আধুনিক গান


তুমি এমনই জাল পেতেছো সংসারে
কার বা এমন সাধ্য আছে
এই মায়াজাল ছিঁড়ে যেতে পারে।।
আমার মনের মাঝে বসে যে প্রেম
নিত্য বাজায় বাঁশী।
জগৎ জুড়ে তারই খোঁজে
হলাম পরবাসী।
বন্ধ চোখে রূপ দেখি যার
দু’চোখে মেলে পাই না খুঁজে তারে।।
আমার সুখের ঘরে দিয়ে তালা
সুখ পিয়াসে মরি।
নিজের সাথে খেলি নিজেই
নিঠুর লুকোচুরি।
পূর্ণ চাঁদে দৃষ্টি দিলে
গ্রহণ যেন লাগে বারে বারে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

দুটি মন আর নেই দুজনার
রাত বলে আমি সাথী হব যে
ফাগুনের রাতে আমি
রূপকথা হয়ে কাছে রব যে।।
ফুল বলে রঙে আর ছেও না
পাখি বলে আর গান গেও না
আমাদের মিতালীর মায়াতে
কানে কানে কত কথা কব যে।।
শুকতারা বলে আমি আছি
তাই দিশাহারা হতে আর ভয় কি
পাছে ঘুম ঝরে পড়ে দুচোখে
হাসি মুখে তাই জেগে রব যে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

বন্ধু হতে চেয়ে তোমার
শত্রু বলে গণ্য হলাম
তবু একটা কিছু হয়েছি যে
তাতেই আমি ধন্য হলাম।।
না হয় ভেজালে না একটু হাসি বৃষ্টিতে
আমায় দেখে জ্বাললে আগুন ঐ দৃষ্টিতে।
তবু অন্য হাজার জনের মাঝেই
আমি অনন্য হলাম
শত্রু বলে গণ্য হলাম।।
তোমার অনুরাগে নাইবা হলাম ছন্দময়
বিরূপ মনের ভাবনা হলাম সেও মন্দ নয়।
আমি বৈরী হলেও দোষ কি বলো
সে তোমার জন্য হলাম
শত্রু বলে গণ্য হলাম।।

[গানটি গেয়েছেন সুবীর নন্দী]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আমি যে কে তোমার
তুমি তা বুঝে নাও
আমি চিরদিন তোমারই তো থাকবো
তুমি আমার আমি তোমার
এ মনে কি আছে
পারো যদি খুঁজে নাও
আমি তোমাকেই বুকে ধরে রাখবো
তুমি আমার আমি তোমার
আমি যে কে তোমার
তুমি তা বুঝে নাও।।
কেন আর সরে আছো দূরে
কাছে এসে হাত দু’টো ধরো
শপথের মন কাড়া সুরে
আমায় তোমারই তুমি করো
ও…তোমারই স্বপ্ন দু’চোখেই আমি আঁকবো।।
ওপাড়ের ডাক যদি আসে
শেষ খেয়া হয় পাড়ি দিতে
মরণ তোমায় কোনদিনও
পারবে না কভু কেড়ে নিতে
ও…সুখে দুঃখে আমি তোমাকেই কাছে ডাকবো।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

বিমূর্ত এই রাত্রি আমার
মৌনতার সুতোয় বোনা
একটি রঙিন চাদর।
সেই চাদরের ভাঁজে ভাঁজে,
নিঃশ্বাসেরই ছোঁয়া
আছে ভালোবাসার আদর।।
কামনার গোলাপ রাঙা,
সুন্দর একটি রাত্রিতে।
নিরব মনের বর্ষা,
আনে শ্রাবণ-ভাদর।
সেই বরষায় ঝড়ো ঝরে
নিঃশ্বাসেরই ছোঁয়া
আর ভালোবাসার আদর।।
ঝরে পড়ে ফুলের মতো
মিষ্টি কথার প্রতিধ্বনি
ছড়ায় আতর
যেন ছড়ায় আতর।
পরিভেদহীন সংজ্ঞা মুখিনীর মন আঁধার
কম্পন কাতর। (২)
নিয়ম ভাঙার নিয়মে যে (২)
থাক না বাধার পাথর।
কোমল আঘাত প্রতি-আঘাত,
রাত্রি নিথর কাতর।।
দূরের আর্তনাদের নদী,
ক্রন্দন কোনো ঘাটের। (২)
ভ্রুক্ষেপ নেই, পেয়েছি আমি,
আলিঙনের সাগর,
সেই সাগরের স্রোতেই আছে
নিঃশ্বাসেরই ছোঁয়া,
আর ভালোবাসার আদর।।

[গানটি গেয়েছেন ভূপেন হাজারিকা]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

এই কি হলো…কেন হলো
কবে হলো…জানি না।
শুরু হলো…শেষ হলো
কি যে হলো…জানি না তো।।
কেউ বোঝে কি না বোঝে হায়
আমি শুধু বুঝি।
এই আঁধারে ভুল করে হায়
আলো মিছে খুঁজি।
মেঘ মরুতে চায় কি দেখা
দিন যায় একা একা…একা।।
কেউ ভাবে কি না ভাবে হায়
আমি শুধু ভাবি।
যে প্রেম দিতে জানে
তার নিয়ে কোনো দাবী।
মনে পরে কেন তারে
মনে পরে বারে বারে (তারে)।।

[গানটি গেয়েছেন কিশোর কুমার]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

চেনা চেনা লাগে তবু অচেনা,
ভালোবাসো যদি কাছে এসো না।।
এলোমেলো পথে চলা,
মনে মনে কথা বলা
আকাশ ভরা স্বপ্ন ঝরা
আকুল করা বেদনা।।
তুমি আমি যেন নদী
চলে যাব নিরবধি
অজানা দেশে যেখানে এসে
আঁধারে মেশে জ্যোছনা।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আকাশের হাতে আছে এক রাশ নীল,
বাতাসের আছে কিছু গন্ধ।
রাত্রির গায়ে জ্বলে জোনাকী
তটিনীর বুকে মৃদু ছন্দ।।
আমার এ দু’হাত শুধু রিক্ত,
আমার এ দু’চোখ জলে সিক্ত।
বুক ভরা নীরবতা নিয়ে অকারণ
আমার এ দুয়ার হলো বন্ধ।।
ভেবে তো পাইনি আমি
কি হলো আমার।
লজ্জা প্রহরে কেন,
খোলে নাকো দ্বার।
জানি না কেমন করে বলব,
খেয়ালে কতই ভেসে চলব।
বলি বলি করে তবু বলা হলো না।
জানি না কিসে এতো দ্বন্দ্ব।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আমার পূজার ফুল
ভালোবাসা হয়ে গেছে
তুমি যেন ভুল বুঝোনা
মালা গেঁথে রেখেছি
পরাবো তোমায়
তুমি যেন ছিঁড়ে ফেলোনা।।
যে কথা যায়না বলা
শুধু বোঝা যায়
মনের গভীরে
শুধু আলো হয়ে যায়
সে রঙিন আলোর দীপ কোনদিনও
নিভে যাবেনা।।
জানিনা কেমন করে কি দেবো তোমায়
মন ছাড়া আর কিছু নেইতো আমার
সুখের শ্রাবণ যদি মেঘ নিয়ে আসে
ভিজে যাবো অঙ্গনে তোমার বরষায় বসে
বিজলীর আগুনেতে লেখা নাম
কোনদিনও মুছে যাবেনা।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

