতো বড়) হউকনা কেন রাজা-জমিদার
জুড়ি গাড়ি, পাকা বাড়ি, ট্রানজিস্টার।
ও তার থাকবে না আর কোন অধিকার, বিষয় ও বৈভবে।।
চন্দ্র-সূর্য্য, গ্রহ-তারা, আকাশ-বাতাস, জল
তারা যেমন আছে তেমনি ঠিক রইবে অবিকল।
সেদিন আমি থাকবোনা কেবল এই জনপূর্ণ ভবে।।
শব্দ-স্পর্শ, রূপ-রস, গন্ধ বন্ধ হলে যেন
এই পৃথিবীর অস্তিত্ত্ব বোধ থাকবেনা আর হেন।
পাগল বিজয় বলে সেই দিন যেন এসে পড়ে কবে।।

[গানটি লিখেছেন, সুর করেছেন ও গেয়েছেন বিজয় সরকার]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আমি কেমন করে পত্র লিখি রে বন্ধু
গ্রাম পোস্ট-অফিস নাই জানা
তোমায় আমি হলেম অচেনা।।
বন্ধু রে…হইতা যদি দেশের দেশী
সেই চরণে হইতাম দাসী গো
আমি দাসী হইয়া সঙ্গে যাইতাম গো বন্ধু
শুনতাম না কারো মানা।।
বন্ধু রে…শুইলে না আসে রে নিদ্রা
ক্ষণে ক্ষণে আসে তন্দ্রা গো
আমি স্বপন দেখে জেগে উঠি রে বন্ধু
কেন্দে ভিজাই বিছানা।।

[গানটি গেয়েছেন মুজিব পরদেশী]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

সোনার ও পালঙ্কের ঘরে
লিখে রেখে ছিলেম দ্বারে,
যাও পাখি বলো তারে,
সে যেন ভোলে না মোরে।
সুখে থেকো ভালো থেকো,
মনে রেখো এ আমারে।।
বুকের ভেতর নোনা ব্যাথা,
চোখে আমার ঝরে কথা,
এপার ওপার কোন পার একা।।
মেঘের ওপর আকাশ ওড়ে,
নদীর ওপার পাখির বাসা,
মনে বন্ধু বড় আসা।।

[গানটি গেয়েছেন কৃষ্ণকলি]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

নিথুয়া পাথারে নেমেছি বন্ধুরে
ধর বন্ধু আমার কেহ নাই
তোলো বন্ধু আমার কেহ নাই।।
চিকন ধুতিখানি পড়িতে না জানি
না জানি বান্ধিতে কেশ।।
অল্প বয়সে পিরিতি করিয়া
হয়ে গেলো জীবনের শেষ।।
প্রেমেরও মুরালি বাজাতে নাহি জানি
না পারি বান্ধিতে সুর।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

গুরু উপায় বলো না
জনম দুখী কপাল পোড়া গুরু
আমি একজনা।।
গিয়েছিলাম ভবের বাজারে
ছয়জন চোরা করলো চুরি
গুরু বাঁধল আমারে।।
ছয় চোরা খালাস পাইলো রে
গুরু আমি রইলাম জেলখানায়।।
শিশুকালে মরে গেল মা
গর্ভে থাকতে মরলো পিতা গুরু
চোখে দেখলাম না।
কে করিবে লালন-পালন গুরু
কে দিবে মোরে সান্ত্বনা।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আছেন আমার মোক্তার
আছেন আমার ব্যারিস্টার।
শেষ বিচারের হাইকোর্টেতে
তিনিই আমায় করবেন পার
আমি পাপী তিনি জামিনদার।।
মনের ঘরে তালা দিয়া
চাবি লইয়া আছেন সাঁই
আমি অধম সাধ্য কি তার
হুকুম ছাড়া বাইরে যাই।
দুই কান্দে দুই মুহুরী
লিখতে আছেন ডাইরী
দলিল দেইখা রায় দিবেন
টাকা-পয়সার নাই কারবার
সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার।।
সেদিনের সেই ইস্টিশনে
থাকবে নানান প্যাসেঞ্জার
দ্রুতযানে পার হবে সে
টিকিট কাটা আছে যার।
পারাপারের থাকলে তাড়া
সঙ্গে নিও গাড়ি ভাড়া
জবাবদিহি করতে হবে
ধরলে টিকিট কালেক্টর
সময় থাকতে মনা হুঁশিয়ার।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}