আধুনিক গান


বড় ইচ্ছে করছে ডাকতে, তার গন্ধে মেঘে ঢাকতে,
কেন সন্ধ্যে সন্ধ্যে নামলে সে পালায়,
তাকে আটকে রাখার চেষ্টা, আরো বাড়িয়ে দিচ্ছে তেষ্টা,
আমি দাঁড়িয়ে দেখছি শেষটা জানলায় |
বোঝেনা সে বোঝেনা, বোঝেনা সে বোঝেনা |
বোঝেনা বোঝেনা বোঝেনা |

পায় স্বপ্ন স্বপ্ন লগ্নে, তার অন্য অন্য ডাকনাম,
তাকে নিত্যনতুন যত্নে কে সাজায়,
সব স্বপ্ন সত্যি হয় কার, তবু দেখতে দেখতে কাটছি
আর হাঁটছি যেদিকে আমার দু-চোখ যায় |

বোঝেনা সে বোঝেনা, বোঝেনা সে বোঝেনা |
বোঝেনা বোঝেনা বোঝেনা |

আজ সব সত্যি মিথ্যে,দিন বলছে যেতে যেতে,
মন গুমরে গুমরে মরছে কি উপায়,
জানি স্বপ্ন সত্যি হয় না, তবু মন মানতে চায় না,
কেন এমন রাত্রি নামছে জানলায় |
বোঝেনা সে বোঝেনা, বোঝেনা সে বোঝেনা |
বোঝেনা বোঝেনা বোঝেনা |
এটা গল্প হলেও পারতো, পাতা একটা আধটা পড়তো,
খুব লুকিয়ে বাঁচিয়ে রাখতাম তাকে,
জানি আবার আসবে কালকে, নিয়ে পালকি পালকি ভাবনা,
ফের চলে যাবে করে একলা আমাকে |
বোঝেনা সে বোঝেনা, বোঝেনা সে বোঝেনা |
বোঝেনা বোঝেনা বোঝেনা |
বোঝেনা সে বোঝেনা, বোঝেনা সে বোঝেনা |
বোঝেনা বোঝেনা বোঝেনা |

বোঝেনা সে বোঝেনা, বোঝেনা সে বোঝেনা |
বোঝেনা বোঝেনা বোঝেনা |

এসে হীরকদেশে
দেখে হীরের চমক,
এতো খাতির পেয়ে
দেখে রাজার ঝমক
মোদের মন ভরে গেছে খুশীতে…
মোরা সে কথা জানাই

রাজা এতোই রসিক
রাজা এতো দরাজ
রাজা এতো মিশুক
রাজার চিকন মেজাজ,
মোদের প্রান ভরে গেছে তাই…
মোরা সে কথা জানাই…….

বলো হীরক রাজার জয়,
বলো এমন রাজা ক’জন রাজা হয়
কতো দেশে দেশে, ঘুরে শেষে
মন বলে হীরকে এসে
‘এমন রাজা কোন দেশে নাই’
বলে ‘এমন রাজা কোন দেশে নাই’
মোরা সেই কথা জানাই
মোদের গানে, মোদের গানে সেই কথা জানাই…

এ খাঁচা ভাঙ্গব আমি কেমন করে।

দিকে দিকে বাজল যখন
শেকল ভাঙার গান

আমি তখন চোরের মত
হুজুর হুজুর করায় রত।

চাচা আপন বাঁচা বলে
বাঁচিয়েছি প্রাণ

আসলে ভাই একা একা
বাঁচার নামে আছি মরে

এ খাঁচা ভাঙ্গব আমি কেমন করে।।

ও মেয়ের নাম দিব কি ভাবি শুধু তাই আমি
ও তার মনের সাথে মন বেঁধেছি তাই তো এ গান গাই আমি।।

ও কালো চোখের পরে বসেছে কোন্‌ ভ্রমরে
জানি না ডুবলো সে কি রূপের সাগরে।
যত দেখি সাধ মেটে না ফিরে ফিরে চাই আমি।।

পথের ধারে নামহারা ফুল ফোটে কত রাত্রি-দিনে
যে তারে চিনতে পারে দাম দিয়ে তারে কেনে।

ও হাসি ঝর্ণা হয়ে আবেশে যায় ভরায়ে
আমারে অনুরাগে নিল জড়ায়ে।
তারে নিয়ে তাই তো শুধু কাব্য করে যাই আমি।।

আমার ভিনদেশী তারা
একা রাতেরই আকাশে
তুমি বাজালে একতারা
আমার চিলে কোঠার পাশে।

ঠিক সন্ধ্যে নামের মুখে
তোমার নাম ধরে কেউ ডাকে
মুখ লুকিয়ে কার বুকে
তোমার গল্প বলো কাকে?

আমার রাতজাগা তারা
তোমার অন্য পাড়ায় বাড়ি
আমায় ভয় পাওয়া চেহারা
আমি আদতে আনাড়ি।

আমার আকাশ দেখা ঘুড়ি
কিছু মিথ্যে বাহাদুড়ি
আমার চোখ বেঁধে দাও আলো
দাও শান্ত শীতল পাটি
তুমি মায়ের মতই ভালো
আমি একলাটি পথ হাঁঠি…

আমার বিচ্ছিরি একতারা
তুমি নাওনা কথা কানে
তোমার কিসের এত তাড়া?
এ রাস্তা পার হবে সাবধানে…

তোমার গায় লাগেনা ধুলো
আমার দু’মুঠো চাল-চুলো
রাখো শরীরে হাত যদি
আর জল মাখো দুই হাতে…
প্লীজ ঘুম হয়ে যাও চোখে
আমার মন খারাপের রাতে।

আমার রাতজাগা তারা
তোমার আকাশ ছোয়া বাড়ি
আমি পাইনা ছুঁতে তোমায়
আমার একলা লাগে ভারী…

আমার রাতজাগা তারা
তোমার আকাশ ছোঁয়া বাড়ি
আমি পাইনা ছুঁতে তোমায়
আমার একলা লাগে ভারী…