সুখে থাকো ও আমার নন্দিনী
হয়ে কারো ঘরনী
জেনে রাখো প্রাসাদেরও বন্দিনী
প্রেম কভূ মরেনি।।
চলে গেছো কিছুতো বলে যাও নি
পিছুতো ফিরে চাও নি
আমিও পিছু ডাকিনি
বাধা হয়ে বাঁধিনি।।
ভুলে আছো কখনো মনে করো নি
দু’ফোটা জলও ফেলো নি
আমি তো ভুলে থাকিনি
রাখি খুলে রাখিনি।।
সুখে থাকো ও আমার নন্দিনী
হয়ে কারো ঘরনী
জেনে রাখো প্রাসাদেরও বন্দিনী
প্রেম কভূ মরেনি।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

প্রথমত:, আমি তোমাকে চাই
দ্বিতীয়ত:, আমি তোমাকে চাই
তৃতীয়ত:, আমি তোমাকে চাই
শেষ পর্যন্ত তোমাকে চাই।।
নিঝুম অন্ধকারে তোমাকে চাই
রাতভোর হলে আমি তোমাকে চাই
সকালের কৈশোরে তোমাকে চাই
সন্ধের অবকাশে তোমাকে চাই।।
বৈশাখী ঝড়ে আমি তোমাকে চাই
আষাঢ়ের মেঘে আমি তোমাকে চাই
শ্রাবণে শ্রাবণে আমি তোমাকে চাই
অকালবোধনে আমি তোমাকে চাই।।
কবেকার কলকাতা শহরের পথে
পুরোনো নতুন মুখ ঘরে ইমারতে
অগুন্তি মানুষের ক্লান্ত মিছিলে
অচেনা ছুটির ছোঁয়া তুমি এনে দিলে
নাগরিক ক্লান্তিতে তোমাকে চাই
এক ফোঁটা শান্তিতে তোমাকে চাই
বহুদূর হেঁটে এসে তোমাকে চাই
এ জীবন ভালোবেসে তোমাকে চাই।।
চৌরাস্তার মোড়ে পার্কে দোকানে
শহরে গঞ্জে গ্রামে এখানে ওখানে
স্টেশন টার্মিনাস ঘাটে বন্দরে
অচেনা ড্রয়িংরুমে চেনা অন্দরে
বালিশ তোশক কাঁথা পুরোনো চাদরে
ঠান্ডা শীতের রাতে লেপের আদরে
কড়িকাঠে চৌকাঠে মাদুরে পাপোশে
হাসি রাগ অভিমানে ঝগড়া আপোসে
তোমাকে চাই, তোমাকে চাই, তোমাকে চাই, তোমাকে চাই
এক কাপ চায়ে আমি তোমাকে চাই
ডাইনে ও বাঁয়ে আমি তোমাকে চাই
দেখা না দেখায় আমি তোমাকে চাই
না-বলা কথায় আমি তোমাকে চাই।।
শীর্ষেন্দুর কোন নতুন নভেলে
হঠাত্ পড়তে বসা আবোলতাবোলে
অবোধ্য কবিতায় ঠুংরি খেয়ালে
স্লোগানে স্লোগানে ঢাকা দেয়ালে দেয়ালে।।
সলিল চৌধুরীর ফেলে আসা গানে
চৌরাশিয়ার বাঁশি মুখরিত প্রাণে
ভুলে যাওয়া হিমাংশু দত্তর সুরে
কোন্ কবেকার অনুরোধের আসরে
তোমাকে চাই, তোমাকে চাই, তোমাকে চাই, তোমাকে চাই
অনুরোধে মিনতিতে তোমাকে চাই
বেদনার আর্তিতে তোমাকে চাই
দাবীদাওয়া চাহিদায় তোমাকে চাই
লজ্জাদ্বিধায় আমি তোমাকে চাই
অধিকার বুঝে নেওয়া প্রখর দাবীতে
সারারাত জেগে আঁকা লড়াকু ছবিতে
ছিপছিপে কবিতার ছন্দে ভাষায়
গদ্যের যুক্তিতে বাঁচার আশায়
শ্রেণীহীন সমাজের চির বাসনায়
দিনবদলের খিদে ভরা চেতনায়
দ্বিধাদ্বন্দের দিন ঘোচার স্বপ্নে
সাম্যবাদের গান ঘুমে জাগরণে
বিক্ষোভে বিপ্লবে তোমাকে চাই
ভীষণ অসম্ভবে তোমাকে চাই
শান্তি অশান্তিতে তোমাকে চাই
এই বিভ্রান্তিতে তোমাকে চাই।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আমার এই জীবন মরণ শুধুই তোমার
আর কারো নয়
তুমি যে ভালোবাসায় ভরিয়ে দিলে
আমার হৃদয়।।
তোমারি মনের কাছে শিখে নিলাম আমি
জগতে প্রেম যে হলো সবার চেয়ে দামী
এতোদিন যা পেয়েছি আসল সে নয় নকল প্রণয়
তুমি যে ভালোবাসার ভরিয়ে দিলে আমার হৃদয়।।
কাগজের ফুলের বাগান অনেক দূরে ফেলে
তুমি যে সত্যিকারের গোলাপ হয়ে এলে
গন্ধেই চিনিয়ে দিলে তোমার প্রাণের সব পরিচয়
তুমি যে ভালোবাসার ভরিয়ে দিলে আমার হৃদয়।।

[গানটি গেয়েছেন বাপ্পী লাহিড়ী]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

কি যাদু করিলা
পিরিতি শিখাইয়া
থাকিতে পারিনা ঘরেতে
প্রাণ সজনী
থাকিতে পারিনা ঘরেতে
কি মন্ত্র পড়িলা
ভাবেতে মজাইলা
থাকিতে পারিনা ঘরেতে
প্রাণ সজনী
থাকিতে পারিনা ঘরেতে।।
নয়ন জুড়াইলা
পরান কাড়িলা
মরমে বাজাইলা
মধুর বাঁশী
পড়ে গো ধলিয়া
হাসিয়া হাসিয়া
তোমারি মুখেতে
পূর্ণ শশী
কি কথা কহিয়া
পাগল বানাইলা
কিছুতে পারিনা সহিতে
প্রাণ সজনী
কিছুতে পারিনা সহিতে।।
আমার লাগিয়া
নিরালে বসিয়া
তোমারে যতনে গড়িল বিধি
মরিব মরণে
তোমারি বিহনে
তোমারে জীবনে না পাই যদি
কি মালা গাঁথিলা
আমারে পরাইলা
কিছুতে পারিনা খুলিতে
প্রাণ সজনী
কিছুতে পারিনা খুলিতে।।

[গানটি গেয়েছেন সাবিনা ইয়াসমীন ও এ্যান্ড্রু কিশোর]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