চিঠি লিখি তোমার কাছে ব্যথার কাজলে,
আশা করি পরাণ বন্ধু আছো কুশলে ।।
প্রথম নিয়ম ভালবাসা,
তুমি বুঝেই নিও মনের ভাষা,
আমার গোপন আশা ভিজিয়ে দিলাম নয়ন জলে,
আশা করি পরাণ বন্ধু আছো কুশলে ।।
সেই বাসরে শূন্য হিয়া,
আমি বসে আছি পথ চাহিয়া,
কান্দে মন পাপিয়া গুমরিয়া
যে বুকের চরে,
আশা করি পরাণ বন্ধু আছো কুশলে,
চিঠি লিখি তোমার কাছে ব্যথার কাজলে,
আশা করি পরাণ বন্ধু আছো কুশলে ।
যে বকুলের তলে বসে শুনাইতে বাঁশি,
সেই বকুলের মুকুলের আজ গন্ধ ভালোবাসি ।
ছিড়ে গেছে গাঁথা মালা,
ওগো আমার লাগি দারুণ জ্বালা,
কান্দি একলা ঘরে কুলবালা,
বসে নিরলে,
আশা করি পরাণ বন্ধু আছো কুশলে ।।
ভুলে যাওয়া পথটি ধরে
ভুল করে এসে,
পারো যদি দেখে যেও দিবসের শেষে ।
আমি একলা থাকি পরের ঘরে,
তুমি দেখে যেও নয়ন ভরে,
ওগো কেমন আছি বন-বিহগী বাঁধা শিকলে ।
আশা করি পরাণ বন্ধু আছো কুশলে ।।
কি যে লিখি, কি যে বাকি
পাইনা খুজিয়া,
অবলার না বলা ব্যথা
নিও বুঝিয়া ।
চিঠি আমি করি ইতি,
তুমি আমার প্রতি রেখো প্রীতি,
রসিকের শেষ মিনতি
তোমার চরণ-কমলে,
আশা করি পরাণ বন্ধু আছো কুশলে ।
চিঠি লিখি তোমার কাছে ব্যথার কাজলে,
আশা করি পরাণ বন্ধু আছো কুশলে ।।

আমি যাচ্ছি বাবা, আমি যাচ্ছি
চোখ মুছে মুখ তোলো
স্নেহের বাঁধন খোলো
এবার তোমায় দিতেই যে হয়
যাবার অনুমতি।
বাবা খেয়াল রেখো
তুমি তোমার প্রতি।।
আদর সোহাগ দিয়ে যদি
করলি আমায় বড়
কেন তবে এমন করে
কন্যাকে পর করো।
এই যদি গো নিয়ম-নীতি
এই সমাজের বিধান
হাসি মুখে করো বাবা
কন্যা সম্প্রদান।
তবে কেন কান্না চোখে
এই কোন অনুভূতি?
বাবা খেয়াল রেখো
তুমি তোমার প্রতি।।
অফিস যাবার সময় যখন
থাকব না আর আমি
চশমা নিতে ওষুধ খেতে
ভুলো না গো তুমি।
বুক যে আমার যাচ্ছে ভেঙ্গে
মন মানে না মানা
কেমন করে থাকব ছেড়ে
নেই যে আমার জানা।
ওই যে আমার মা দাঁড়িয়ে
দেহেতে নাই প্রাণ
যেন বুকটা চিড়ে যাচ্ছে নিয়ে
কেউ কলিজাখান।
তুমিও তো মেয়ে মা গো
জানোই পরিণতি।
(মাগো) ওমা খেয়াল রেখো
তুমি বাবার প্রতি।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

জীবনপুরের পথিক রে ভাই
কোনো দেশে সাকিন নাই।
কোথাও আমার মনের খবর পেলাম না। ।
খেয়াল পোকা যখন আমার
মাথায় নড়েচড়ে
আমার তাসের ঘরের বসতি রে
ভেঙ্গে ভেঙ্গে পড়ে।
তখন তুলুক ছেড়ে মুলুক ফেলে
হইরে ঘরের বার আমি
কোথাও আমার মনের খবর পেলাম না।
মন চলে আগে আগে
আমি পড়ে রই, বন্ধু।
সোনার পিঞ্জার দিলাম
পাখি বাঁধে বাসা কই।।
ওকুল গাঙ্গে ভাসালাম আমি
কুলের আসা ছাড়ি, বন্ধু রে।
তবু, কোথাও আমার মনের খবর পেলাম না।।

[গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক]
[If you can't read it, click here]

গভীরে যাও, আরো গভীরে যাও |
এই বুঝি তল পেলে, ফের হারালে, প্রয়োজনে ডুবে যাও |

জানলা জুড়ে মানুষের কান,
গলির ভাঁজে ভ্রমরের প্রাণ |
গণিকার ঘাম লেগে থাকে তার ডানায় |
আর অন্ধকারে ছটফটিয়ে মুখ ফেরানোর দায়,
তার উড়ে আসা ধুসর চোখে সিগারেটের ছাই |

তাই গভীরে যাও, আরো গভীরে যাও |
গভীরে যাও, আরো গভীরে যাও |
এই বুঝি তল পেলে ফের হারালে, প্রয়োজনে ডুবে যাও |

নদীর বুকে, ঘরের খোঁজে,
কাটেনি দিন খুব সহজে |
বহু বছর মেখেছি রুপোর বালি |
সেই রুপোর লোভে বাড়ি ফেরা যাবে রসাতল |
আর ভেজা শরীর চোরা স্রোতে কামড়ে ধরে জল |

তাই গভীরে যাও, আরো গভীরে যাও |
গভীরে যাও, আরো গভীরে যাও |
এই বুঝি তল পেলে ফের হারালে, প্রয়োজনে ডুবে যাও |

[গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক]
[If you can't read it, click here]

আমাকে আমার মত থাকতে দাও,
আমি নিজেকে নিজের মত গুছিয়ে নিয়েছি।
আমাকে আমার মত থাকতে দাও,
আমি নিজেকে নিজের মত গুছিয়ে নিয়েছি।
যেটা ছিলো না, ছিলোনা; সেটা না পাওয়াই থাক-
সব পেলে নষ্ট জীবন।
তোমারই এ দুনিযার ঝাপসা আলো-
কিছু সন্দহের গুরো হওয়া কাঁচের মত;
যদি উড়ে যেতে চাও, তবে গাঁ ভাসিয়ে দাও।
দূরবিনে চোঁখ রাখবনা… না না না

এই জাহাজ মাসতুল ছাড়খাড়,
তবু গল্প লিখছি পাঁচ বার।
আমি রাখতে চাই না আর তার,
কোন রাত-দুপুরের আবদার।
তাই চেষ্টা করছি বার বার সাঁতরে পার হওয়া যায়।

কখনও আকাশ বেয়ে চুপ করে,
যদি নেমে আসে ভালোবাসা খুব ভোরে।
চোঁখ ভাঙ্গা ঘুমে তুমি খুঁজ না আমায়,
আশে-পাশে আমি আর নেই।
আমার জন্য আলো জেলো না কেউ,
আমি মানুষের সমুদ্রে গুনেছি ঢেউ।
এই ইস্টিশনে চত্তরে হারিয়ে গেছি,
শেষ ট্রেনে ঘরে ফিরব। না না না