বাদলা দিনে মনে পড়ে ছেলেবেলার গান
বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদে এলো বান।
যদি ডেকে বলি, এসো হাত ধরো.. চলো ভিজি আজ বৃষ্টিতে
এসো গান করি মেঘো মল্লারে.. করুনাধারা দৃষ্টিতে
আসবে না তুমি… জানি আমি জানি।।
অকারনে তবু কেন কাছে ডাকি.. কেন মরে যাই তৃষ্ণা তে
এইই এসো.. চলো জলে ভিজি শ্রাবণ রাতের বৃষ্টিতে।।
কত না প্রণয়.. ভালোবাসা বাসি
অশ্রু সজল কত হাসাহাসি।
চোখে চোখ রাখা জলছবি আঁকা
বকুল কোন ধাগাতে
কাছে থেকেও তুমি কত দূরে
আমি মরে যাই তৃষ্ণাতে
চলো ভিজি আজ বৃষ্টিতে।।
যদি ডেকে বলি, এসো হাত ধরো.. চলো ভিজি আজ বৃষ্টিতে
এসো গান করি মেঘো মল্লারে.. করুনাধারা দৃষ্টিতে
আসবে না তুমি… জানি আমি জানি।।
অকারনে তবু কেন কাছে ডাকি.. কেন মরে যাই তৃষ্ণা তে
এইই এসো.. চলো জলে ভিজি শ্রাবণ রাতের বৃষ্টিতে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আজ এই দিনটাকে
মনের খাতায় লিখে রাখো
আমায় পড়বে মনে
কাছে দূরে যেখানেই থাকো।।
হাওয়ার গল্প আর
পাখীদের গান শুনে শুনে
আজ এই ফাল্গুনে
দুটি চোখে স্বপ্ন শুধু আঁকো।।
এসো আজ সারাদিন
বসে নয় থাকি পাশাপাশি
আজ শুধু ভালোবাসা বাসি
শুধু গান আর হাসাহাসি।।
রঙের বরষা ঐ
নেমেছে যে দেখো ফুলে ফুলে
দুটি হাত তুলে
আমাকে আরো কাছে ডাকো।।

[গানটি গেয়েছেন কিশোর কুমার]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আগে যদি জানতাম তবে মন ফিরে চাইতাম
এই জ্বালা আর প্রাণে সহে না
ও মন রে…
কিসের তরে রয়ে গেলি তুই।।
বলেছিলি তুই যে আমায়
আমি নাকি ভুলে যাবো
ভুলে আমি ঠিকই তো যেতাম
পোড়া মনে তোরই কথা
বারে বারে বেজে ওঠে
তাই তোকে আর ভোলা হলো না রে
এই জ্বালা আর প্রাণে সহে না রে।।
জানিনা কেনো যে আমায়
একা ফেলে চলে গেলি
ভুলেও কি মনে পড়ে না
তোরই মতো কোনদিনও
আমিও যে ভুলে যাবো
তবু এই জ্বালা প্রাণে সইবো না রে
এই জ্বালা আর প্রাণে সহে না।।

[গানটি গেয়েছেন লাকী আখন্দ]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

ঐ ঝিনুক ফোঁটা সাগর বেলায়
আমার ইচ্ছে করে।
আমি মন ভেজাব ঢেউয়ের মেলায়
তোমার হাতটি ধরে।।
আকাশ থেকে ফেলবে ছায়া
মেঘে ভেসে যাওয়া,
শুনব দু’জন কি বলে যায়
উদাস দক্ষিণ হাওয়া।
দূরের ওই গাঙচিলেরা
নামবে জলের প’রে।।
আমার চোখে চোখটি ছুঁয়ে
বলবে কথা তুমি,
পাখির ডানায় দৃষ্টি রেখে
শুনব নিরব আমি।
বুকের সব ইচ্ছেগুলো
বাজবে নতুন সুরে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

জীবনের ছককাটা চত্বর
কাঠ ফাটা রোদ্দুরে পুড়ছে
কুয়াশার স্বাক্ষর ধোঁয়াটে
মনের আকাশ কোণে উড়ছে।।
জীবন দাবার এই খেলাতে
প্রহরের নাই কোন স্বস্তি
এলোমেলো চাল শুধু মেলাতে
কালের চাকায় ওই ঘুরছে।।
মানুষের শুধুই কি পরাজয়
নিয়তির হাতে চির বন্দী
ব্যর্থতা হতাশায় দিন রাত
ন্যায়-অন্যায়ের এই সন্ধি।।
সেই ছকে তুমি আমি সব্বাই
পরাস্ত রাজা এক পলাতক
ঘুরে মরি যদি কোন পথ পাই
ক্ষীণ আশা তাই মন জুড়ছে।।

[গানটি লিখেছেন নাজিম মাহমুদ ও গেয়েছেন সাধন সরকার]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

জন্মিলে মরিতে হবে রে জানে তো সবাই
তবু মরণে মরণে অনেক
ফারাক আছে ভাই রে, সব মরণ নয় সমান।।
রক্তচোষার উস্কানিতে, জনতার দুশমনিতে,
সারা জনম গেলে কেটে মরণ যদি আসে
ওরে সেই মরণের ভার দেখে ভাই,
পাখীর পালক হাসে রে, সব মরণ নয় সমান।।
জীবন উৎসর্গ করে সবহারা জনতার তরে
মরণ যদি হয়,
ওরে তাহার ভারে হার মানে ঐ
পাহাড় হিমালয় রে, সব মরণ নয় সমান।।

[গানটির কথা লিখেছে, সুর করেছেন ও গেয়েছেন প্রতুল মুখোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

এখানে দুজনে নির্জনে
সাজাবো প্রেমেরও পৃথিবী
পাখি শোনাবে যে গান
সুরে ভরে দেবে প্রাণ
ফুল দেবে ছড়িয়ে সুরভি।।
তুমি আমি হয়ে যাবো একাকার
প্রেম ছাড়া রবে না কিছু আর
তুমি সূর্য তুমি চন্দ্র
আমার দুটি নয়নে।।
এসো এসো হৃদয়েরও বিছানায়
দিন যেন এভাবেই কেটে যায়
আমি ধন্য আমি পূর্ণ
তোমায় পেয়ে জীবনে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

শুধু গান গেয়ে পরিচয়
চলার পথে ক্ষণিক দেখা
একি শুধু অভিনয়।।
এই অবুঝ মনে কে যে ক্ষণে ক্ষণে
চুপি চুপি দোলা দেয়
ওগো জোছনা তুমি বলো না
কেন যে উতলা এ হৃদয়।।
জানি সাঁঝের বেলা ফেলে সকল খেলা
নীড়ে পাখি ফিরে যায়
তবু আকাশে, গানের আভাসে
চলারো কাহিনী লেখা রয়।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

ভালোবাসা যত বড়
জীবন তত বড় নয়
তোমায় নিয়ে হাজার বছর
বাঁচতে বড় ইচ্ছে হয়।।
বড় দেরী করে দেখা হলো
হলো চেনা-জানা
আরো দিন গেল কেটে
মনেরই ঠিকানা
হায় জন্ম থেকেই হয়নি কেন
তোমার আমার পরিচয়।।
শুধু কিছুদিন পাশে পেয়ে
ফুরাবে না আশা
কবে যে মরণ ঝড়ে
ভেঙে যাবে বাসা
হায় সব পেয়েছি তাই কি আমার
সব হারানোর এত ভয়।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

পৃথিবী বদলে গেছে
যা দেখি নতুন লাগে
তুমি আমি একই আছি
দু’জনে যা ছিলাম আগে।।
সময় চিরদিন শুধুই বয়ে যায়
থেমে সে তো থাকে না
কত ঝড় মেঘ আসে চলে যায়
আকাশ মনে রাখে না
শুধু প্রথম জীবনের ভালোবাসা
স্বপ্নেরই মতো জাগে।।
পড়ে কি মনে তুমি আমি
এই পথ ধরে যেতাম
ভালোই হতো সেই দিনগুলো
ফিরে যদি পেতাম
সেই তোমাকে পাবো নাকি
আজ প্রাণের অনুরাগে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