এই জাহাজ মাসতুল ছাড়খাড়,
তবু গল্প লিখছি পাঁচ বার।
আমি রাখতে চাই না আর তার,
কোন রাত-দুপুরের আবদার।
তাই চেষ্টা করছি বার বার সাঁতরে পার হওয়া যায়… না না না

তোমার রক্তে আছে স্বপ্ন যত,
তারা ছুটছে রাত্রি-দিন নিজের মত,
কখনও সময় পেলে একটু ভেবো-
আঙ্গুলের ফাঁকে আমি কই?
হিসাবের ভিড়ে আমি চাই না ছুটে-
যত শুকনো পেঁয়াজগুলি ফ্রিজের শীতে,
আমি ওবেলার ডাল-ভাত ফুরিয়ে গেছি
বিলাসের জলে ভাসবনা… না না না

এই জাহাজ মাসতুল ছাড়খাড়,
তবু গল্প লিখছি পাঁচ বার।
আমি রাখতে চাই না আর তার,
কোন রাত-দুপুরের আবদার।
তাই চেষ্টা করছি বার বার সাঁতরে পার হওয়া যায়…না না না

[গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক]
[If you can't read it, click here]

(আমি কাঁটাতারেই সুখী,
এই কুয়াশাতে উঁকি দিয়ে,
রাজি মিথ্যে নিতে,
আসলে সত্যি বলে সত্যি কিছু নেই |)

এই শ্রাবণ ধুয়ে ফেলুক এই রাস্তা-ধুলো ।
এই শ্রাবণ ভিজিয়ে দিক দীর্ঘ ছায়াগুলো ।

এই শ্রাবণ নেভাক আগুন, এই ফুটপাতের রাত ।
এই শ্রাবণ মনে পড়া পুরনো আঘাত ।

জল জমেছে, বুকের ভিতর, রোদের অভাবে ।
সময় এলে পড়বে চুঁয়ে, নিজের স্বভাবে ।

আমি কাঁটাতারেই সুখী,
এই কুয়াশাতে উঁকি দিয়ে,
রাজি মিথ্যে নিতে,
আসলে সত্যি বলে সত্যি কিছু নেই।।

এই শ্রাবণ নাম লেখা গাছের পাতার তলে।
এই শ্রাবণ মিশলো পুকুর ড্রেনের জলে ।
এই শ্রাবণ, বাক্স বন্দী কিছু ইচ্ছে আছে।
এই শ্রাবণ স্যাঁতস্যাঁতে খুব আমার কাছে ।

অবাধ যত্নে সামলে চলা ফুরিয়ে যাবার ভয় ।
ভাবলি কেন দুঃখ পাব, দুঃখ আমার নয় ।

আমি কাঁটাতারেই সুখী,
এই কুয়াশাতে উঁকি দিয়ে,
রাজি মিথ্যে নিতে,
আসলে সত্যি বলে সত্যি কিছু নেই ।।

[গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক]
[If you can't read it, click here]

যদিও রজনী পোহালো তবুও
দিবস কেন যে এলো না এলো না।
সজন মেঘের পরান ঝরিয়া
বরিষণ কেন হলো না হলো না।।
লোকে মরে কলঙ্কীনি নাম দিয়ে
বোঝে না তো কত জ্বালা মন নিয়ে
বলে বলুক লোকে মানি না মানি না
কলঙ্ক আমার ভালো লাগে
পিরিতি আগুনে জীবন সঁপিয়া
জ্বলে যাওয়া আজ হলো না হলো না।।
এমন পথ চলা ভালো লাগে না
আমার অঙ্গ দোলে তরঙ্গে তরঙ্গে
কেউ না বাঁধে যদি পথ হারাবে নদী
ভালো লাগে না লাগে না।
ভালোবেসে মরি যদি সেও ভালো
ঘর বেঁধে যদি মরি আরো ভালো
এসো এসো হে বধূ জ্বলিতে জ্বলিতে
মরণ আমার ভালো লাগে
কপালের লিখা সিঁদুরে ঢাকিয়া
পথ চাওয়া আজ হলো না হলো না।।

[গানটি গেয়েছেন লতা মুঙ্গেশকর]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

শুধু পথ চেয়ে থাকা
রঙে রঙে ছবি আঁকা
কবে তুমি আসবে বলে।
মনে মনে কাছে ডাকা
দুয়ার আর খুলে রাখা
কবে তুমি আসবে বলে।।
তোমারই কারণে সাজি এত যে
সাজি তবুও হৃদয় কাঁপে এই তো লাজে
সে লাজ দ্বিগুণ হয় যদি না আসো
মালা মোর জ্বালা হয়ে জ্বলে।।
আমি স্বপ্ন কাজল চোখে আঁকি
সে কাজল কলঙ্ক হয়ে যায়।
আহা যদি না আমার দুটি আঁখি
ওই আঁখি পল্লবে মিশে যায়
স্বাধীন প্রদীপ আমি জ্বালায়ে রাখি
সে আলোয় পথ পানে চেয়ে থাকি
সে আলো আগুন হয় যদি না আসো
নেভে না সে নয়ন জলে।।

[গানটি গেয়েছেন রুমা গুহঠাকুরতা]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

এ কি চঞ্চলতা
জাগে আমার মনে
ভালো লাগে কত ভালো লাগে।।
এই তো প্রথম দ্বার খুলে
ছুটে আমি এসেছি
ফুলে ফুলে ওই হাসি দেখে
আমিও যে হেসেছি
তারা ভরা এই রাত
আমি দেখিনি কখনো আগে।।
ওগো বাঁশী শোনো
আজ বুকে সুর ভরে দাও
আমার আনন্দ আজ
তুমি শুধু জেনে নাও।
কিছু নেই তবু আছি আমি
আজ যেন মেনেছি
ভালো লাগা ওগো কারে বলে
এই তো প্রথম জেনেছি।
ভরে গেছি আমি আজ
এই মায়াভরা অনুরাগে।।

[গানটি গেয়েছেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আজ আছি কাল কোথায় রব
কোথায় রব কে জানে
কাল কি হবে তাই ভেবে আর
মিছেই কেন আকুল হব।।
আনন্দ আর গানে গানে
এ ক’টি দিন কাটিয়ে যাও।
জীবনের এই পাঠশালাতে
পাঠশালাতে উৎসবে প্রাণ মিটিয়ে নাও।
ক্ষণিক হলেও দু’জনারে
দুজন কিনে লব।।
তুমি আমি রব না তো কেউ
আয়ুর প্রদীপ হবে ক্ষীণ
তাই তো বলি হেসে খেলে
মন ভরিয়ে যাক না দিন
আছি দুজন সবার চেয়ে
এই তো অভিনব।।

[গানটি গেয়েছেন আলপনা বন্দোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

এক দুই দিন
চলি (শুনি) যে সারা দিন।
হৃদয়ে বাজে বীণ
বুঝি সে জানে।
ও মন ভুলেছে, দুয়ার খুলেছে
তারই ছোঁয়া সেই গানে।।
চোখেতে সহসা এই কি আলো
হারিয়ে গেলো যে সবই কালো
সেই আলোকে প্রতি পলকে
তারই ছবি শুধু কাছে টানে।।
ইচ্ছে করে হয়ত কিছু করি
নয় তো দেখি স্বপ্ন আহামরি
এ যেন পৃথিবী খুশীর মেলা
আকাশ ভরে কত রঙের খেলা
এই বসন্তে পথেরই প্রান্তে
পায়ে পায়ে সে ছন্দ আনে।।

[গানটি গেয়েছেন মান্না দে]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

তোমারই বাঁকা ও চোখ
ঝিলিক মারে ঝিকিমিকি।
জ্বলছে এ বুকে যে
তুষের আগুন ধিকিধিকি।।
একি বলো সইতে পারি
তবু না কইতে পারি।
মিছে কি ভেবে মরি
ও মন পাবো ঠিকই।
এখনো তো আমি কি চাই
বুঝেও তুমি বোঝোনি কি।।
জানি না মনে মনে
কি যে তুমি ফন্দি করো।
নাহয় আমায় তুমি
ওই নজরে বন্দী করো।
তবু কি থাকবে সরে
দূরে কি রাখবে মোরে।
মনে হয় এবার আমি
আরো ভালোবাসতে শিখি।
এখনো তো আমি কি চাই
মনে মনে খোঁজোনি কি।।

[গানটি গেয়েছেন শ্যামল মিত্র]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

সব দুষ্টু ছেলেরাই লক্ষ্মী
তারা বাঁধনছাড়া পক্ষী।
সব দিগ্বিজয়ী বীর
যদি সঙ্গে থাকে ভয় কি।।
যত ভালো ছেলেরাই বোকা
শুধু পড়ে লেখে কাঁদে।
তারা চিরকালই খোকা
সব কাজে পড়ে ফাঁদে।
এই দস্যি দামোদল
দেখো শক্ত কত নয় কি।।
যত গাধা পিটিয়ে ঘোড়া
তারা চলতে গিয়ে খোড়া।
শুধু দুষ্টু সোনারাই
মিছে দেয় না কোনো ঝক্কি।।
আমি দুষ্টু ভালোবাসি
তারা নয় কো গোবর গণেশ।
তাদের মিষ্টি লাগে হাসি
আর ছন্নছাড়া বেশ।
দেশে দস্যু এলে ‘পর
তারা শান্তি পথে রক্ষী।।

[গানটি গেয়েছেন আরতি মুখোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

তব বিজয় মুকুট আজকে দেখি
সূর্য্যর আগে ঝলমল।
তব দুঃখ-ব্যথার মৃণালকাঁটায়
উঠল সুখের শতদল।
সূর্য্যর আগে ঝলমল।।
এগিয়ে চলুক তব জয়রথ
পুষ্পিত হোক সাধনার পথ।
তব সুর ভ্রমরা গৌরবেতে
হোক না আরো উজ্জ্বল।।
আমি পূজার প্রাঞ্জলি আজ হব
সিংহাসনের তলে।
সেথা একটি প্রলাপ লুকিয়ে আছে
নীরব প্রেমের ছলে।
মৌন প্রাণের এই নিবেদন
হউক না গোপন সারা জীবন।
তুমি নাই জানিলে কার চোখে আজ
আলোর একি আঁখিজল।।

[গানটি গেয়েছেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

ত্রিবেণী তীর্থ পথে কে গাহিলো গান
জাগায়ে করিলো মোর আকুল পরান।
শ্যাম তরু ছায়াতলে ছিল বসে আঁখি জলে
আমার নীরব গানের কে রচিল তান।।
কিবা তব নামখানি আমারে শুধাও
না বলা কথাটি মোর যায় শুনে যায়।
ওগো মোর মরমীয়া কথার মালিকা দিয়া
হিঙ্গারে ব্যাকুল হিয়া করিলে জাগান।।

[গানটি গেয়েছেন চিন্ময় লাহিড়ী ও প্রতিমা ব্যানার্জী]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

হারিয়ে যেতে যেতে অজানা সংকেতে
ছাড়িয়ে গেছি সেই পথ
কখনো মেঘে ঢাকা, কখনো আলো মাখা
ভুলেছি ভবিষ্যত।।
হৃদয়ে কার যেন সন্ধানে
খুঁজেছে দুটি চোখে সবখানে
সে চোখে যত আলো যত আশা ভালোবাসা
খুলবে এ বন্ধ মনের জগত।।
অন্ধকারে তাকে যায় চেনা
শূণ্য হাতে সে আসবে না।
ভাবি এ চলা কবে শেষ হবে
আলোয় ফেরা সে উৎসবে
জীবনে যত কিছু দূর থেকে দেখে দেখে
পাইনি তো মূল্য দেবার মূলরত।।

[গানটি গেয়েছেন আরতি মুখোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

কেন এ হৃদয় চঞ্চল হলো
কে যেন ডাকে বারে বারে
কেন, বলো কেন।।
আমি ফুল দেখেছি
ফুল ফুটতে কখনো দেখিনি
আজ মনে হয় এই শিহরণ
এই বুঝি ফুটছে আমার কলি।।
কেন এ কন্ঠে এলো গান
কেন, বলো কেন।
কি এক মধুর নেশা যেন
কেন, বলো কেন।
কি যে সুর শুনেছি
সুর ভুলতে এখনো পারিনি
আজ মনে হয় গান হয়ে মোর
তাই বুঝি ফুটছে কথার কলি।।

[গানটি গেয়েছেন সন্ধ্যা মুখার্জী]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