মনে আগুন জ্বলে চোখে কেন জ্বলে না
চোখেতে সাগর আছে আগুন যে সই ধরে না।।
নয়ন সাগর তাই ভরেছি কান্নায়
মনের জ্বালা যদি ভেসে যায় বন্যায়
প্রেমের এ আগুন তবু চোখের জলে নেভে না।।
জলে নিশিদিন বুঝেছি জীবনে
পিরীতের জ্বালা মরে না মরণে।
মন পাখি বেঁধে রাখি কোথা সে পিঞ্জর
আগুনে পুড়েছে পাখা হৃদয় জর্জর
প্রেমের পিঞ্জর ছাড়া মন তো বাঁধা পড়ে না।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আকাশ প্রদীপ জ্বলে দূরের তারার পানে চেয়ে,
আমার নয়ন দু’টি শুধুই তোমারে চাহে
ব্যথার বাদলে যায় ছেয়ে।।
বয়ে চলে আঁধি আর রাত্রি
আমি যেন দিশাহীন যাত্রী
দূর অজানার পারে
আকুল আশার খেয়া বেয়ে।।
কত কাল আর কত কাল
এই পথচলা ওগো চলবে
কত রাত এই হিয়া
আকাশ প্রদীপ হয়ে জ্বলবে
কোনো রাতে মনে কি গো পড়বে
ব্যথা হয়ে আঁখি জল ঝরবে
বাতাস আকুল হবে
তোমার নিঃশ্বাসটুকু পেয়ে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আমার সারা দেহ খেওগো মাটি
এই চোখ দুটি মাটি খেও না
আমি মরে গেলেও তারে দেখার স্বাধ
মিটবে নারে মিটবে না।
তারে এক জনমে ভালোবেসে
ভরবে না মন ভরবে না।।
ওরে ইচ্ছা করে বুকের ভেতর
লুকিয়ে রাখি তারে
যেন না পারে সে যেতে আমায়
কোনো দিনও ছেড়ে।
আমি এই জগতে তারে ছাড়া
থাকবো নারে থাকবো না।।
ওরে এই না ভুবন ছাড়তে হবে
দু’দিন আগে-পরে
বিধি একই সঙ্গে রেখো মোদের
একই মাটির ঘরে।
আমি ঐনা ঘরে থাকতে একা
পারবো নারে পারবো না।।

[গানটি লিখেছেন ও সুর করেছেন আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল এবং গেয়েছেন এ্যান্ড্রু কিশোর]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

কফি হাউজের সেই আড্ডাটা আজ আর নেই, আজ আর নেই,
কোথায় হারিয়ে গেল সোনালী বিকেলগুলো সেই, আজ আর নেই।
নিখিলেশ প্যারিসে মৈদুল ঢাকাতে নেই তারা আজ কোনো খবরে,
গ্র্যান্ডের গীটারিস্ট গোয়ানিজ ডিসুজা ঘুমিয়ে আছে যে আজ কবরে
কাকে যেন ভালোবেসে আঘাত পেয়ে যে শেষে পাগলা গারদে আছে রমা রায়,
অমলটা ধুঁকছে দুরন্ত ক্যান্সারে জীবন করেনি তাকে ক্ষমা হায়।।
সুজাতাই আজ শুধু সবচেয়ে সুখে আছে, শুনেছি যে লাখপতি স্বামী তার,
হীরে আর জহরতে আগাগোড়া মোরা সে, বাড়ি-গাড়ী সবকিছু দামী তার,
আর্ট কলেজের ছেলে নিখিলেশ সান্যাল বিজ্ঞাপনের ছবি আঁকত,
আর চোখ ভরা কথা নিয়ে নির্বাক শ্রোতা হয়ে ডিসুজাটা বসে শুধু থাকত।।
একটা টেবিলে সেই তিন চার ঘন্টা চারমিনার ঠোঁটে জ্বলত
কখনো বিষ্ণু দে কখনো যামিনী রায় এই নিয়ে তর্কটা চলত
রোদ-ঝড়-বৃষ্টিতে যেখানেই যে থাকুক কাজ সেরে ঠিক এসে জুটতাম
চারটেতে শুরু করে জমিয়ে আড্ডা মেরে সাড়ে সাতটায় ঠিক উঠতাম।।
কবি কবি চেহারা কাঁধেতে ঝোলানো ব্যাগ মুছে যাবে অমলের নামটা
একটা কবিতা তার হলো না কোথাও ছাপা পেল না সে প্রতিভার দাম তার
অফিসে সোস্যালে অ্যামেচার নাটকে রমা অভিনয় করত,
কাগজের রিপোর্টার মৈদুল এসে রোজ কি লিখেছে তাই শুধু পড়ত।।
সেই সাতজন নেই আজ টেবিলটা তবু আছে, সাতটা পেয়ালা আজও খালি নেই,
একই সে বাগানে এসেছে নতুন কুঁড়ি শুধু সেই সেদিনের মালী নেই
কত স্বপ্নের রোদ ওঠে এই কফি হাউজে কত স্বপ্ন মেঘে ঢেকে যায়
কতজন এলো গেলো কতজনই আসবে কফি হাউজটা শুধু থেকে যায়।।

[গানটি গেয়েছেন মান্না দে ও সুর করেছেন সুপর্ণ কান্তি ঘোষ]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

কি করে বলিব আমার মনে বড় জ্বালা
মনে বড় জ্বালা…
কেউ কোনোদিন আমারে তো কথা দিলো না
বিনি সুতার মালাখানি গাঁথা হইলো না।।
ও…এই জ্বালা যে এমন জ্বালা
যায় না তারে বলা
বুঝতে গেলে সোনার অঙ্গ পুড়ে হবে কালা…
ও…লালন মরলো জল পিপাসায়
থাকতে নদী মেঘনা
(আমার) হাতের কাছে ভরা কলস
তৃষ্ণা মেটানা।।
ও…ভালোবাসার অপরাধে হয়েছিলাম দোষী
তাই বলে কি থেমেছিলো…বলো
তাই বলে কি থেমেছিলো কদম তলার বাঁশী
ও…দংশীলে পিরিতের বিষে
ওঝা মেলে নারে
এই মরণ যে সুখের মরণ
দেখলাম জনম ভরে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

একবার যদি কেউ ভালোবাসতো
আমার নয়ন দু’টি জলে ভাসতো আর ভালোবাসতো
এ জীবন তবু কিছু না কিছু পেত।।
যদি এমন হতো একটি কথা
আমায় বলে কেউ ভেঙ্গে দিত সব নীরবতা
এ জীবন তবু কিছু না কিছু পেত
আমার নয়ন দু’টি জলে ভাসতো আর ভালোবাসতো।।
যদি এমন হতো একটি শ্রাবণ
আমায় কাঁদিয়ে বলে যেত সে
এই তো মরণ
এ জীবন তবু কিছু না কিছু পেত
আমার নয় দু’টি জলে ভাসতো আর ভালোবাসতো।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

এই দুনিয়া এখন তো আর সেই দুনিয়া নাই
মানুষ নামের মানুষ আছে
দুনিয়া বোঝাই
এই মানুষের ভীড়ে আমার
সেই মানুষ নাই।।
এই মাটির দেহ খাইলো ঘুনে
দেখলো না তো কেউ
সারা জীবন দুই নয়নে
রইলো জলের ঢেউ
আমার দুঃখের কথা কইতে গেলে
এই দুনিয়ার সবাই বলে
শোনার সময় নাই।।
হায় এখন বুঝি দারুণ সময়
বদলে গেছে দিন
কেউ আমারে চায় না দিতে
একটু সময় ঋণ
আমার মনের বাগান রইলো খালি
সে বাগানের সুজন মালি
বলো কোথায় পাই।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