কি মিষ্টি দেখো মিষ্টি
কি মিষ্টি এ সকাল।
সোনা ঝরছে, ঝরে পড়ছে
কি মিষ্টি এ সকাল।।
নীল পাহাড়ের চূড়ায় চূড়ায়
আলোর আভায় লাল হয়েছে
মিষ্টি এ সকাল।
সুর ঝর্ণা মানা মানেনা
ডানা মেলে যায় উড়ে ময়না।
মন পবনের দোলা লাগছে এ
কি মিষ্টি এ সকাল।।
আমি শুনছি শুধু শুনছি
কানে মোহনের বাঁশী শুনছি
প্রেম যমুনার তীরে বসে বসে
মিলনের দিন গুনছি।
মন ভোমরা কেন গায়না
মন যারে চায় কেন পায়না
দূরে দুলন্ত এ
কি মিষ্টি এ সকাল।।

[গানটি গেয়েছেন সন্ধ্যা মুখার্জী]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আজ চঞ্চল মন যদি
মৌমাছি হয়ে চায় ক্ষতি কি।
গুনগুন সুরে যদি
সারারাত গান গায় ক্ষতি কি।।
সেই সুরে ফোটে
ফুল ফুটুক না।
সেই গানে ওঠে
চাঁদ উঠুক না।
যদি স্বপ্নে দুটি আঁখি
ভরে যেতে চায় ক্ষতি কি।।
এই রাতে জোনাকী
যত জ্বলুক না।
সেই সাথে হাওয়া
কথা বলুক না।
এই মন যদি মন থেকে
আজ ছুটি পায়ক্ষতি কি।।

[গানটি গেয়েছেন সন্ধ্যা মুখার্জী]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

এই পূর্ণিমা রাত
কিছু সুর কিছুটা আবেশ
একি শুরু না শেষ।।
কেন জানিনা যে
মন আজ বাঁশী হয়ে বাজে
ভুলে যেতে চাই
তবু থাকে কেন রেশ।।
বোঝানোর নেই কোনো ভাষা
ভুল কি যে ভুলে ভালোবাসা
সবই ভালো লাগে
তবু ফাগুনে শ্রাবণ কি জাগে
ভরে মৃগছায় যেন নয়ন নিমেশ।।

[গানটি গেয়েছেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

তুমি নাহয় রহিতে কাছে
কিছুক্ষণ আরো নাহয় রহিতে কাছে
আরো কিছু কথা নাহয় বলিতে মোরে
এই মধুক্ষণ মধুময় হয়ে নাহয় উঠিত ভরে।।
সুরে সুরভীতে নাহয় ভরিত বেলা
মোর এলো চুল লয়ে বাতাস করিত খেলা।
ব্যাকুল কত না বকুলের কুড়ি
রয়ে রয়ে যেত ঝরে
ওগো নাহয় রহিতে কাছে।।
কিছু দিয়ে নিয়ে ওগো মোর মনময়
সুন্দরতর হতো নাকি বলো
একটু ছোঁয়ার পরিচয়।
ভাবের লীলায় নাহয় ভরিত আঁখি
আমারে নাহয় আরো কাছে নিতে ডাকি।
নাহয় শোনাতে মরমের কথা
মোর দুটি হাত ধরে
ওগো নাহয় রহিতে কাছে।।

[গানটি গেয়েছেন সন্ধ্যা মুখার্জী]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আজ দুজনার দুটি পথ ওগো
দুটি দিকে গেছে বেঁকে।
তোমার ও পথ আলোয় ভরানো জানি
আমার এ পথ আঁধারে আছে যে ঢেকে।।
সেই শপথের মালা খুলে
আমারে গেছ যে ভুলে
তোমারেই তবু দেখি বারে বারে
আজ শুধু দূরে থেকে।।
আমার এ কূল ছাড়ি
তব বিশ্বরণের খেয়া ভরা পালে
অকূলে দিয়েছি পাড়ি।
আজ যতবার দীপ জ্বালি
আলো নয় পাই কালি
এ বেদনা তবু সহি হাসি মুখে
নিজেরে লুকায়ে রেখে।।

[গানটি গেয়েছেন হেমন্ত মুখোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

নিশি রাত বাঁকা চাঁদ আকাশে
চুপি চুপি বাঁশী বাজে বাতাসে…বাতাসে।।
ভাঙা ঘরে দুদিনেরই খেলাঘর
কতভাঙা তবু এলো জোছনা
ফুলে ফুলে ছেয়ে গেল বালুচর
স্বপ্ন বাসর করি রচনা।
এ জীবনে যতটুকু চেয়েছি
মন বলে তার বেশী পেয়েছি…পেয়েছি।।
জীবনের পথে পথে চলিতে
যত আশা গিয়েছিল ফুরায়ে
গজমতি হারে যেন ধুলিয়ে
ভিখারিনী পেল আজ কুড়ায়ে।
এ জীবনে যতটুকু চেয়েছি
মন বলে তার বেশী পেয়েছি…পেয়েছি।।

[গানটি গেয়েছেন গীতা দত্ত]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

এ শুধু গানের দিন
এ লগন গান শোনাবার।
এ তিথি শুধু গো যেন
দখিন হাওয়ার।।
এ লগনে দুটি পাখি
মুখোমুখি নীড়ে জেগে রয়
কানে কানে রূপকথা কয়
এ তিথি শপথ আনে
হৃদয় চাওয়ার।।
এ লগনে তুমি আমি
একই সুরে মিশে যেতে চাই
প্রাণে প্রাণে সুর খুঁজে পাই
এ তিথি শুধু গো যেন
তোমায় পাওয়ার।।

[গানটি গেয়েছেন সন্ধ্যা মুখার্জী]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

সাঁঝ ঝরা লগনে আজ
কে ডাকে আমায়
এই সাঁঝ ঝরা লগনে আজ
কে ডাকে আমায়।
আমার পথের আশার প্রদীপ
কে এসে জ্বেলে যায়।
আকাশের এই তারায় তারায়।।
আমার পায়ে লাগবে ধুলা
তাই ভেবে কি বকুলগুলো
পথের পারে এমন করে
লুটিয়ে আছে হায়…হায়…হায়।।
অভিসারের এ পথ আমায়
যেথায় নিয়ে যাবে
অনেক খোঁজার শেষে হৃদয়
ঠিকানা তার পাবে।
এই পথেরই অন্ধকারে
হার না মানার অহংকারে
জীবন আমার তাই যে শুধু
হারিয়ে যেতে চায়…হায়…হায়।।

[গানটি গেয়েছেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

কাকলী কুজন আজ
ভ্রমরের মধু গুঞ্জনে
একি সাড়া পাই গো
একি সাড়া পাই গো
যে ফাগুন এলো আজ
জীবনে আমার।
তুলনা তো নাই তার
তুলনা তো নাই।।
মধুর লীলায়
মাধবী মুকুল কেন
সুরভী বিলায় গো
তারই রঙে মন মোর
ভরে নিতে চায় গো।।
ক্ষণে ক্ষণে তাই আজ শুনি
নিখিলে নিখিলে ওই
বাজে ফাল্গুনী শুনি।
অলস তলায় সুরের পরশ
লাগে মনেরই খেলায়
গো অলস বেলায়।
আপনারে বারে বারে
তাই ভুলে যাই গো
তাই ভুলে যাই।।

[গানটি গেয়েছেন আলপনা বন্দোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

গানে মোর কোন্‌ ইন্দ্রধনু
আজ স্বপ্ন ছড়াতে চায়
হৃদয় ভরাতে চায়।
নিদ্রা মোর কাকলী কুহু
সুর শুধু যে ঝড়াতে চায়
আবেশ ছড়াতে চায়।।
মৌমাছিদের গীতালী
পাখায় বাজায় মিতালী
নীড় দোলানো সুরে আমার
কন্ঠে মালা পড়াতে চায়…হায়।।

[গানটি গেয়েছেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

যদি ভুল করেই ভুল মধুর হলো
মন কেন মানে না।
কেন একটু ছোঁয়া দোলায় আমায়
কেউ তো জানে না।।
আজ হারিয়ে যেতে তবে কিসের বাধা
যদি এ ভুল হলো গো ভালো
আঁধার এসে যে আলো
আহা তাই এ বাঁশী খুঁজে পায় কি হাসি
সুরে আজ পড়ে সে বাধা
তবে ফাগুন কেন দেখেও আমায়
কাছে তার টানে না।।
কেন সে আমায় আজ এমন করে
ডাক দিয়ে ওই যায়
তারই সুরে হৃদয় আমার
ব্যাকুল হতে চায় চায় গো
ব্যাকুল হতে চায়।
এই একটু খুশী, এই একটু নেশা,
কেন ভোলালো আমায়
আর দোলালো আমায়
বলো এ কি মায়া মোর আঁখি ছায়া
স্বপ্নে যেন মেশা
তবু আমায় দেবার হৃদয় নিয়ে
কেন সে মালা আনে না।।

[গানটি গেয়েছেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

কে তুমি আমারে ডাকো
অলখে লুকায়ে থাকো
ফিরে ফিরে চাই
দেখিতে না পাই।।
মনে তো পড়ে না
তবুও যে মনে পড়ে
হাসিতে গেলেই কেন
হৃদয় আঁধারে ভরে
সমুখের পথে যেতে
পিছনে টানিয়া রাখো।।
নতুন অতিথি দাঁড়ায়ে রয়েছে দ্বারে
তবু ফিরাতে হবে তারে
ভুল করে মালা যদি
দিতে চাই কারো গলে
কেন কাঁপে হাত বলো
বাধা পাই পলে পলে
আমার এ আকাশ শুধু
মেঘে মেঘে কেন ঢাকো।।

[গানটি গেয়েছেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’ read it, click here}

ফুলের কানে ভ্রমর আনে
স্বপ্ন ভরা সম্ভাষণ
এই কি তবে বসন্তেরই নিমন্ত্রণ।
দখিন হাওয়া এলো ওই বন্ধ হয়ে
তাই কি আজ
কন্ঠ আমার জড়িয়ে ধরে
জানায় শুধু আলিঙ্গন।।
ওই যে বনফুলের বন দোলে
তাই কি আমারই মন দোলে
দোলে গো মন দোলে
পথিক পাখি যায় উড়ে যায়
কোন্‌ সে দূরে যায় গো যায়
মুগ্ধ প্রাণে যায় যে এঁকে
পাখার ছায়ায় আলিপন
আজ আমার কন্ঠ ভরে সুর এলো
আর কাছে আরো আপন হয়ে দূর এলো।
নতুন করে তাই যেন গো
আজ নিজেরে পাই গো পাই
প্রাণে আমার পরশছোঁয়ায়
কিছু হওয়ার শুভক্ষণ।।

[গানটি গেয়েছেন সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

না না না না এমন করে
দাগা দিয়ে সরে থেকো না।
আমায় নিয়ে খেলা করো
তুমি ওগো নিঠুর বড়
দোহাই তোমায় আমায় তুমি
বিষ চোখে চেয়ে দেখো না।।
যা খুশী বলুক লোকে
দেখুক আমায় মন্দ চোখে
থাকলে তুমি আমার কাছে
লোক লাজে ভয় কি আছে
ফুলটাকে কাঁটা দিয়ে
ভুল করে ভরে রেখো না।।
মন নিয়ে কি যে করি
একি জ্বালায় জ্বলে মরি
বুকের আগুন নেভে না হায়
বোঝো না মন কি চায়
আলেয়ার মত তুমি
ছল করে কাছে ডেকো না।।

[গানটি গেয়েছেন আশা ভোঁসলে]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

বিপীনবাবুর কারণ সুধা
মেটায় জ্বালা মেটায় ক্ষুধা
মরা মানুষ বাঁচিয়ে তোলে
এমনি যে তার জাদু।।
বিধি তোমার আদালতে
এ বা কেমন রায়
দোষীরা সব কেটে পড়ে
বোকা সাজা পায়
এই আমরা হলাম পাপী-তাপী
আর ওরা সবাই সাধু।।
ভালো করে বাঁচতে চাওয়া
ওদের চোখে দোষ
ওদের গাড়ি টানতে গিয়ে
হলাম গরু-মোষ
ওই নেপথে মারছে যে দই
উলটো নিয়ম দাদু।।
আজ রাজা কাল সে ফকির
বরাতের কি খেল
জিততে হলে দাবার চালে
পায়ে মাখাও তেল
নইলে সাত মণ তেল পড়িয়েও রাধা
নাচবে না তো যাদু।।

[গানটি গেয়েছেন কিশোর কুমার]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

জানি না আজ যে আপন
কাল সে কেন পর হয়ে যায়
যে বাতাস ফোটালো ফুল
সে তো আবার ঝড় হয়ে যায়।।
ছিল যে আমার পাশে
তার কথা মনে আছে
চাই আমি ভুলতে তারে
মন কি তারে ভুলতে পারে
জানি না প্রেম যে এমন
তাসের দেশে ঘর হয়ে যায়।।
স্মৃতিরই সেতু ভেবে
যায় দিন শুধুই কেটে
কে যেন তাকিয়ে পিছু
ফিরে দেখি নেই তো কিছু
হৃদয়েরই শপথ যেন
চোরাবালি চর হয়ে যায়।।