পাহাড়ের কান্না দেখে তোমরা তাকে ঝরণা বলো
ওই পাহাড়টা বোবা বলেই কিছু বলে না
তোমরা কেন বোঝো না যে
কারো বুকের দুঃখ নিয়ে কাব্য চলে না।।
ধরতে বুকে এক ফোটা জল
কেউ জানে না কত ব্যথায় মেঘের হৃদয় হলো কাজল
তোমরা দেখো বৃষ্টি নুপূর
দেখোনা, আঘাত ছাড়া মেঘ তো গলে না
ওই কালো মেঘ বোবা বলেই কিছু বলে না
তোমরা কেন বোঝো না যে
কারো বুকের দুঃখ নিয়ে কাব্য চলে না।।
ফুটতে বনে এক গোছা ফুল
কেউ জানে না কি আগুনে রঙের নেশায় হলো আকুল
তোমরা দেখো মিষ্টি বরণ
দেখোনা, দহন ছাড়া অগ্নি জ্বলে না
ওই ফোটা ফুল বোবা বলেই কিছু বলে না
তোমরা কেন বোঝো না যে
কারো বুকের দুঃখ নিয়ে কাব্য চলে না।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আমার বুকের মধ্যেখানে মন যেখানে হৃদয় যেখানে
সেখানে তোমাকে আমি রেখেছি কত না যতনে।।
তোমায় নিয়ে নাও ভাসিয়ে যাব তেপান্তর
ভালোবাসার ঘর বানিয়ে হব দেশান্তর
তোমার কত ভালোবাসি
বোঝাব বোঝাব কেমনে।।
সাগরেরই টানে যেমন নদী ছুটে যায়
তেমনি করে আমার এ মন
তোমায় পেতে চায়
তুমি আমার জীবন তরী
তুমি আমার আলো নয়নে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

তুমি যে আমার ওগো তুমি যে আমার
কানে কানে শুধু একবার বলো তুমি যে আমার।।
আমার পরানে আসি তুমি যে বাজালে বাঁশি
সেই তো আমার সাধনা চাইনা তো কিছু আর।।
তুমি যে আমার দিশা অকূল অন্ধকারে
দাওগো আমারে ভরে নীরব অহংকারে
জীবন মরুর মাঝে এসো গো বধূর সাজে
সেই তো আমারই জীবনে তোমারই অভিসার।।

[গানটি লিখেছেন গৌরিপ্রসন্ন মজুমদার, সুর করেছেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায় এবং গেয়েছেন গীতা দত্ত]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

জীবনানন্দ হয়ে সংসারে আজো আমি
সব কিছু ভুলে যেন করিলেম দেন
তুমিও তো বেশ আছো, ভালোই আছো
কবিতায় পড়া সেই বনলতা সেন।।
টানা টানা চোখে কালি পড়েনি কোন
হাসলেও গালে টোল পড়ে এখনো
কি জাদু জানো তা বিধাতা জানেন
কবিতায় পড়া সেই বনলতা সেন।।
পরিপাটি বেশবাস তেমনি আছে
ঘটনার কোন রেশ নেই তো কাছে
এভাবে সবাই কি থাকতে পারে
কবিতায় পড়া সেই বনলতা সেন।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

দোলে দোদুল দোলে ঝুলনা
দোলে কৃষ্ণ দোলে ঝুলনা
দোলে রাই (দোলে) ঝুলনা
দোলে দোদুল নাই তুলনা।।
রাধারও অধরে জাগে হাসি
কহিছে ডেকে শ্যামেরই বাঁশি
এ লগন রাই ভুলনা।।
সা নি পা নি সা রে নি সা
গা রে মা গা পা নি সা রে
গা রে সা নি ধা পা মা গা রে সা
দোলে সুখে পাখা দোলে সুখসারি
ময়ূরী দোলে প্রেম অভিসারী
এ রাতের নাই তুলনা
এ লগন রাই ভুলনা।।
মাধব কহিছে ওগো রাধা
তুমি আমি একই সুরে বাঁধা
এ বাঁধন কভু খুলোনা।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আজ মন চেয়েছে আমি হারিয়ে যাব
হারিয়ে যাব আমি তোমার সাথে
সেই অঙ্গীকারের রাখী পরিয়ে দিতে
কিছু সময় রেখো তোমার হাতে।।
কিছু স্বপ্নে দেখা, কিছু গল্পে শোনা
ছিলো কল্পনা জাল এই প্রাণে বোনা
তার অনুরাগের রাঙা তুলির ছোঁয়া
নাও বুলিয়ে নয়ন পাতে।।
তুমি ভাসাও আমায় এই চলার স্রোতে
চির সাথী হয়ে রইব পথে।
তাই যা দেখি আজ সবই ভালো লাগে
এই নতুন গানের সুরে ছন্দ রাগে
কেন দিনের আলোর মতো সহজ হয়ে
এলে আমার গহন রাতে।।

[গানটি গেয়েছেন লতা মুঙ্গেশকর]

{গানটি পড়া না গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

এই কূলে আমি আর ওই কূলে তুমি
মাঝখানে নদী ওই বয়ে চলে যায়
তবুও তোমার আমি পাই ওগো সাড়া
দুটি পাখি দুটি কূলে গান যেন গায়।।
যুগে যুগে তুমি মোরে, বেঁধেছিলে ফুল ডোরে
তাই আজ বসে থাকি আশায় আশায়।।
দূরে আছো তবু কথা হয় বিনিময়
জানো না তো কি নিবিড় এই পরিচয়।
দেখি আমি চোখ মেলে, মনেরও মাধুরী ঢেলে
তুমি যে গো ভেসে এলে প্রাণের খেয়ায়।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

মার স্নেহ কাকে বলে জানিনা
বাবার মমতা কি বুঝতে না বুঝতেই
এ বিরাট পৃথিবীতে দেখলাম
সে ছাড়া আমার আর কেউ নেই
সে আমার ছোট বোন…বড় আদরের ছোট বোন।।
ভালো করে যখন সে কথা শেখেনি
তখন থেকেই সে গেয়ে যেত গান
বাজনার হাত ছিল ভালই আমার
তার সাথে বাজাতাম দিয়ে মন-প্রাণ
রাস্তায় ভিড় করে শুনত সবাই
অবাক হতো যে কত জ্ঞানী-গুণীজন।।
ভোর বেলা তার গানে ঘুম ভাঙত
রাতে তাকে বাজনায় ঘুম পাড়াতাম
ভাইয়ের বাজনা আর বোনের গানে
সহজ সরল সেই দিন কাটাতাম
ছোট্ট একটি ঘর এ দু’টি মানুষ
এই ছিল আমাদের সুখের জীবন।।
একদিন যখন সে একটু বড়
প্রথম সুযোগ এলো এক জলসায়
মুগ্ধ শ্রোতারা তার কন্ঠ শুনে
দু’হাত ভরালো তার ফুলের তোড়ায়
ঘরে এসে আমায় সে করল প্রণাম
প্রথম ভরলো জলে আমার নয়ন।।
তারপর কি যে হলো গান শুধু গান
ছড়িয়ে পড়লো তার আরো বেশী নাম
শ্রোতারা উজার করে দিলো উপহার
দিল না সময় শুধু নিতে বিশ্রাম
ক্লান্তির ক্ষমা নেই ওদের কাছে
আরো বেশী দিতে হবে বুঝে নিলো মন।।
একদিন শহরের সেরা জলসা
সেদিনই গলায় তার দারুণ জ্বালা
তবুও শ্রোতারা তাকে দিল না ছুটি
শেষ গান গাইলো সে পড়ে শেষ মালা
শিল্পের জন্য শিল্পী শুধু
এছাড়া নেই যে তার অন্য জীবন
নীরব হলো ছোট বোন
বড় আদরের ছোট বোন।।
তার গান থেমে গেছে নেই শ্রোতা আর
আমি একা বসে আছি স্মৃতি নিয়ে তার
আনন্দ নিয়ে গেছে ওরা সকলে
দুঃখটা হোক আজ শুধুই আমার
অনুযোগ এতো নয় এই শিল্পীর
ভাই বোন সকলেরই ভাগ্য লিখন।।