[গানটি গেয়েছেন আশা ভোঁসলে]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

যদি হই চোরকাটা ওই শাড়ীর ভাজে
দুষ্টু যে হয় এমন কাজ তো তারই সাজে
যদি হই কাঁকন তোমার ওই হাতে
রিনি ঝিনি বাজব আমি দিনে রাতে
চেয়েও আমায় চাও না যে।।
আহ…তুমি যে কি করো
জ্বালাতন করছ আমায় তুমি বড়
চাও কি তুমি ভুল হয়ে যাক সব কাজে।।
তোমার ওই দু’চোখে যে আমার মরণ দেখেছি
না না না ও চোখেতে চোখ মিলিয়ে স্বপ্ন আমি এঁকেছি
যদি হই কাজল তোমার ওই চোখে
আমারই চোখের বাহার দেখবে লোকে
ভয় কি বলো হায় গো আমার লোক লাজে।।

[গানটি গেয়েছেন আশা ভোঁসলে ও কিশোর কুমার]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

কি আশায় বাঁধি খেলাঘর
বেদনার বালুচরে
নিয়তি আমার ভাগ্য লয়ে যে
নিশি দিন খেলা করে।।
হায় গো হৃদয় তবুও তোমার
আশা কেন যায় না
যতটুকু যায় কিছু তার পায় না
কিছু তার পায় না
কে জানে কেন যে আমার আকাশ
মেঘে মেঘে শুধু ভরে।।
প্রতিদিনই ওঠে নতুন সূর্য্য
প্রতিদিনই আসে ভোর
ওঠে না সূর্য্য আসে না সকাল
জীবন আঁধারে মোর।
পৃথিবী আমারে দিলো যে ফিরায়ে
সে যেন ডাকিয়া কয়
নাহি হেথা ঠাঁই, আমি তোর কেহ নয়
ক্লান্ত চরণ আকুল আঁধারে
পথ শুধু খুঁজে মরে।।

[গানটি গেয়েছেন কিশোর কুমার]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

লেখাপড়াটা শিকেয় তুলে
তুলে তুলে তুলে তুলে।
বেশ তো ছিলাম বাউন্ডুলে
সবকটা পাশ করলে তোমার
নেই যে তুলনা।
দোহাই তোমার আমায় আবার
পড়তে বলো না।।
তোমাকে অবাক চোখে
দেখে আজ অনেক লোকে
আমিও তাকিয়ে দেখি
সেই তুমি আজ নতুন তুমি
তাও কি বোঝো না।
দোহাই তোমার নতুন হয়েও
বদলে যেও না।।
জীবনের সব খাতাতে
যা কিছু পরীক্ষাতে
আলো হোক সব বিষয়ে
কামনা এই করি শুধু
অন্য কিছু না।
দোহাই তোমার ভালো হয়েই
বদলে যেও না।।

[গানটি গেয়েছেন মান্না দে]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

এই যে চাঁদের আলো
লাগে কত ভালো।
আজ শুধু মন বলে
এ চাঁদ আমারই।।
বাতাসেরও দোল ঝড়ায়
কি আবেশে মন ভরায়
আজ শুধু মন বলে
এ রাত আমারই।।
এই যে নীরবতা
এ যেন এক রূপকথা।
চেয়ে দেখি ফুল হাসে
সুর আসে আর গান আসে
আর শুধু মন বলে
এ গান আমারই।।

[গানটি গেয়েছেন সন্ধ্যা মুখার্জী]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আমি কত দিন কত রাত ভেবেছি
ভেবেছি বলব তোমারে
একটি পুরোনো কথা নতুন করে।।
যে কথা ভ্রোমর বলে ফুলের কানে
যে দোলা জাগায় মেঘ নদীর টানে
তাই কি শোনাতে এলে গানে গানে
না না না সে কথা হয়ত বলেছি
হয়নি বলা তবু কেমন করে
বলব ভাবি আমি কেমন করে।।
হাজার বছর ধরে শিল্পী কবি
কত রঙে এঁকেছে তারই ছবি
বোঝাতে পারিনি তবু মনের সবই
না না না সে ভাষা হয়না বোঝাতে
মনের ভাষা মন বুঝতে পারে
চোখের পাতায় তার ছায়া পরে।।

[গানটি লিখেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার ও সুর করেছেন সত্য সাহা]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

ও সাত ভাই চম্পা জাগো রে।
ও সাত ভাই চম্পা জাগো রে।
ও সাত ভাই চম্পা জাগো রে,
একটি পারুল বোন একা ঘরে।।
আহা পারুল বোনের দিন ফুরায় না রে।
আহা দুখিনী মায়েরা গাল কাটে না রে।
দাও সাড়া দাও সাড়া গো সাত ভাই ধন রে।
একটি পারুল বোন একা ঘরে।।
ডাকি বারে বারে, তবু জাগে না রে।
আঁখি মেলে না রে, কিছু শুনে না রে।
আমি কি যে করি, কার পায়ে ধরি
কি যে উপায় কিছু জানি না রে।।
আহা মায়ের ব্যথায় গাছের পাতা ঝরে।
কাঁদে বনের পাখি কুহু কুহু স্বরে।
দাও সাড়া দাও সাড়া গো সাত ভাই ধন রে।
একটি পারুল বোন একা ঘরে।।
ও সাত ভাই চম্পা জাগো রে।
কেন কেন বোন পারুল ডাকো রে।
আহা ঘুমেতে ঘুম ঘুম ঘুমে থেকে
ডেকেছে রে, সাড়া দিয়েছে রে।।
ও রাজ পুত্তুর সাত ভাই জানিস কি রে।
তোদের জীবন পাবার দিন এলো ফিরে।
ওগো নামবো না, নামবো না, নামবো না রে।
দেবো না ফুল তবু দেবো না রে।।
চোখে আগুন জ্বলে, কেন পাষাণ গলে,
মায়ের পরান গলে, বসে মায়ের কোলে।
আহা পুত্রহারা কোন্‌ রাজার ঘরে
চোখের পানি বাধা মানে না রে।
ও সাত ভাই চম্পা জাগো রে।।
এই মাটির পৃথিবী দেখে যা রে।
আহা সুখের সাগর ভাসে দুখের নীড়ে।
আগে আসুক রাজার বড় ছয়টি রাণী,
বুকে ধরুক মায়ের চরণখানি।
তবে সাত ভাই চম্পা জাগে রে।
তবে সাত ভাই চম্পা জাগে রে।।

[গানটি গেয়েছেন সাবিনা ইয়াসমীন]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