[গানটি লিখেছেন পুলক বন্দোপাধ্যায়, সুর করেছেন সুপর্ণ কান্তি ঘোষ ও গেয়েছেন মান্না দে]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

খুব জানতে ইচ্ছে করে
খুব জানতে ইচ্ছে করে
তুমি কি সেই আগের মতই আছো
নাকি অনেকখানি বদলে গেছ।।
এখনো কি প্রথম সকাল হলে
স্নানটি সেরে পূজার ফুল তুলে
পূজার ছলে আমারই কথা ভাবো
বসে ঠাকুর ঘরে।।
এখনো কি সন্ধ্যা বেলা
আমার বাড়ি ফেরার সময় পেরিয়ে গেলে
অনেক অভিমানে চোখ দুটো কি জলে ভরে।।
এখনো কি রাত নিঝুম হলে
শরৎ কাহিনী পাশে খোলা পরে থাকে
ব্যাকুল পিয়াসে আমারই পিয়াসে
অন্তর কেঁদে মরে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

যদি কাগজে লেখ নাম, কাগজ ছিড়ে যাবে
পাথরে লেখ নাম, পাথর ক্ষয়ে যাবে
হৃদয়ে লেখ নাম, সে নাম রয়ে যাবে।।
হৃদয় আছে যার সেই তো ভালোবাসে
প্রতিটি মানুষেরই জীবনে প্রেম আসে।
কেউ কি ভেবেছিল শ্যাম কে ভালোবেসে
রাধার ভালোবাসা কাহিনী হয়ে যাবে।।
গভীর হয় গো যেখানে ভালোবাসা
মুখে তো সেখানে থাকে না কোনো ভাষা।
চোখের আড়ালে মাটির নিচে ওই
কোন দুখ চিরদিনই নিরবে বয়ে যাবে।।

[গানটি গেয়েছেন মান্না দে]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

হয়ত তোমারই জন্য হয়েছি প্রেমে যে বন্য
জানি তুমি অনন্য আশার হাত বাড়ায়ে
যদি কখনো এ প্রান্তে
চেয়েছি তোমায় জানতে
শুরু থেকে শেষ প্রান্তে
শুধু ছুটে গেছি তাই।।
আমি যে নিজেই মত্ত
জানি না তোমার শর্ত
যদি বা ঘটে অনর্থ
তবু তোমারে চাই।।
আমি যে দুরন্ত দু’চোখে অনন্ত
ঝড়ের দিগন্ত জুড়েই স্বপ্ন চোরাই
তুমি তো বলনি মন্দ তবু কেন প্রতিবন্ধ
রেখোনা মনের দ্বন্দ সব ছেড়ে চলো যাই।।

[গানটি গেয়েছেন মান্না দে]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

দীপ ছিল শিখা ছিল
শুধু তুমি ছিলে না বলে
আলো জ্বললো না।
ভাষা ছিল কথা ছিল
কাছে ডাকলে না বলে মন
কথা বললো না।।
ঝর্ণা কেমনে হয় নদী
সাগরে ডাকে কভু যদি
তাই যেতে যেতে থামলো সে
বয়ে চললো না।।
বুক ভরা আশা নিয়ে
মন আমার
শুধু শুধু কাছে এলো
পারলো না দিতে কিছু উপহার
যে মালার ফুল গেছে ঝরে
রেখেছি সে ফুল বুকে করে
তার এই ফুল রয়ে গেল
কেউ তুললো না।।

[গানটি গেয়েছেন মান্না দে]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

নাম রেখেছি বনলতা যখন দেখেছি
হয়তবা সেই ক্ষণেই তোমায় ভালোবেসেছি।
বনলতা কও কথা, হয়ো না গো কুন্ঠীতা
দ্বিধা থরথর মনেই তাইনা এসেছি।।
জলভরা মেঘ ওই দুচোখে
দেখতে আমি পেয়েছি।
একলা মনে নির্জনেতে
তোমার ছবি এঁকেছি।।
বনলতা কও কথা, হয়ো না গো কুন্ঠীতা।
বনলতা কও কথা, হয়ো না গো কুন্ঠীতা।
একটি কথাই শুনব বলে
তাই তো কাছে এসেছি
বলবে কি গো আমিও তো
তোমায় ভালোবেসেছি।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

নাই টেলিফোন নাইরে পিয়ন নাইরে টেলিগ্রাম
বন্ধুর কাছে মনের খবর কেমনে পৌঁছাইতাম
বন্ধুরে তোর লাগি পরবাসী হইলাম।।
শিমূল যদি আমি হইতাম শিমূলের ডালে
শোভা পাইত রূপ আমার ফাগুনেরও কালে
বিধিরে কেনরে নারী হইতে গেলাম।।
গলায় দিল নিঠুর ফাঁসি পিরিতেরও মালা
কার দেওয়া রাখি হইল আমারও জ্বালা
সখীরে কেনরে ভালোবেসেছিলাম।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

ও আকাশ প্রদীপ জ্বেলো না
ও বাতাস আঁখি মেলো না
আমার প্রিয়া লজ্জা পেতে পারে আহা
কাছে এসেও ফিরে যেতে পারে।।
তার সময় হলো আমায় মালা দেবার
সে যে প্রাণের সুরে গান শোনাবে এবার
সেই সুরেতে ঝর্ণা তুমি চরণ ফেলো না।।
ও পলাশ ফিরে চেও না
ও কোকিল তুমি গেও না
লাজুক লতা হয়ত গো লাজ পাবে
তার মুখের কথা মুখে রয়ে যাবে
তার অনেক ভীরু স্বপ্ন জাগে আশায়
আহা হৃদয় মাঝে সুরের খেয়া ভাসায়
দোহাই বকুল ছন্দে তাহার গন্ধ ঢেলো না।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

ওগো নিরুপমা করিও ক্ষমা
তোমাকে আমার ঘরিনী করিতে
আমার মনের দোসর করিতে
পারিলাম না, পারিলাম না তো কিছুতেই।।
হয়ত তোমার অনেক কিছুই আছে
তবু নেই দাম তার কোনো আমার কাছে।
আমার এ পথ তোমার পথের সাথে
মিলবে না যেন কিছুতেই।।
লতার মতই জড়িয়ে রয়েছ গাছে
বুঝি ফুল ফুটবার সময় এসেছে কাছে।
এমন মধুর ভঙ্গিমা আমি কোনোদিন
ভুলব না যেন কিছুতেই।।

[গানটি গেয়েছেন কিশোর কুমার]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

পিচ ঢালা এই পথটারে ভালোবেসেছি
তার সাথে এই মনটারে বেঁধে নিয়েছি
রঙ ভরা এই শহরে যতই দেখেছি
গোলক ধাঁধার চক্করে ততই পড়েছি।।
সারি সারি জনতার এই যে ভীড়ে
কেউ তো কারো পানে দেখো চায় না ফিরে
তাইতো আমি ভাই এই ভাবটাকে চালাই
এপার ওপার করে শুধু পালিয়ে বেড়াই।
দিন যায় রাত যায় এমনি করে
অলিগলি পথ-ঘাট ঘুরে ঘুরে।।
ছোট ছোট মানুষের অন্ন কেড়ে
বড় বড় বাড়িগুলো উঠছে বেড়ে
তবুই যেথা যাই আরে নাই যে কোনো ঠাঁই
বেঁচে থাকার তরে শুধু নগদ কিছু চাই।
দিন যায় রাত যায় এমনি করে
অলিগলি পথ-ঘাট ঘুরে ঘুরে।।