কাছে এসো যদি বলো
তবে দূরেই কেন থাকো।
ভালো লাগে যদি বলো
তবে তোমার পাশেই রাখো।
আমি থাকব নাকি চলেই যাব
তুমি নতুন করে ভেবে দেখ।।
ওই যে দিগন্তে ছাড়িয়ে সীমানা
হংস মিথুন যেথা মেলেছে ডানা।
সেথা নিরজনে রব আনমনে।
সেথা আমি নিরজনে রব একা আনমনে।
ক্ষতি নেই পাশে যদি নাই বা থাক।।
ছিলেনা যখন তুমি আমারই হয়ে
সময় আমার কি গো যায়নি বয়ে।
আমি যে তোমারই সেকি গো বোঝোনা
মিথ্যে অভিমানে চলে যেওনা।
যুগ যুগ ধরে এই অন্তরে।
কত যুগ যুগ ধরে আছ গো এই অন্তরে।
আমার ছিলে তুমি আমারই থেকো।।
না না থাকব না আর আমি চলেই যাব
তুমি একা একা বসে বলো।
কাছে এসো যদি বলি
তবে দূরেই কেন রাখো
ভালো লাগে যদি বলি
তবে তোমার পাশেই রেখো।
আমি থাকব ওগো চিরতরে
তোমার ছিলাম আমি তোমারই রব।।

[গানটি লিখেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার ও সুর করেছেন সত্য সাহা]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

কি আনন্দ দিয়ে
এ ভুবন মাতিয়ে
একি স্বপ্ন এঁকেছ
এ নয়নে।
কি যে গান শুনিয়ে
এই মন মাতিয়ে
একি আগুন জ্বেলেছ
এ ফাগুনে।।
দুটি পাখি মন
আপন মনে
যায় উড়ে যায়
কোন লগনে।
যেদিকে চোখে যায়
যাক না চলে
হারিয়ে যাব
এই দুজনে।
কোন মায়াবী মায়া
কোন সোনালী ছোঁয়া
একি শান্তি এনেছে
এ মিলনে।।
তোমায় পেয়েছি
পরান ভরে
তাই তো বেঁধেছি
জীবন ডোরে।
স্মরণে রেখো
মনের বদলে
মনটি দিলাম
উজার করে।
কোন সুর বাজিয়ে
কিবা তাল সাজিয়ে
একি ছন্দ জাগালে
এ জীবনে।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আমি এক দুরন্ত যাযাবর
দিন নেই, রাত নেই,
বসে থাকি গাড়িতেই,
পথেই বেঁধেছি মোর ঘর।।
এখানে ওখানে কোথা যেতে নেই যে মানা।
এখানে সেখানে খুঁজে পাবে মোর ঠিকানা।
চাওয়া-পাওয়া নেই কিছু
কোনো বাঁধন নেই পিছু।
কেউ আমার রাখে না খবর।।
এধারে ওধারে সারি সারি চলে কতজনে।
কে এলো, কে গেলো, এতকিছু কে রাখে মনে।
সকলেরে ভালোবাসি
সবার সাথে কাঁদি-হাসি।
দুনিয়াতে কেউ নয় পর।।

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

আয়নাতে ওই মুখ দেখবে যখন
কপোলের কালো টিপ পড়বে চোখে
ফুটবে যখন ফুল বকুল শাখে
ভ্রমর যে এসেছিল জানবে লোকে।।
মনটি তোমার কেন দুরুদুরু কাঁপছে
মনের মানুষকে গো চেনা চেনা লাগছে
তুমি কি তারে কাছে ডাকবে।
হৃদয়ের কাছে যে রয় অলখে
হঠাৎ যখন তুমি দেখবে তাকে
শরমে নয়ন কি গো রাখবে ঢেকে।।
জানিনা এখন তুমি কার কথা ভাবছ
আনমনে কার ছবি চুপিচুপি আঁকছ
তুমি কি তারে ভালোবাসবে।
ধরা যদি দেয় সে এক পলকে
দেখবে যখন তাকে অবাক চোখে
দু’হাতে নয়ন কি গো রাখবে ঢেকে।।

[গানটি গেয়েছেন মাহমুদুন নবী]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

ঐ দূর দূর-দূরান্তে,
দিন-দিনান্তে, নীল-নীলান্তে,
কিছু জানতে না জানতে
শান্ত শান্ত মন অশান্ত হয়ে যায়।
সেই মন মন-মনান্তে,
বন-বনান্তে, যুগ-যুগান্তে,
কিছু শুনতে না শুনতে
পান্ত পান্ত স্বাদ অপান্ত হতে চায়।।
দু’চোখে দিল শুধু যন্ত্রণা
কেন যে করে তবু মন্ত্রনা
যাবে সে যাবে চলে
দু’পায়ে সবই দোলে
পিছু কি দেবে না সান্ত্বনা।
থেকে থেকে দেখে দেখে
ফেলে ফেলে রেখে রেখে
মায়ামৃগ পিছু ডেকে যায়,
ডেকে যায়, ডেকে যায়।।
আমারে করে গেল বঞ্চনা
শ্রবণে দিল কত গঞ্জনা
সে গেল হেসে হেসে
আমি যে ভাবি বসে
আর তো দেবে না লাঞ্ছনা।
পলে পলে দিনে দিনে
ক্ষণে ক্ষণে তিলে তিলে
সারাবেলা তারে দিন যায়,
দিন যায়, দিন যায়।।

[গানটি গেয়েছেন খোরশেদ আলম]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

মন যদি ভেঙে যায়
যাক, যাক, কিছু বলব না।
তোমার যাবার বেলা
আমার প্রেমের কথা তুলব না।।
নাইবা মানলো বাধা
চোখের জলের এই নদী।
পথ চেয়ে একা একা
কাঁদব না হায় নিরবধি।
তোমার পথের জ্বালা,
তোমার পায়ের ধুলা,
মুছিয়ে দিয়েছি আঁখি জলে
সেই তো অনেক বড় সান্ত্বনা।।
কি আছে নাহয় আমি
কেঁদেই কাটাব এ জীবন।
নাহয় ছলনা দিয়ে
বুঝিয়ে রাখব এ মন।
তোমার জীবন তৃষা,
পেয়েছে পথের দিশা,
এগিয়ে চলেছ সে পথে
সেই তো অনেক বড় সান্ত্বনা।।

[গানটি লিখেছেন ও সুর করেছেন খান আতাউর রহমান এবং গেয়েছেন সাবিনা ইয়াসমীন]

{গানটি না পড়া গেলে বিকল্প লিংক}
{If you can’t read it, click here}

পরবর্তী পৃষ্ঠা »

Follow

Get every new post delivered to your Inbox.

Join 30 other followers