[গানটি গেয়েছেন আব্দুল জব্বার]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

চিরদিনই তুমি যে আমার
যুগে যুগে আমি তোমারই
আমি আছি সেই যে তোমার
তুমি আছো সেই আমারই
সঙ্গী…সঙ্গী…আমরা অমর সঙ্গী।।
এতো কাছে রয়েছ তুমি
আরো কাছে তোমাকে যে চাই
তুমি ছাড়া এমন আপন
আমার যে আর কেউ নাই।
আমি কি গো তোমাকে ছেড়ে
একা একা থাকতে পারি।।
এ জীবন ফুরিয়ে যেদিন
পাব এক নতুন জীবন
সেদিনও হবে একাকার
দু’জনার এই দুটি মন।
হৃদয়ের সব কবিতায়
ঝড়ে পড়ে ছন্দ তারই।।

{গানটি না পড়তে পারলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

বাঁশি শুনে আর কাজ নাই
সে যে ডাকাতিয়া বাঁশি
সে যে দিন-দুপুরে চুরি করে
রাত্রিরেতে কথা নাই।।
শ্রবণে বিষ ঢালে শুধু বাঁশি
পোড়ায় প্রাণ গড়লে
ঘুচাব তার নষ্টামি আজ আমি
সপিব তাই অনলে।।
ও…বাঁশেতে ঘুণ ধরে যদি কেন
বাঁশিতে ঘুণ ধরে না
কতজনায় মরে শুধু পোড়া
বাঁশি কেন মরে না।।

[গানটি গেয়েছেন শচীন দেব বর্মন]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

তুমি কি দেখেছ কভু জীবনের পরাজয়
বুকের দহনে করুণ রোদনে তীলে তীলে তার ক্ষয়
তীলে তীলে তার ক্ষয়।।
আমি তো দেখেছি কত যে স্বপ্ন মুকুলেই ঝড়ে যায়
শুকনো পাতার মরমরে বাজে কত সুর বেদনায়
আকাশে বাতাসে নিষ্ফল আশা হাহাকার হয়ে রয়।।
প্রতিদিন কত খবর আসে যে কাগজের পাতা বয়ে
জীবন খাতার অনেক খবর রয়ে যায় অগোচরে
কেউ তো জানেনা প্রাণের আকুতি বারে বারে কেন যায়
স্বার্থের টানে প্রিয়জন কেন দূরে সরে চলে যায়
ধরনীর বুকে পাশাপাশি তবু কেউ বুঝি কারো নয়।।

[গানটি গেয়েছেন আব্দুল জব্বার]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

কবিতা পড়ার প্রহর এসেছে রাতের নির্জনে
জোনাকীর আলো নেভে আর জলে
শল মহুয়ার বনে।।
কবিতার সাথে চৈতী রাতে
কেটেছে সময় হাত রেখে হাতে
সেই কথা ভেবে পিছু চাওয়া মোর
স্মৃতির নকশা বুনে।।
অতীতের ছবি আঁকা হয়ে গেলে
চারিদিকে এই চোখ দুটি মেলে
পলাতক আমি কোথা যেন যাই
আঁধারের রিদন শুনে।।

[গানটি গেয়েছেন সামিনা চৌধুরী]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

ও মাঝি নাও ছাইরা দে
ও মাঝি পাল উড়াইয়া দে
গা মাঝি গা কোনো গান।।
একদিন তোর নাও মঝি
ভাসবে নারে নীল নদীর জলে
সেদিন তোর গান মাঝি
শুনবেনা কেউ গাইবে না বলে
গায়ের নৌকা ছাইরা দিবে সুর।।
যন্ত্রের নাও ধোঁয়া ছাইরা
করবে আধার নীল আকাশটারে
সেই দিন তোর নাও মাঝি
শূণ্য হয়ে থাকবে রে পাড়ে
চলরে মাঝি যাই রে বহুদূর।।

[গানটি গেয়েছেন সাবিনা ইয়াসমিন]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

এই মন তোমাকে দিলাম
এই প্রেম তোমাকে দিলাম।
তুমি চোখের আড়াল হও
কাছে কিবা দূরে রও
মনে রেখো আমিও ছিলাম।।
বকুলের মালা শুকাবে
রেখে দেব তার সুরভী
দিন গিয়ে রাতে লুকাবে
মুছো নাকো আমারই ছবি।
আমি মিনতি করে গেলাম।।
ভালোবেসে আমি বার বার
তোমারি ও মনে হারাবো
এই জীবনে আমি যে তোমার
মরণেও তোমারই হব।
তুমি ভুলো না আমারও নাম।।

[গানটি গেয়েছেন সাবিনা ইয়াসমিন]

{গানটি পড়া না গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

অশ্রু দিয়ে লেখা এ গান
যেন ভুলে যেওনা।
একি বন্ধনে বাঁধা দু’জনে
এ বাঁধন খুলে যেওনা।।
যত সুর ছিল প্রাণে
সবই দিয়েছি তোমায়
বিনিময়ে তোমারে শুধু
চিরদিন কাছে পায়।
মালা চন্দনে রাঙা এইখানে
কখনো দূরে যেওনা।।
ওই ফুল বনে পাখি
আজ মন জুড়ে যেন গায়
এই হাত বাড়ানো হাতে
চিরদিন যেন ওগো রয়।
মধু কুমকুমে, নাগো মৌসুমে,
কখনো ফেলে যেওনা।।

[গানটি গেয়েছেন সাবিনা ইয়াসমিন]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আমি মেলা থেকে তাল পাতার এক বাঁশি কিনে এনেছি
বাঁশি কই আগের মতো বাজে না
মন আমার তেমন যেন সাজে না
তবে কি ছেলেবেলা অনেক দূরে ফেলে এসেছি।।
মনে পড়ে উদাস করা নকসী কাঁথার মাঠে
ভুলেই যেতুম খেলায় কখন সূর্য্যি যেত পাতে।
মনের থেকে সেসব ছবি হারিয়ে ফেলেছি।।
এসব কথা থেকে থেকে যখন মনে আসে
কিশোরী দিন স্বপ্ন রঙিন চোখের জলে ভাসে।
হঠাৎ দেখি অনেকটা পথ চলে এসেছি।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আমি দূর হতে তোমারে দেখেছি
আর মুগ্ধ হয়ে চোখে চেয়ে থেকেছি।
বাজে কিনিকিনি রিনিঝিনি
তোমারে যে চিনি চিনি
মনে মনে কত ছবি এঁকেছি।।
ছিলো ভাবে ভরা দুটি আঁখি চঞ্চল
তুমি বাতাসে উড়ালে ভীরু অঞ্চল।
ওই রূপের মাধবী মোর সংশয়ে রেখেছি।।
(যেন) কস্তুরী মৃগ তুমি
আপন গন্ধ ঢেলে
এ হৃদয় ছুঁয়ে গেলে
সে মায়ায় আপনারে ঢেকেছি।
ওই কপোলে দেখেছি লাল পদ্ম
যেন দল মেলে ফুটেছে সে সদ্য।
আমি ভ্রমরের গুঞ্জনে তোমারেই দেখেছি।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

এ নদী এমন নদী
জল চাই একটু যদি
দু’হাত ভরে উষ্ণ বালুই দেয় আমাকে।
এ প্রিয়া এমন প্রিয়া
সোহাগে ভরলে হিয়া
কেবলি কেবলি বিদ্রুপ আর বাঁকা কথাই বলতে থাকে।।
এ প্রিয়ার চোখের পাতা
ছায়াতে হয় না কালো।
কখনো নয়ন তারায়
ঝরে না স্নিগ্ধ আলো
শুধু যে জ্বলে আগুন
তবু তার এমনি গুণ
পুড়বে জেনেও মন যে আমার
তাকেই ডাকে, তাকেই ডাকে।।
এ প্রিয়ার নেই কো জানা
ক্ষমা যে কাকে বলে
মমতা করুণা সে
য্ত না এড়িয়ে চলে।
গরলে ভরা সে প্রাণ
তবু তার এমনি টান
মরবে জেনেও এ প্রাণ আমার
চায় যে তাকে, চায় যে তাকে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

এই সুন্দর স্বর্ণালী সন্ধ্যায়
একি বন্ধনে জড়ালে গো বন্ধু।।
কোন রক্তিম পলাশের স্বপ্ন
মোর অন্তরে ছড়ালে গো বন্ধু।।
আমলকি পেয়ালের কুঞ্জে,
কিছু মৌমাছি এখনো যে গুঞ্জে
জানি কোন সুরে
মোরে ভরালে গো বন্ধু।।
বাতাসের কথা সে তো কথা নয়
রূপ কথা ঝরে তার বাঁশিতে
আমাদেরও মুখে কোন কথা নেই
যেন দুটি আঁখি ভরে
রাখে হাসিতে।।
কিছু পরে দূরে তারা জ্বলবে
হয়তো তখন তুমি বলবে।
কোন মালা গেঁথে গলে
পরালে গো বন্ধু।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

বড় সাধ জাগে, একবার তোমায় দেখি
কতকাল দেখিনি তোমায়, একবার তোমায় দেখি।।
স্মৃতির জানালা খুলে চেয়ে থাকি
চোখ তুলে যতটুকু আলো আসে, সে আলোয় মন ভরে যায়।।
আমার এই অন্ধকারে কত রাত কেটে গেলো
আমি আঁধারেই রয়ে গেলাম।।
তবু ভোরের স্বপ্ন থেকে সেই ছবি
যাই এঁকে রঙে রঙে সুরে সুরে, ওরা যদি গান হয়।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

একটা গান লিখো আমার জন্য
না হয় আমি তোমার কাছে ছিলেম অতি নগণ্য।।
সে গান যেন আমায় উজার করে নেয়
সে সুর যেন আমায় ব্যাকুল করে দেয়
আমি যেন হই তোমার মাঝে ধন্য।।
আমি ছিলাম তোমার প্রেমের প্রথম স্বপ্ন নায়িকা
লিখেছি তোমায় মনের অক্ষরে অনেক চন্দ লিপিকা।
সেদিন আজো আমার মনে পড়ে যায়
এমন করে যেন আমায় খুঁজে পায়
জীবন তরী যে কোথায় সহজ পণ্য।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আশা ছিল ভালোবাসা ছিল
আজ আশা নেই, ভালোবাসা নেই।।
এই সেই কৃষ্ণচূড়া
যার তলে দাঁড়িয়ে
চোখে চোখ হাতে হাত
কথা যেত হারিয়ে
আজ এখানে আমার আশার সমাধি
ব্যথা জানাবার ভাষা নেই
আশা নেই, ভালোবাসা নেই।।
আজ তুমি কতদূরে
মুছে গেছ মরণে
নেই কাছে তবু আছ
ব্যথা ভরা স্মরণে
ফিরে চলে যায়
যে সময় হায় একবার
তার যাওয়া আছে আশা নেই
আজ আশা নেই, ভালোবাসা নেই।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

সবাই তো সুখী হতে চায়
তবু কেউ সুখী হয়, কেউ হয়না।
জানিনা বলে যা লোকে সত্যি কিনা?
কপালে সবার নাকি সুখ সয় না।।
আশায় আশায় তবু এই আমি থাকি,
যদি আসে কোনোদিন সেই সুখপাখি
এই চেয়ে থাকা আর প্রাণে সয় না।।
ভালোবেসে সুখী হতে বলো কে না চায়?
রাধা সুখী হয়েছিল সেই শ্যাম রায়।
আমিও রাধার মতো ভালোবেসে যাবো,
হয় কিছু পাবো নয় সবই হারাবো
এই চেয়ে থাকা আর প্রাণে সয় না।।

{গানটি পড়া না গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

বসে আছি পথ চেয়ে
ফাগুনেরও গান গেয়ে
যত ভাবি ভুলে যাবো
মন মানে না।।
বেদনার শতদলে স্মৃতিরও সুরভি জ্বলে
নিশীথেরও মন বিনা সুর জানে না।।
আজ তুমি নেই সাথে
ভুলে থাকা ছলনাতে
মনে মনে ভাবি শুধু তোমারি কথা
পাওয়া না পাওয়ার মাঝে
অচেনারও সুর বাজে
সুরভিত বিরহের মর্ম ব্যথা।
তুমি ওগো তুমি মোরে
বেঁধেছ যে মায়া ডোরে
সে বাঁধনে দু’নয়নে
ঘুম আসেনা।।

[গানটি লিখেছেন বিমল ঘোষ আর গেয়েছেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আমার স্বপ্নে দেখা রাজকন্যা থাকে
    সাত সাগর আর তের নদীর পারে
ময়ূর পঙ্খী ভিড়িয়ে দিয়ে সেথা
    দেখে এলেম তারে
    সাত সাগরের পারে।।
সে এক রূপ কথারই দেশ
    ফাগুন সেথা হয়না কভু শেষ
তারারই ফুল পাপড়ি ঝড়ায়
    সেথায় পথের ধারে।।
সে রূপ কথারই দেশে
    যে রঙ আমি কুড়িয়ে পেলেম প্রাণে
সুর হয়ে তাই ঝড়ে আমার গানে।
তাই খুশির সীমা নাই
    বুঝি বাতাসে তার মধুর ছোঁয়া পাই
জানিনা আজ হৃদয় কোথায়
    হারায় বারে বারে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

তোমারে লেগেছে এত যে ভালো
    চাঁদ বুঝি তা জানে,
রাতের বাসরে দোসর হয়ে
    তাই সে আমারে টানে।।
রাতের আকাশে তারার মিতালী
    আমারে দিয়েছে সুরের গীতালী।
কত যে আশায় তোমারে আমি
    জ্বালিয়ে আমি রেখেছি দ্বীপালী।
আকুল ভ্রোমরা বলে সে কথা
    বকুলের কানে কানে।।
এত যে কাছে চেয়েছি তোমারে
    এত যে প্রীতি দিয়েছ আমারে।
এত যে পাওয়া কেমনে সহিব
    একাকী আমি নীরব আঁধারে।
আকুল পাপিয়া ছড়ায়ে এ কথা
    বাতাসের কানে কানে।।

{গানটি পড়া না গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

ঘুমাও রজনীগন্ধা
আকাশের চাঁদ ঘুমিয়েছে ওই
   দূর বনে নামে তন্দ্রা।।
শির শির শির শিশির ঝরার ছন্দে
বরষা রাতের বকুল বনের গন্ধে
তোমার যখন পোহাবে রাত্রি
   আমার তখন সন্ধ্যা।।
এ গান আমার ঝরা পাতা হয়ে ঝরবে
ঘুম ভাঙ্গা ভোরে মনে কি আমার পড়বে? ।।
তখন তোমার সজল চোখের কাজলে
স্বপন জড়ানো শিথিল তনুর আঁচলে
বারণ না মামা মুছোনা গোপন
   আঁখির অলক নন্দা।।

[গানটি লিখেছেন আজিজুর রহমান এবং সুর করেছেন মুনশী রইসউদ্দীন]

{গানটি পড়া না গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}